গরমের সময়ে বিছানায় শুলে অনেকেরই মনে হয়, গদি থেকে যেন তাপ উঠছে। আর সেই কারণেই তাঁরা শুয়ে পড়েন মেঝেতে। বিশেষ করে দুপুরবেলায় তো এমন কাজ অনেকেই করেন। ভ্যাপসা গরমের হাত থেকে বাঁচতে তখন মার্বেল বা সিমেন্টের ঢালাই মেঝের ঠান্ডাই ভরসা। কিন্তু এই কাজটি শরীরের উপর কেমন প্রভাব ফেলে?

শুনলে অবাক হবেন, এই হালের সময়েও জাপানের বহু মানুষ প্রায় মেঝেতেই ঘুমোন। সরাসরি মেঝেতে না শুলেও পাতলা চাদর বা ম্যাট পেতে মেঝেতে ঘুমোন তাঁরা। কেন জানেন? তার কারণ জাপানিদের অনেকেই মনে করেন, মেঝেতে শোওয়া শরীরের জন্য খুব উপকারী। বিশেষ করে মেরুদণ্ডের জন্য।
কিন্তু গরম থেকে বাঁচতে মেঝেতে শুয়ে কি ঠিক করছেন? বিশেষজ্ঞদের অনেকেরই মত, এতে কোনও ক্ষতি তো নয়ই, বরং লাভই হচ্ছে। কারণ এতে মেরুদণ্ডের উপকার হয়। বরং বিছানার নরম গদিতে শুলেই সেই উপকার হয় না। কিন্তু এখানেই শেষ নয়। কয়েকটি বিষয় এক্ষেত্রে মাথায় রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন তাঁরা।
মনে রাখবেন, যাঁদের ঠান্ডা লাগার ধাত আছে, তাঁদের জন্য সরাসরি মেঝেতে শোওয়া ঝামেলার হতে পারে। তাই পাতলা চাদর বা যোগাসনের ম্যাট পেতে নিতে পারেন। তাতেও একই কম উপকার হবে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, বালিশ ছাড়া ঘুমোলে তা শরীরের জন্য আরও ভালো। তাই মেঝেতে শোওয়ার সময়ে বালিশ ত্যাগ করতে পারেন। তাতে কাঁধ ও ঘাড়ের কাছের পেশির আরও উপকার হবে। স্পন্ডেলোসিস জাতীয় সমস্যা কমতেও পারে।
মেঝেতে শোওয়ার সময়ে কোনও ভাবেই উপুর হয়ে শোবেন না। পেটে চাপ পড়লে সমস্যা হতে পারে। বরং চিৎ হয়ে শুতে পারেন। বা পাশ ফিরে। এই দুই ভাবে শুলে শরীরের কোনও সমস্যা হয় না।
{{/usCountry}}মেঝেতে শোওয়ার সময়ে কোনও ভাবেই উপুর হয়ে শোবেন না। পেটে চাপ পড়লে সমস্যা হতে পারে। বরং চিৎ হয়ে শুতে পারেন। বা পাশ ফিরে। এই দুই ভাবে শুলে শরীরের কোনও সমস্যা হয় না।
{{/usCountry}}গরমে অনেকেই মেঝেতে জল দিয়ে মুছে তার উপর শুয়ে পড়েন। এটিতে আরাম লাগলেও এটি খুব বিপজ্জনক। কারণ এথে ঠান্ডা লেগে যেতে পারে। সর্দি-কাশির সমস্যাও হতে পারে। এই কাজটি ভুলেও করবেন না। আর শরীর ঠান্ডা হয়ে গেলে বেশি ক্ষণ শুয়ে থাকবেন না খালি মেঝেতে।