...
...
Next Story

Reverse walking health Benefits: মর্নিং ওয়াকের সময়ে সামনে দিকে নয়, পিছন দিকে হাঁটুন, লাভ হবে ১০ গুণ বেশি

সামনে দিকে ১০০০ পা হাঁটলে যতটা লাভ, পিছন দিকে ১০০ পা হাঁটলে সমান লাভ। এমনই দাবি করেছেন বিজ্ঞানীরা।

Published on: Jan 28, 2026, 11:39:43 IST
By
Prefer HTon Google
Advertisement

ওজন কমানোর জন্য, সুস্থ থাকার জন্য অনেকেই সকালে হাঁটেন। মর্নিং ওয়াকের বহু ধরনের সুফল পাওয়া যায়। কিন্তু জানেন কি এই সুফলের মাত্রা ১০ গুণ পর্যন্ত বাড়িয়ে ফেলা যায়? এবং সেটি সহজেই।

মর্নিং ওয়াকের সময়ে সামনে দিকে নয়, পিছন দিকে হাঁটুন, লাভ হবে ১০ গুণ বেশি
মর্নিং ওয়াকের সময়ে সামনে দিকে নয়, পিছন দিকে হাঁটুন, লাভ হবে ১০ গুণ বেশি

হালে ফিটনেস বিশেষজ্ঞ লোরি শেমেক সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট করে জানিয়েছেন, সামনে দিকে ১০০০ পা হাঁটলে যতটা লাভ, পিছন দিকে ১০০ পা হাঁটলে ততটাই লাভ। অর্থাৎ সামনে দিকে হাঁটার চাইতে পিছন দিকে হাঁটলে লাভ ১০ গুণ বেশি।

সম্প্রতি আমেরিকার University of Cincinnati Gardner Neuroscience Institute-এর কয়েক জন গবেষক তাঁদের গবেষণায় দেখিয়েছেন, যাঁরা হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েছেন, তাঁরা যদি দিনের কিছুটা নির্দিষ্ট সময় পিছন দিকে হাঁটেন, তাহলে তাঁদের পরবর্তীকালে হৃদরোগের আশঙ্কা কমে এবং স্নায়ুর উন্নতি হয়।

কী কী উপকার হতে পারে পিছন দিকে হাঁটলে?

প্রথমেই যে লাভটি হয়, সেটি হল মস্তিষ্কের। গবেষণায় দেখা গিয়েছে, পিছন দিকে হাঁটলে মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বাড়ে। স্নায়ু অনেক দ্রুত কাজ করে।

যাঁদের বাতের সমস্যা রয়েছে, তাঁরা পিছন দিকে হাঁটলে, সেই সমস্যা কমে। হাঁটু এবং গাঁটের ব্যথা অনেকখানি কমে যেতে পারে এর ফলে।

পিছন দিকে হাঁটলে মেদ ঝরার মাত্রায় বাড়ে বলে জানাচ্ছেন চিকিৎসকরা।

হিন্দুস্তান টাইমসকে দেওয়া অন্য এক সাক্ষাৎকারে চিকিৎসক সৌরভ গোয়েল জানিয়েছেন, পিছন দিকে হাঁটলে রক্তচাপের মাত্রা বেশ কমে। তাছাড়া যাঁরা ডায়াবিটিসের সমস্যায় ভুগছেন, তাঁরা নিয়মিত পিছন দিকে হাঁটলে এই সমস্যা কমে।

দৃষ্টিশক্তিরও উন্নতি হয় এর ফলে। এমনই বলছেন কোনও কোনও চিকিৎসক।

যাঁদের হাতে সময় কম, তাঁরা সামনে দিকে না হেঁটে মর্নিং ওয়াকের সময়ে পিছন দিকে হাঁটতে পারেন। কারণ কম সময়ে এতে অনেক বেশি উপকার পাওয়া যায়।

 
ABOUT THE AUTHOR
Suman Roy

সুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।

SHARE THIS ARTICLE ON