...
...
Next Story

Sleeping on the Floor: গরম পড়তেই দুপুরবেলা মাটিতে শুয়ে পড়ছেন? শরীরের কী হচ্ছে এতে

Sleeping on the Floor: গরম থেকে বাঁচতে অনেকেই দুপুরবেলা মাটিতে শুয়ে পড়েন। এতে শরীরে কেমন প্রভাব পড়ে? জেনে নিন ভালো করে।

Published on: Mar 10, 2026, 11:57:02 IST
By
Prefer HTon Google
Advertisement

গরমের সময়ে বিছানায় শুলে অনেকেরই মনে হয়, গদি থেকে যেন তাপ উঠছে। আর সেই কারণেই তাঁরা শুয়ে পড়েন মেঝেতে। বিশেষ করে দুপুরবেলায় তো এমন কাজ অনেকেই করেন। ভ্যাপসা গরমের হাত থেকে বাঁচতে তখন মার্বেল বা সিমেন্টের ঢালাই মেঝের ঠান্ডাই ভরসা। কিন্তু এই কাজটি শরীরের উপর কেমন প্রভাব ফেলে?

গরম পড়তেই দুপুরবেলা মাটিতে শুয়ে পড়ছেন? শরীরের কী হচ্ছে এতে
গরম পড়তেই দুপুরবেলা মাটিতে শুয়ে পড়ছেন? শরীরের কী হচ্ছে এতে

শুনলে অবাক হবেন, এই হালের সময়েও জাপানের বহু মানুষ প্রায় মেঝেতেই ঘুমোন। সরাসরি মেঝেতে না শুলেও পাতলা চাদর বা ম্যাট পেতে মেঝেতে ঘুমোন তাঁরা। কেন জানেন? তার কারণ জাপানিদের অনেকেই মনে করেন, মেঝেতে শোওয়া শরীরের জন্য খুব উপকারী। বিশেষ করে মেরুদণ্ডের জন্য।

কিন্তু গরম থেকে বাঁচতে মেঝেতে শুয়ে কি ঠিক করছেন? বিশেষজ্ঞদের অনেকেরই মত, এতে কোনও ক্ষতি তো নয়ই, বরং লাভই হচ্ছে। কারণ এতে মেরুদণ্ডের উপকার হয়। বরং বিছানার নরম গদিতে শুলেই সেই উপকার হয় না। কিন্তু এখানেই শেষ নয়। কয়েকটি বিষয় এক্ষেত্রে মাথায় রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন তাঁরা।

মনে রাখবেন, যাঁদের ঠান্ডা লাগার ধাত আছে, তাঁদের জন্য সরাসরি মেঝেতে শোওয়া ঝামেলার হতে পারে। তাই পাতলা চাদর বা যোগাসনের ম্যাট পেতে নিতে পারেন। তাতেও একই কম উপকার হবে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, বালিশ ছাড়া ঘুমোলে তা শরীরের জন্য আরও ভালো। তাই মেঝেতে শোওয়ার সময়ে বালিশ ত্যাগ করতে পারেন। তাতে কাঁধ ও ঘাড়ের কাছের পেশির আরও উপকার হবে। স্পন্ডেলোসিস জাতীয় সমস্যা কমতেও পারে।

গরমে অনেকেই মেঝেতে জল দিয়ে মুছে তার উপর শুয়ে পড়েন। এটিতে আরাম লাগলেও এটি খুব বিপজ্জনক। কারণ এথে ঠান্ডা লেগে যেতে পারে। সর্দি-কাশির সমস্যাও হতে পারে। এই কাজটি ভুলেও করবেন না। আর শরীর ঠান্ডা হয়ে গেলে বেশি ক্ষণ শুয়ে থাকবেন না খালি মেঝেতে।

 
ABOUT THE AUTHOR
Suman Roy

সুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।

SHARE THIS ARTICLE ON