সুন্দরবনের প্রত্যন্ত গ্রামে বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন দুই তরুণী রিয়া ও রাখি। এবার তাদের নতুন জীবনের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানালেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূলের সর্বভারতীয় সভাপতি সোমবার সকালে ফোন করেছিলেন দুই তরুণীকে। ফোনের মাধ্যমেই তাদের শুভেচ্ছা জানান এদিন। প্রসঙ্গত, অভিষেক ডায়মন্ডহারবারের সাংসদ। তাঁর নির্দেশে মথুরাপুর লোকসভার সাংসদ বাপি হালদার দুই তরুণীকে ডেকে সংবর্ধনা দেন। মঞ্চের উপর ফের মালাবদল করেন দুজনে। তারপরেই অভিষেকের থেকে ফোন আসে। সশরীরে অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে না পারলেও ফোনেই শুভেচ্ছা জানান তিনি।
সোশাল মিডিয়াতে কী লিখলেন সাংসদ

দুই তরুণীকে শুভেচ্ছা জানানোর পর সেই কথা সোশ্যাল মিডিয়াতেও শেয়ার করেছেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক। সেখানে তিনি লেখেন, ‘মাজিক বেড়াজাল ছিন্ন করে সুন্দরবনের দুই তরুণী বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন, যা বাংলা তথা দেশের কাছে দৃষ্টান্তস্বরূপ উদাহরণ – স্বাধীন ভারতের স্বাধীন মানসিকতার, মানবিকতার, মুক্তচিন্তা ভাবনার ও সাহসিকতার। সারাজীবন একসাথে থাকার অঙ্গীকার নিয়ে তাঁরা যে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন তা বাংলার কাছে ও বাঙালির কাছে গর্বের। সংকীর্ণতার গণ্ডি পেরিয়ে সামাজিক মতভেদ, ধর্মীয় মূল্যবোধ এবং সাংস্কৃতিক বাধা এসব অতিক্রম করে লক্ষ্যে স্থির থেকেছেন – প্রকৃত ভালোবাসাকে প্রাধান্য দিয়েই। তাঁদের এই পবিত্র ভালোবাসা চিরঅক্ষয় থাকুক। দক্ষিণ ২৪ পরগনার মন্দিরবাজারের বাসিন্দা রিয়া সর্দার ও বকুলতলার বাসিন্দা রাখি নস্কর এই নবদম্পতিকে আমি অনেক অনেক শুভেচ্ছা এবং হার্দিক অভিনন্দন জানাচ্ছি। পরমেশ্বরের আশীর্বাদ বর্ষিত হোক ওঁদের জীবনে। রঙিন হয়ে উঠুক আগামীর পথ।’
বাংলাই দেখাবে পথ
এর সঙ্গেই তিনি লেখেন, বাংলাই আগামী দিনে পথে দেখাবে। পশ্চিমবঙ্গই সারা দেশবাসীকে মুক্ত চিন্তাভাবনার দিকে এগিয়ে যেতে সাহায্য করবে বলেও তাঁর বিশ্বাস। সেই কথার পরিপ্রেক্ষিতে তিনি বলেন, ‘বাংলাই আগামীকে পথ দেখায়। এই সাহসিকতার জোরেই আমাদের সমাজ অচলায়তন ভেঙে ও সংকীর্ণতাকে পিছনে ফেলে মুক্ত চিন্তাভাবনার অঙ্গন হয়ে উঠবে।’
কীভাবে আলাপ ও বিয়ে
{{/usCountry}}এর সঙ্গেই তিনি লেখেন, বাংলাই আগামী দিনে পথে দেখাবে। পশ্চিমবঙ্গই সারা দেশবাসীকে মুক্ত চিন্তাভাবনার দিকে এগিয়ে যেতে সাহায্য করবে বলেও তাঁর বিশ্বাস। সেই কথার পরিপ্রেক্ষিতে তিনি বলেন, ‘বাংলাই আগামীকে পথ দেখায়। এই সাহসিকতার জোরেই আমাদের সমাজ অচলায়তন ভেঙে ও সংকীর্ণতাকে পিছনে ফেলে মুক্ত চিন্তাভাবনার অঙ্গন হয়ে উঠবে।’
কীভাবে আলাপ ও বিয়ে
{{/usCountry}}প্রসঙ্গত, রিয়া ও রাখি দুজনেই পেশায় নৃত্যশিল্পী। তাদের আলাপও হয়েছিল এক বান্ধবীর মাধ্যমে। সেখান থেকেই বন্ধুত্ব ও মন দেওয়নেওয়ার দিকে গড়ায় বিষয়টি। প্রথমে বিহারের এক মন্দিরে বিয়ে সেরেছিলেন রাখি ও রিয়া। তারপর রাখির বাড়িতেই থাকতেন দুজনে। কিন্তু কিছুদিন পর থেকে রাখির বাড়িতে এই নিয়ে সমস্যা তৈরি হতে থাকে। এর পরেই রিয়া তার বাড়িতে পুরো বিষয়টি জানান। রিয়ার বাড়ি থেকেই বিয়ের আয়োজন হয় পুরো বিষয়টি মেনে নিয়ে। আপাতত দুজনেই রিয়ার বাড়িতেই থাকেন।