...
...
Next Story

Ayurveda tips for eating curd: দই তো খাচ্ছেন, কিন্তু দই খাওয়ার সময়ে এই ভুলগুলি করছেন না তো

দই খুবই পুষ্টিকর একটি খাবার। কিন্তু দই খাওয়ার সময়ে কয়েকটি নিয়ম মনে রাখা উচিত।

Published on: Jan 28, 2026 11:42 AM IST
By
Prefer HTon Google
Advertisement

দই খুবই পুষ্টিকর একটি পদ। আদি যুগ থেকেই ভারতে দই খাওয়ার প্রচলন রয়েছে। ভারতীয় আয়ুর্বেদেও দইকে অত্যন্ত গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। খাবার খাওয়ার পরে বা খাবারের সঙ্গে দই খেলে বহু ধরনের উপকার পাওয়া যায় বলে দাবি করা হয়েছে এই শাস্ত্রে।

দই তো খাচ্ছেন, কিন্তু দই খাওয়ার সময়ে এই ভুলগুলি করছেন না তো
দই তো খাচ্ছেন, কিন্তু দই খাওয়ার সময়ে এই ভুলগুলি করছেন না তো

দইয়ে প্রচুর উপকারী ব্যাকটিরিয়া রয়েছে। এগুলি মানুষের পেটের নানা উপকার করে। হজমে সাহায্য করে। ক্ষতিকারক জীবাণুর সঙ্গে লড়তে সাহায্য করে। তাছাড়া দইয়ে প্রচুর ফসফরাস রয়েছে। এটিও শরীরের নানা কাজে লাগে।

অনেকেই lactose intolerant হন। অর্থাৎ দুগ্ধজাত পদ খেলে তাঁদের সমস্যা হয়। তাঁদের অনেকেই সহজে দই খেতে পারেন। কোনও সমস্যা হয় না। ভিটামিন এ, বি৬, বি১২, ল্যাকটিক অ্যাসিড-এর জোগান দিতে পারে দই। ফলে নিয়মিত দই খেলে শরীরের নানা লাভ হয়। তাছাড়া দই নিয়মিত খেলে ওজনও কমে।

কিন্তু মনে রাখা দরকার দই খাওয়ার কয়েকটি নিয়ম আছে। সেই নিয়মগুলি মেনে না চললে দই সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে। আয়ুর্বেদ বিশেষজ্ঞ দীক্ষা ভাবসার সম্প্রতি হিন্দুস্তান টাইমসকে এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, দই খাওয়ার সময়ে কোন কোন নিয়ম মেনে চলা উচিত।

দেখে নেওয়া যাক সেই নিয়মগুলি।

  • দই কখনও গরম করা উচিত নয়। তাহে দইয়ের অধিকাংশ গুণই নষ্ট হয়ে যায়। শুধুমাত্র অ্যাসিড থেকে যায়। তাতে অম্বলের মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।
  • যাঁদের শরীরে প্রচুর মেদ রয়েছে, তাঁরা দই খাওয়ার সময়ে সচেতন থাকবেন। দরকারে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিয়ে দই খাবেন। যতটা পারবেন এড়িয়ে যাবেন দই।
  • রাতে দই খাবেন না। তাতেও বাড়তে পারে অ্যাসিডিটির সমস্যা। এছাড়া মেদবৃদ্ধির মতো সমস্যাও হতে পারে এর ফলে।
  • দই রোজ না খাওয়াই ভালো। ভারী খাবারের পরে দই খেতে পারেন। কিন্তু হাল্কা খাবার বা রোজকার খাবারের পরে দই খেলে লাভ কিছু হয় না।

 
ABOUT THE AUTHOR
Suman Roy

সুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।

SHARE THIS ARTICLE ON