...
...
Next Story

Laughing Health Benefits: পুরুষরা বেশি হাসেন নাকি মহিলারা? জানেন কী?

Laughing Health Benefits: হাসির কিন্তু অনেক উপকারিতা। তাই রামগরুরের ছানা হবেন না। হাসুন, হাসান।

Published on: Apr 30, 2026 01:20 PM IST
Advertisement

Laughing Health Benefits: পুরুষরা বেশি হাসেন, নাকি মহিলারা? এর উত্তরটাও কিন্তু বেশ চমকপ্রদ। একটি সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, মহিলাদের তুলনায় পুরুষরাই বেশি হাসেন। ৩৩% পুরুষদের দাবি, তাঁরাই বেশি হাসেন। অন্যদিকে ২৯% মহিলার দাবি, তাঁরাই বেশি হাসেন। তাই আপনি যদি পুরুষ হয়ে কোনও মহিলাকে হাসাতে পারেন -কনগ্রাচুলেশনস।

পুরুষরা বেশি হাসেন নাকি মহিলারা? জানেন কী?
পুরুষরা বেশি হাসেন নাকি মহিলারা? জানেন কী?

হাসির উপকারিতা:

১. হাসলে অক্সিটোসিন নিঃসৃত হয়। এটি হ্যাপি হরমোন নামে পরিচিত। এই হরমোনের ফলে মন ভাল হয়ে যায়। আর মন ভাল থাকলে যে শরীর ভাল থাকে, তা সবাই জানেন।

২. মন খারাপ, ডিপ্রেশন, অ্যাংজাইটির ক্ষেত্রেও হাসি দুর্দান্ত ওষুধের কাজ করে।

৩. হাসির ফলে স্ট্রেস কমে। এর ফলে প্রত্যক্ষভাবে হার্টের সমস্যা, ডায়াবেটিস, রক্তচাপের মতো রোগকে ঠেকিয়ে রাখা যায়।

কিন্তু হাসব কীভাবে?

শুনতে অবাক লাগলেও, এখনকার দিনে এটাই একটা বড় সমস্যা। কাজের ব্যস্ততা, রিলেসনশিপের সমস্যা, পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতি, শারীরিক অসুস্থতা ইত্যাদির কারণে হাসতেই ভুলে যান অনেকে।

কিন্তু হাসি যে আমাদের জীবনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই আপনার পছন্দের কোনও মাধ্যমেই না হয় রোজ একটু হাসুন। কোনও পছন্দের সিনেমা, ওয়েব সিরিজ, শো দেখতে পারেন। স্ট্যান্ড আপ কমেডি, কার্টুন ইত্যাদিও দেখতে পারেন। কেউ কেউ লাফিং ক্লাবেও যান। সেটাও ট্রাই করতে পারেন।

 
ABOUT THE AUTHOR
Suman Roy

সুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।

SHARE THIS ARTICLE ON