অনেক বাঙালি বাড়িতেই শিঙি মাছ খাওয়া হয়। অনেকে আবার একে শিং মাছ বলেও ডাকেন। এটি এক ধরনের জিওল মাছ। এই মাছ রোগীর খাদ্য হিসাবে পরিচিত। নিয়মিত এই মাছ খেলে শরীরে ঠিক কী কী ধরনের বদল আশবে পারে? জেনে নিন এখান থেকে।

শিঙির মতো জিওল মাছ নিয়মিত খেলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। এতে বিভিন্ন ধরনের উপাদান রয়েছে যা আমাদের শক্তি বৃদ্ধি করে। সেগুলি কী কী? শরীরে ঠিক কোন কোন বদল আসতে পারে এই মাছ খেলে? রইল তালিকা।
শিঙি মাছের পুষ্টিগুণ অন্যান্য যে কোন মাছের তুলনায় অনেক বেশি। এই মাছে আয়রন ও ক্যালসিয়ামের মতো খনিজ উপাদানের পরিমাণ অনেক বেশি। প্রতি ১০০ গ্রাম শিঙি মাছে ২২. ৮ গ্রাম প্রোটিন, ২.৩ মিলিগ্রাম আয়রন, ৬৭০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম আছে।
এই মাছ আমাদের শরীরে ঠিক কী কী বদল ঘটাতে পারে? সাধাধনত এ মাছ বিভিন্ন ভাবে রান্না করে খাওয়া যায়। তবে এ মাছের মশলা কম ঝোল রোগীর খাদ্য হিসাবে কাজ করে। এই মাছে থাকা প্রচুর পরিমানে আয়রন অ্যানিমিয়ার সমস্যা কমাতে কাজ করে। আর এতে থাকা ক্যালসিয়াম আমাদের হাড় ও দাতের জন্য উপকারি উপাদান।
ক্যালসিয়াম হাড় মজবুত শক্ত ও দৃঢ় করে। যে সব রোগী ক্যালসিয়ামের অভাবে ভোগেন, তাঁরা নিয়মিত এই মাছ খেলে ঘাটতি পূরণ হবে। শিশুরাও এই ধরনের মাছ খেলে উপকার পেতে পারে।
{{/usCountry}}ক্যালসিয়াম হাড় মজবুত শক্ত ও দৃঢ় করে। যে সব রোগী ক্যালসিয়ামের অভাবে ভোগেন, তাঁরা নিয়মিত এই মাছ খেলে ঘাটতি পূরণ হবে। শিশুরাও এই ধরনের মাছ খেলে উপকার পেতে পারে।
{{/usCountry}}নিয়মিত শিঙি মাছ খেলে কফের সমস্যা কমে। যে সব মায়েরা সন্তানদের স্তন্যপান করাচ্ছেন, তাঁদের জন্যও এই মাছ উপকারী হতে পারে। এই মাছের বেশ কিছু উপাদান বাতের সমস্যা কমায়। তাতে শরীর চনমনে থাকে।