...
...
Next Story

Quote of the Day: ‘জীবন এমন একটি অমীমাংসিত রহস্য, যা সমাধান করার চেষ্টা..’ রহস্যের রানি আগাথা ক্রিস্টি কেন বলেছিলেন

Quote of the Day: ১৯২৬ সালে আগাথা ক্রিস্টি হঠাৎ করেই নিখোঁজ হয়ে যান। তাঁর পরিত্যক্ত গাড়িটি একটি খাদের ধারে পাওয়া গিয়েছিল। সারা ইংল্যান্ড জুড়ে তোলপাড় শুরু হয়, এমনকি রহস্য লেখক আর্থার কোনান ডয়েলও তাঁকে খুঁজতে নামেন।

Published on: Apr 10, 2026, 05:23:45 IST
Advertisement

Quote of the Day: বিশ্বসাহিত্যে গোয়েন্দা গল্পের কথা বললে শার্লক হোমসের পর যে নামটি অবধারিতভাবে উঠে আসে, তিনি হলেন আগাথা ক্রিস্টি। এরকিউল পোয়ারো বা মিস মার্পলের মতো অমর চরিত্রের স্রষ্টা এই লেখিকার জীবন নিজেও ছিল কোনো টানটান রহস্য উপন্যাসের মতো।

আজকের অমোঘ বাণী (Quote of the Day)

‘জীবন এমন একটি অমীমাংসিত রহস্য, যা সমাধান করার চেষ্টা..’ রহস্যের রানি কেন বলেন
‘জীবন এমন একটি অমীমাংসিত রহস্য, যা সমাধান করার চেষ্টা..’ রহস্যের রানি কেন বলেন

‘জীবন হলো এমন একটি অমীমাংসিত রহস্য, যা সমাধান করার চেষ্টা না করে উপভোগ করাই শ্রেয়। তবে অপরাধের ক্ষেত্রে সত্য লুকিয়ে রাখা অসম্ভব, কারণ মানুষের স্বভাবই হলো শেষ পর্যন্ত সব প্রকাশ করে দেওয়া।’

জীবনের কিছু রোমাঞ্চকর অ্যানেকডোট (Anecdotes)

আগাথা ক্রিস্টির নিজের জীবন থেকে নেওয়া এই ঘটনাগুলো তাঁর পাঠকদের আজও চমকে দেয়:

১. এগারো দিনের রহস্যময় অন্তর্ধান: ১৯২৬ সালে আগাথা ক্রিস্টি হঠাৎ করেই নিখোঁজ হয়ে যান। তাঁর পরিত্যক্ত গাড়িটি একটি খাদের ধারে পাওয়া গিয়েছিল। সারা ইংল্যান্ড জুড়ে তোলপাড় শুরু হয়, এমনকি রহস্য লেখক আর্থার কোনান ডয়েলও তাঁকে খুঁজতে নামেন। এগারো দিন পর একটি হোটেলে তাঁকে পাওয়া যায়, কিন্তু তিনি কীভাবে সেখানে পৌঁছালেন বা কেন গিয়েছিলেন, তা নিয়ে আজও বিতর্ক রয়েছে। অনেকে মনে করেন এটি ছিল তাঁর ব্যক্তিগত জীবনের এক মানসিক সংকটের ফল।

২. বিষবিদ্যা ও বিশ্বযুদ্ধ: প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় আগাথা হাসপাতালে নার্স এবং ডিসপেনসারিতে কাজ করতেন। সেখানে তিনি বিভিন্ন ধরনের বিষ ও রাসায়নিক দ্রব্য সম্পর্কে গভীর জ্ঞান অর্জন করেন। এই বাস্তব অভিজ্ঞতাই তাঁকে পরবর্তীকালে তাঁর উপন্যাসে নিখুঁতভাবে বিষ প্রয়োগের মাধ্যমে খুনের দৃশ্য ফুটিয়ে তুলতে সাহায্য করেছিল। চিকিৎসকরাও তাঁর উপন্যাসে বর্ণিত বিষের প্রতিক্রিয়ার নির্ভুলতা দেখে অবাক হতেন।

আগাথা ক্রিস্টির লেখার বিশেষত্ব হলো তাঁর 'হুইলচেয়ার ডিটেক্টিভ' কনসেপ্ট এবং মানুষের মনস্তত্ব নিয়ে খেলা করা। তিনি প্রমাণ করেছেন যে, অপরাধের সমাধান কেবল পেশিশক্তি দিয়ে নয়, বরং মগজের ‘লিটল গ্রে সেলস’ দিয়েই সম্ভব। তাঁর গল্পের পরতে পরতে থাকা টুইস্ট আজও নতুন লেখকদের কাছে অনুপ্রেরণার উৎস।

 
ABOUT THE AUTHOR
Suman Roy

সুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।

SHARE THIS ARTICLE ON