...
...
Next Story

কাড়ি পাতা কমাতে পারে চুল পড়া বা হজমের সমস্যা! কীভাবে খাবেন জেনে নিন

কাড়ি পাতার চা একটি ঐতিহ্যবাহী ভেষজ পানীয় যা তার সুগন্ধযুক্ত স্বাদ এবং ঔষধি গুণাবলীর জন্য পরিচিত। এই চা শুধু শরীরকে সতেজতা দেয় না, এটি স্বাস্থ্যের জন্যও খুবই উপকারী বলে মনে করা হয়।

Published on: Nov 10, 2025 08:34 AM IST
By
Prefer HTon Google
Advertisement

কা[ড়ি পাতা ভারতীয় রান্নাঘরের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ যা কেবল স্বাদই বাড়ায় না তবে এর মধ্যে অনেক স্বাস্থ্য রহস্য লুকিয়ে রয়েছে। এটি সাধারণত টেম্পারিংয়ের জন্য ব্যবহৃত হয় তবে আপনি কি জানেন যে এর চা (কাড়ি পাতার চা) শরীরকে ভিতর থেকে ডিটক্সাইফাই করে এবং অনেক রোগ থেকে রক্ষা করতে সহায়তা করে?

কাড়ি পাতার চা (Photo: Adobe Stock)
কাড়ি পাতার চা (Photo: Adobe Stock)

কাড়ি পাতায় উপস্থিত অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, আয়রন, ফাইবার এবং ভিটামিন শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা জোরদার করে। সকালে খালি পেটে এটি খাওয়া হজমের উন্নতি করে, রক্তে শর্করাকে নিয়ন্ত্রণে রাখে এবং ত্বক ও চুলের স্বাস্থ্যের উন্নতি করে।

এ ছাড়া এটি একটি প্রাকৃতিক এনার্জি ড্রিংকের মতোও কাজ করে যা শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ দূর করে এবং আপনাকে সতেজ এবং সক্রিয় বোধ করায়।

কাড়ি পাতা চা পান করার প্রধান উপকারিতা:

চুলের গোড়া শক্তিশালী করে – কাড়ি পাতার চায়ে উপস্থিত বিটা ক্যারোটিন এবং প্রোটিন চুল পড়া রোধ করে এবং মাথার ত্বকের রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়। হজমের উন্নতি ঘটায়- এই চা হজম এনজাইমগুলিকে সক্রিয় করে, যা গ্যাস, অ্যাসিডিটি এবং ফোলাভাবের সমস্যা দূর করে।

রক্তে শর্করাকে নিয়ন্ত্রণে রাখে- কাড়ি পাতায় এমন যৌগ থাকে যা ইনসুলিনের কার্যক্ষমতা উন্নত করে, যা ডায়াবেটিসকে নিয়ন্ত্রণে রাখে।

ত্বককে প্রাকৃতিক উজ্জ্বলতা দেয়- এতে উপস্থিত ভিটামিন সি এবং আয়রন রক্ত পরিষ্কার করে, যা ত্বকে প্রাকৃতিক উজ্জ্বলতা নিয়ে আসে।

কীভাবে তৈরি করবেন: এক কাপ জলে ৮-১০ তাজা কাড়ি পাতা যোগ করুন এবং ৫-৭ মিনিটের জন্য সিদ্ধ করুন। চাইলে এতে লেবুর রস বা সামান্য মধুও মিশিয়ে নিতে পারেন। ছেঁকে নিন এবং গরম গরম পান করুন।

কড়ি পাতা চা একটি সহজ কিন্তু অত্যন্ত কার্যকর ভেষজ পানীয় যা চুল, ত্বক, হজম এবং রক্তে শর্করার ভারসাম্য বজায় রাখে। প্রতিদিন সকালে এটি খাওয়া শরীরকে ডিটক্সাইফাই করে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং সারাদিন শক্তিতে ভরে যায়। এই খবরটি সাধারণ তথ্যের উপর ভিত্তি করে। কোনও নির্দিষ্ট তথ্যের জন্য ডাক্তারের কাছ থেকে সঠিক পরামর্শ নিন।

 
ABOUT THE AUTHOR
Suman Roy

সুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।

SHARE THIS ARTICLE ON