...
...
Next Story

আলো জ্বালালেই ঝাঁকে ঝাঁকে পোকা ঘরে ঢুকছে? এই ঘরোয়া টোটকাতেই মিলবে মুক্তি

এই মরসুমে সন্ধে নামলেই লাইটের চারপাশে ছোট ছোট পোকা ভিড় করে। এদের খাওয়ার জন্য টিকটিকিও ঘরে চলে আসে এবং এই পোকাগুলি কামড়ায়। চলুন, এদের তাড়ানোর উপায় জেনে নেওয়া যাক।

Published on: Oct 15, 2025, 21:31:30 IST
By
Prefer HTon Google
Advertisement

আজকাল এই মরসুমে রাত হলেই বাল্বের চারপাশে পোকার ঝাঁক উড়তে দেখা যায়। এই পোকাগুলি আকারে ছোট হলেও কামড়ে দেয়। এদের কামড়ে ফুসকুড়ি হয়ে যায়। পোকাদের খাওয়ার লোভে টিকটিকিও ঘরে ঢুকে পড়ে। এই কীটপতঙ্গ তাড়ানোর জন্য অনেকেই ঘরের আলো নিভিয়ে দেন। এই পোকাগুলি এতটাই ছোট যে বাচ্চাদের কানে বা খাবারেও ঢুকে যেতে পারে। আপনিও যদি সন্ধ্যা হলেই এই আলোর পোকাদের উপদ্রবে বিরক্ত হয়ে যান, তাহলে এদের তাড়ানোর জন্য কিছু সহজ এবং কার্যকরী উপায় আমরা আপনাকে জানাচ্ছি।

আলো জ্বালালেই ঝাঁকে ঝাঁকে পোকা ঘরে ঢুকছে? এই ঘরোয়া টোটকাতেই মিলবে মুক্তি
আলো জ্বালালেই ঝাঁকে ঝাঁকে পোকা ঘরে ঢুকছে? এই ঘরোয়া টোটকাতেই মিলবে মুক্তি

কম পাওয়ারের বাল্ব প্রথম কাজ হল, যেখানে বেশি আলোর প্রয়োজন নেই, সেখানে কম পাওয়ারের বাল্ব ব্যবহার করুন। এতে পোকা কম আসবে এবং বিদ্যুতের খরচও বাঁচবে।

লেবুর রস একটি স্প্রে বোতলে লেবুর রস এবং নুন মিশিয়ে নিন। এই স্প্রেটি পোকাদের উপর ছিটিয়ে দিন। এতে পোকারা মরে যাবে এবং পালাবেও।

নিম তেলের গন্ধ বেশ কড়া হয়, যা কীটপতঙ্গ একেবারেই পছন্দ করে না। একটি শিশিতে নিম তেল ভরে স্প্রে দিয়ে ছিটিয়ে দিন। এতেও পোকারা পালিয়ে যাবে।

রসুন রসুনের তীব্র গন্ধ অনেক পোকামাকড় পছন্দ করে না। এর ফলে টিকটিকিও পালিয়ে যায়। রসুন বেটে রস বের করে নিন। এই রস ছিটিয়ে রেখে দিন। বাল্বের কাছে উড়তে থাকা পোকারা দূরে চলে যাবে।

কর্পূর পোকা তাড়ানোর সবচেয়ে সহজ উপায় হল কর্পূর। কর্পূরের তীব্র গন্ধ পোকামাকড় তাড়াতে কার্যকরী প্রমাণিত হয়। কর্পূর জ্বালিয়ে রাখুন। এর গন্ধ ছড়িয়ে পড়লে পোকারা পালিয়ে যাবে।

 
ABOUT THE AUTHOR
Suman Roy

সুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।

SHARE THIS ARTICLE ON