...
...
Next Story

ফলেই কাটবে হ্যাংওভার! পার্টির পরের দিন সকালে খাওয়ার ৩ ম্যাজিক ফলের নাম জেনে নিন

অ্যালকোহল শরীরকে ডিহাইড্রেটেড বা জলশূন্য করে দেয় এবং লিভারের ওপর চাপ সৃষ্টি করে। এই অবস্থা থেকে মুক্তি পেতে ওষুধের চেয়ে প্রাকৃতিক সমাধান অনেক বেশি কার্যকর।

Published on: Jan 5, 2026, 10:42:51 IST
By
Prefer HTon Google
Advertisement

শীতের আমেজ আর ক্যালেন্ডারের পাতায় উৎসবের মরশুম—এই সময়ে উইকেন্ড মানেই বন্ধুদের সঙ্গে জমাটি আড্ডা আর পার্টি। তবে আনন্দের সেই রাত কাটতেই পরের দিন সকালে শুরু হয় আসল যন্ত্রণা। যাকে আমরা বলি ‘হ্যাংওভার’। প্রচণ্ড মাথাব্যথা, বমি বমি ভাব, শরীর ম্যাজম্যাজ করা আর অসম্ভব ক্লান্তি আপনার পুরো ছুটির দিনটাই মাটি করে দিতে পারে।

ফলেই কাটবে হ্যাংওভার! পার্টির পরের দিন সকালে খাওয়ার ৩ ম্যাজিক ফলের নাম জেনে নিন
ফলেই কাটবে হ্যাংওভার! পার্টির পরের দিন সকালে খাওয়ার ৩ ম্যাজিক ফলের নাম জেনে নিন

আসলে অ্যালকোহল শরীরকে ডিহাইড্রেটেড বা জলশূন্য করে দেয় এবং লিভারের ওপর চাপ সৃষ্টি করে। এই অবস্থা থেকে মুক্তি পেতে ওষুধের চেয়ে প্রাকৃতিক সমাধান অনেক বেশি কার্যকর। পুষ্টিবিদদের মতে, এমন তিনটি বিশেষ ফল রয়েছে যা আপনার শরীর থেকে টক্সিন বের করে দিয়ে মুহূর্তেই আপনাকে চনমনে করে তুলবে।

শীতের পার্টির পর হ্যাংওভার কাটাতে যে ৩টি ফল ম্যাজিকের মতো কাজ করে, তাদের নাম জেনে নিন।

হ্যাংওভার কাটাতে সেরা ৩টি সুপার-ফ্রুট

১. কলা (Banana)

অ্যালকোহল পানের ফলে শরীর থেকে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম বেরিয়ে যায়, যার ফলে পেশিতে টান ধরা বা দুর্বলতা অনুভূত হয়।

কেন খাবেন: কলা হলো পটাশিয়ামের পাওয়ার হাউস। এটি শরীরের ইলেকট্রোলাইট ব্যালেন্স ঠিক করতে সাহায্য করে। এছাড়া এতে থাকা প্রাকৃতিক শর্করা রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়িয়ে আপনার ক্লান্তি দূর করে। হ্যাংওভারের সকালে একটা কলা খেলে মাথা ঘোরা অনেকটাই কমে যায়।

শীতের ফল কমলালেবু হ্যাংওভারের যম। এতে থাকা প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন সি এবং অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট লিভারকে অ্যালকোহল টক্সিন পরিষ্কার করতে সাহায্য করে।

কেন খাবেন: কমলালেবু বা পাতিলেবুর রস পান করলে শরীর আর্দ্রতা ফিরে পায়। এটি গ্লুটাথিয়ন (Glutathione) উৎপাদনে সহায়তা করে যা লিভারের বিষক্রিয়া দ্রুত কাটায়। তবে খালিপেটে সরাসরি লেবুর রসের বদলে হালকা জল বা নুন-চিনি দিয়ে শরবত করে খাওয়া বেশি কার্যকর।

৩. তরমুজ বা জলীয় ফল (Watermelon)

হ্যাংওভারের প্রধান কারণ হলো ডিহাইড্রেশন। তরমুজে প্রায় ৯২% জল থাকে যা শরীরের হারানো আর্দ্রতা দ্রুত ফিরিয়ে আনে।

কেন খাবেন: তরমুজে 'এল-সিট্রুলাইন' (L-citrulline) নামক অ্যামিনো অ্যাসিড থাকে যা রক্ত সঞ্চালন বাড়ায় এবং মাথাব্যথা কমায়। শীতকালে তরমুজ না পাওয়া গেলে এর বিকল্প হিসেবে ডাবের জল বা নাশপাতি খেতে পারেন। নাশপাতিতে এমন কিছু এনজাইম থাকে যা অ্যালকোহলের মেটাবলিজম বাড়িয়ে দেয়।

বাড়তি কিছু টিপস:

  • পর্যাপ্ত জল পান: ফলের পাশাপাশি সারা দিন অল্প অল্প করে জল পান করুন।
  • মধু: এক চামচ মধু খেলে শরীরের ফ্রুক্টোজের অভাব পূরণ হয় এবং হ্যাংওভার দ্রুত কাটে।
  • কফি এড়িয়ে চলুন: হ্যাংওভারে কফি খেলে ডিহাইড্রেশন আরও বাড়তে পারে, তাই ভেষজ চা বা ফলের রস বেছে নিন।

উইকেন্ড পার্টি মানেই পরের দিনটা নষ্ট হওয়া নয়। সঠিক খাবারের সাহায্যে আপনি খুব সহজেই শরীরকে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে পারেন। তাই আজই আপনার ফ্রিজে এই ফলগুলো মজুত রাখুন এবং সুস্থভাবে শীতের ছুটি উপভোগ করুন।

 
ABOUT THE AUTHOR
Suman Roy

সুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।

SHARE THIS ARTICLE ON