...
...
Next Story

Black gram Water Health Benefits: ডায়াবিটিসের ভয় পাচ্ছেন? ম্যাজিকের মতো করে সমস্যা কমিয়ে দিতে পারে ঘরোয়া এই পদ্ধতি

Black gram Water Health Benefits: বাড়িতে ছোলা থাকলেই হল। এই শস্যই আপনার সমস্যা অনেক কমিয়ে দিতে পারে। জেনে নিন কীভাবে।

Published on: Apr 14, 2026, 11:41:29 IST
Advertisement

Black gram Water Health Benefits: ডায়াবিটিসের সমস্যা অনেকেরই বাড়ছে। ভভিষ্যতে এটি বহু মানুষের দুরারোগ্য অসুখের কারণ হয়ে দাঁড়াবে বলে মনে করছেন অনেকে।

ডায়াবিটিসের ভয় পাচ্ছেন? ম্যাজিকের মতো করে সমস্যা কমিয়ে দিতে পারে ঘরোয়া এই পদ্ধতি
ডায়াবিটিসের ভয় পাচ্ছেন? ম্যাজিকের মতো করে সমস্যা কমিয়ে দিতে পারে ঘরোয়া এই পদ্ধতি

ডায়াবিটিসের নানা ওষুধ রয়েছে বাজারে। কিন্তু বেশ কয়েকটি ঘরোয়া উপায়ে এই সমস্যা অনেকটাই কমিয়ে ফেলা যায়। এর একেবারে গোড়াতেই যে পদ্ধতিটি রয়েছে, সেটির কথা অনেকেই জানেন না।

সেটি হল— ছোলা ভিজানো জল। ছোলায় নানা ধরনের পুষ্টিগুণ রয়েছে, সে কথা অনেকেই জানেন। প্রচুর ভিটামিন, প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ছোলা ঠাসা। কিন্তু ছোলা ভিজানো জলেরও যে অনেক গুণ, তা ক’জন জানেন!

এহেন ছোলা ভিজানো জল খেলে কমে যেতে পারে ডায়াবিটিসের সমস্যা। তার সঙ্গে কমতে পারে আরও বহু সমস্যাই। দেখে নেওয়া যাক ছোলা ভিজানো জলের গুণ:

  • রোজ সকালে খালি পেটে ছোলা ভিজানো জল খেলে কমে যেতে পারে ডায়াবিটিসের সমস্যা। রক্তে শর্করার মাত্রা কমিয়ে দিতে পারে এই জল। সকালে খালি পেটে এটি খেলে সমস্যা কমবে।
  • ছোলার জলে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন রয়েছে। সেই ভিটামিন শরীরের রোগ প্রতিরোধ শক্তি অনেকটাই বাড়িয়ে দেয়।
  • এই জলে প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে। এটি শরীরে জমা দূষিত পদার্থ সাফ করতে সাহায্য করে। ফলে ওজন কমে। নিয়মিত ছোলা ভিজানো জল খেলে পেটের পেটের পরিমাণ অনেকটাই কমে যায়।
  • পেটের সমস্যায় ভুগছেন? পেট পরিষ্কার হচ্ছে না? সেক্ষেত্রে নিয়মিত খেতে পারেন ছোলার জল। সমস্যা অনেকটাই কমে যাবে।

কীভাবে বানাবেন এই ছোলার জল?

 
ABOUT THE AUTHOR
Suman Roy

সুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।

SHARE THIS ARTICLE ON