অল্প বয়সে কোলেস্টেরলের সমস্যা অনেকেরই থাকে না। কিন্তু বয়স বাড়সে, এই সমস্যা বাড়ে। পরিবারে এই সমস্যার ইতিহাস থাকলে, পরবর্তী প্রজন্মের কোলেস্টেরলের আশঙ্কা থেকেই যায়। সেক্ষেত্রে খাবারের বিষয়ে সচেতন হতেই হবে। জেনে নিন, কী কী খাওয়া উচিত, আর কী কী খাওয়া উচিত নয়।

যে সমস্ত খাবারে গুড কোলেস্টেরল এবং ভিটামিন বি১২-র পরিমাণ বেশি, সেগুলি বেশি করে খান। সাধারণত ভূমধ্যসাগরীয় ডায়েট বা মেডিটেরানিয়ান ডায়েটে এই গুণগুলি থাকে। অলিভ অয়েল, বাদাম, বিভিন্ন বীজ বেশি করে খেলে কোলেস্টেরলের সমস্যার আশঙ্কা কমে।
রেড মিটের পরিমাণ যত দূর সম্ভব কমিয়ে ফেলুন। এটি কোলেস্টেরলের পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়। অতিরিক্ত তেলে ভাজাভুজির পরিমাণও কমান।
সকাল সকাল ওটস দিয়ে জলখাবার খান। এই জলখাবার শরীর ভালো রাখতে এবং কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। ওটসের সঙ্গে বিভিন্ন ধরনের ফল মিশিয়ে নিতে পারেন। তাতে শরীর বিভিন্ন রকমের পুষ্টিগুণ পাবে।
রোজ দুপুরে খেতে বসার সময়ে প্রথম পাত রসুনের একটি কোয়া খান। চিকিৎসকরা বলছেন, এই রসুনের কারণে অনেকেরই কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে। তাছাড়া রসুনের আরও বহু গুণ রয়েছে। শরীর সুস্থ রাখতে নানাভাবে সাহায্য করে এটি।
কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখার অব্যর্থ দাওয়াই পলিফেনল এবং ফ্লেভোনলস। এই দুই উপাদানই বিপুল পরিমাণে থাকে গ্রিন টি-র মধ্যে। রোজ নিয়ম করে এক কাপ গ্রিন টি পান করুন। কোলেস্টেরলের মাত্রা অনেকটাই কমবে।
শীতকাল ছাড়াও এখন অন্য সময়েও স্ট্রবেরি কিনতে পাওয়া যায়। সমীক্ষা বলছে, কেউ যদি রোজ একটি করে স্ট্রবেরি টানা এক মাস খান, তাহলে তাঁর কোলেস্টেরলের মাত্রা অনেকটাই কমে যেতে পারে। রোজ নিজের খাবারের তালিকায় এই ফলটি অবশ্যই রাখতে পারেন, যদি কোলেস্টেরল নিয়ে আপনার ভয় থাকে।
{{/usCountry}}শীতকাল ছাড়াও এখন অন্য সময়েও স্ট্রবেরি কিনতে পাওয়া যায়। সমীক্ষা বলছে, কেউ যদি রোজ একটি করে স্ট্রবেরি টানা এক মাস খান, তাহলে তাঁর কোলেস্টেরলের মাত্রা অনেকটাই কমে যেতে পারে। রোজ নিজের খাবারের তালিকায় এই ফলটি অবশ্যই রাখতে পারেন, যদি কোলেস্টেরল নিয়ে আপনার ভয় থাকে।
{{/usCountry}}