...
...
Next Story

Is Hair Dye Bad: চুলে রং করছেন? রঙে কী কী থাকতে পারে শুনলে এখনই ছেড়ে দেবেন এই অভ্যাস

পাকা চুল ঢাকতেই হোক, কিংবা মনের আনন্দেই হোক— অনেকেই চুলে রং করেন। কিন্তু এই রং কি চুলের জন্য আদৌ ভালো?

Published on: Jan 22, 2026, 20:57:53 IST
By
Prefer HTon Google
Advertisement

চুল পেকে গেলে অনেকেরই মন খারাপ হয়ে যায়। অনেকে আবার চুলের স্বাভাবিক রংই পছন্দ করেন না। কারও কারও কখনও ইচ্ছা হয় নিজের চেহারা বদলাতে। তাই চুলে রং করে ফেলেন। কিন্তু জানেন কি এই রঙের অনেকগুলিতেই এমন কিছু রাসায়নিক ব্যবহার করা হয়, যা শরীরে নানা রকম বিপদ ডেকে আনতে পারে। এমনকী চুলেরও বিরাট ক্ষতি করতে পারে।

চুলে রং করছেন? রঙে কী কী থাকতে পারে শুনলে এখনই ছেড়ে দেবেন এই অভ্যাস
চুলে রং করছেন? রঙে কী কী থাকতে পারে শুনলে এখনই ছেড়ে দেবেন এই অভ্যাস

ত্বক বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, চুলে রং করলে কী কী বিপদ হতে পারে? দেখে নেওয়া যাক সেই তালিকা:

  • অ্যামোনিয়া: অধিকাংশ রঙে এই রাসায়নিকটি ব্যবহার করা হয়। এটি চুলের জন্য তো ভালো নয়ই, শরীরের জন্যও খারাপ। চুলের স্বাভাবিক যে গঠন, তা নষ্ট করে দিতে পারে এটি। চুল শুকিয়ে যেতে পারে। এবং চুল উঠেও যেতে নিয়মিত রং করলে। তার কারণ এই অ্যামোনিয়া।
  • অ্যামোনিয়া বিহীন রংও সব সময়ে ভালো নয়: অনেক রঙে অ্যামোনিয়া নেই বলে প্রচার করা হয়। কিন্তু তার বদলে ব্যবহার করা হয় Monoethanolamine (MEA)। সেটিও একই রকম খারাপ। এবং অ্যামোনিয়া যা যা ক্ষতি করে, এটিও তাই। এমনই বলছেন নিরুপমা।
  • পারোক্সাইড: এটিও চুলের রঙে থাকা আরও একটি ক্ষতিকারক উপাদান। রং পাকা করার জন্য এটি ব্যবহার করা হয়। তার মানে কি পারোক্সাইডের মাত্রা কমিয়ে দিলেই কি চুলের ক্ষতি আটকানো যাবে? তাও নয়। কারণ তাতে রং ধরবে না। ফলে বারবার চুলে রং করতে হবে।
  • নেশাও হতে পারে: অনেকেরই চুলে রং করার নেশা হয়ে যায়। ফলে তাঁরা এই অভ্যাস ত্যাগ করতে পারেন না। তাতে চুলে রং করার প্রবণতা আরও বাড়ে। সেটি সব ধরনের বিপদ আরও বাড়িয়ে দিতে থাকে।

 
ABOUT THE AUTHOR
Suman Roy

সুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।

SHARE THIS ARTICLE ON