...
...
Next Story

Chital or Clown Knifefish: চিতল মাছ খান? এই মাছ খেলে শরীরে ঠিক কী কী হয় জানেন কি? পরের বার খাওয়ার আগে জানুন

Chital or Clown Knifefish: বাঙালি বাড়িতে চিতল মাছ খাওয়া হয়। কিন্তু জানেন কি এই মাছ খেলে কী হয়? এখনই জেনে নিন চিতল মাছের কেমন প্রভাব আপনার শরীরে পড়ছে।

Published on: Feb 20, 2026, 11:13:57 IST
By
Prefer HTon Google
Advertisement

চিতল বাঙালি বাড়ির অতি পরিচিত মাছ। এই মাছে কাঁটার পরিমাণ বেশি থাকে বলে কেউ কেউ এটি খেতে পছন্দ করেন না বটে, কিন্তু তার পরেও এই মাছে মুইঠ্যা খুবই জনপ্রিয় একটি পদ। কিন্তু কখনও খোঁজ নিয়েছেন কি এই মাছ খেলে শরীরে কী হয়?

চিতল মাছ খান? এই মাছ খেলে শরীরে ঠিক কী কী হয় জানেন কি? পরের বার খাওয়ার আগে জানুন
চিতল মাছ খান? এই মাছ খেলে শরীরে ঠিক কী কী হয় জানেন কি? পরের বার খাওয়ার আগে জানুন

চিতল মাছ ভারতের গঙ্গা, ব্রহ্মপুত্র এবং মহানন্দা নদী সংলগ্ন এলায়া, পাকিস্তানের সিন্দু প্রদেশ, মায়ানমার, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া, ফিলিপিন্স এবং সমগ্র বাংলাদেশ এ পাওয়া যায়। বাঙালিদের মধ্যে এই মাছ বেশ জনপ্রিয়।

চ্যাপ্টা ও লম্বাটে আকৃতির মাছটির পিঠে তামাটে বাদামি ও দুই পাশে ১৫টি রূপালি দাগ থাকে। এর মাথার পিছনে পিঠের দিকটি ধনুকের মতো বাঁকা হয়ে উপরে উঠে যায়। লেজের নিচের দিকে অনিয়মিতভাবে ৫-৮টি কালো ফোঁটা থাকে। দৈর্ঘ্যে এটি প্রায় ১২০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত বাড়তে পারে।

চিতল নদী-নালা, খাল-বিল, পুকুর-সহ বিভিন্ন ধরনের মিষ্টি জলের মধ্যে বাস করে। এরা পরিষ্কার জলে বসবাস করতে পছন্দ করে। এটি মাংসাশী মাছ এবং শিকার করে খায়। বিভিন্ন পোকামাকড় ও তাদের শূককীট, ক্রাস্টেসিয়া জাতীয় প্রাণী, শামুক, ছোট মাছ ইত্যাদি খেয়ে এরা বাঁচে।

চিতল বর্ষাকালে প্রজনন করে। জলাশয়ের তলদেশে মাটি খুঁড়ে বাসা তৈরি করে এবং কাঠ বা এজাতীয় বস্তুর গায়ে ডিম পাড়ে। চিতল মাছ খেতে সুস্বাদু এবং এর এর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। এবার দেখে নেওয়া যাক, এতে কী কী উপাদান আছে।

এই মাছে একটু বেশি পরিমাণে কাঁটা থাকে বলে, এটি অনেকেই খেতে চান না। বিশেষ করে শিশুদের এই মাছ অনেকেই খাওয়ান না। কিন্তু এতে যে উন্নত মানের প্রোটিন রয়েছে, তা শিশুদের পেশি গঠনের জন্য খুব ভালো। এটি বয়স্ক মানুষও খেতে পারেন। তাঁদের শরীরের প্রোটিনের চাহিদা এই মাছ দারুণ ভাবে পূরণ করতে পারে।

এতে বেশ কিছু ধরনের ভিটামিন রয়েছে। এগুলি মানবশরীরের রোগ প্রতিরোধ শক্তি গড়ে তুলতে দারুণ কাজে লাগতে পারে। তাই নানা বয়সের মানুষই এই মাছ খেতে পারেন। বিশেষ করে মরশুম বদলের সময়ে এই মাছ খেতে পারেন সকলেই।

যাঁরা ওজন কমাতে চান, তাঁদের ক্ষেত্রেও এই মাছ দারুণ কাজে লাগতে পারে। কারণ এই মাছে উচ্চমাত্রার প্রোটিন থাকার ফলে, সেটি খেলে দীর্ঘ ক্ষণ পেট ভর্তি থাকে। তাই আরও কিছু খাবার ইচ্ছা তৈরি হয় না। আর সেই কারণেই খাবার খাওয়ার উপর নিয়ন্ত্রণ থাকে। এর ফলে ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকতে পারে।

চোখের যত্নের জন্য এই মাছে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড দারুণ কাজে লাগতে পারে। এছাড়াও হাড়ের শক্তি, মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বাড়ানোর মতো ক্ষেত্রেও কাজে লাগতে পারে এই মাছের নানা উপাদান। সব মিলিয়ে এটি খাওয়ার ভালো দিক অনেক।

তবে মনে রাখতে হবে, মাছ চাষের ক্ষেত্রে এখন বহু জায়গাতেই নানা হরমোন বা রাসায়নিক প্রয়োগ করা হয়। এগুলি মাছের আকৃতি দ্রুত বাড়াতে সাহায্য করে। এই সব রাসায়নিক শরীরে গেলে কিছু খারাপ প্রভাব পড়তে পারে। তাই মাছটি কেনার সময়ে সচেতন থাকুন। নির্ভরযোগ্য ব্যবসায়ীর থেকে কিনুন। আর যে কোনও সমস্যায় প্রথমেই চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।

 
ABOUT THE AUTHOR
Suman Roy

সুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।

SHARE THIS ARTICLE ON