...
...
Next Story

How to Control Cholesterol Level: পরিবারে কোলেস্টেরলের ইতিহাস আছে? তাহলে কী খাবেন, কী কী খাবেন না

আপনার মা-বাবা বা তাঁদের আগের প্রজন্মের কারও কোলেস্টেরলের সমস্যা আছে বা ছিল? তাহলে আপনার এই সমস্যা থাকুক বা না থাকুক, খাবার খাওয়ার ক্ষেত্রে কিছু নিয়ম আপনাকে মেনে চলতেই হবে।

Published on: Jan 27, 2026, 18:01:46 IST
By
Prefer HTon Google
Advertisement

অল্প বয়সে কোলেস্টেরলের সমস্যা অনেকেরই থাকে না। কিন্তু বয়স বাড়সে, এই সমস্যা বাড়ে। পরিবারে এই সমস্যার ইতিহাস থাকলে, পরবর্তী প্রজন্মের কোলেস্টেরলের আশঙ্কা থেকেই যায়। সেক্ষেত্রে খাবারের বিষয়ে সচেতন হতেই হবে। জেনে নিন, কী কী খাওয়া উচিত, আর কী কী খাওয়া উচিত নয়।

পরিবারে কোলেস্টেরলের ইতিহাস আছে? তাহলে কী খাবেন, কী কী খাবেন না
পরিবারে কোলেস্টেরলের ইতিহাস আছে? তাহলে কী খাবেন, কী কী খাবেন না

যে সমস্ত খাবারে গুড কোলেস্টেরল এবং ভিটামিন বি১২-র পরিমাণ বেশি, সেগুলি বেশি করে খান। সাধারণত ভূমধ্যসাগরীয় ডায়েট বা মেডিটেরানিয়ান ডায়েটে এই গুণগুলি থাকে। অলিভ অয়েল, বাদাম, বিভিন্ন বীজ বেশি করে খেলে কোলেস্টেরলের সমস্যার আশঙ্কা কমে।

রেড মিটের পরিমাণ যত দূর সম্ভব কমিয়ে ফেলুন। এটি কোলেস্টেরলের পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়। অতিরিক্ত তেলে ভাজাভুজির পরিমাণও কমান।

সকাল সকাল ওটস দিয়ে জলখাবার খান। এই জলখাবার শরীর ভালো রাখতে এবং কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। ওটসের সঙ্গে বিভিন্ন ধরনের ফল মিশিয়ে নিতে পারেন। তাতে শরীর বিভিন্ন রকমের পুষ্টিগুণ পাবে।

রোজ দুপুরে খেতে বসার সময়ে প্রথম পাত রসুনের একটি কোয়া খান। চিকিৎসকরা বলছেন, এই রসুনের কারণে অনেকেরই কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে। তাছাড়া রসুনের আরও বহু গুণ রয়েছে। শরীর সুস্থ রাখতে নানাভাবে সাহায্য করে এটি।

কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখার অব্যর্থ দাওয়াই পলিফেনল এবং ফ্লেভোনলস। এই দুই উপাদানই বিপুল পরিমাণে থাকে গ্রিন টি-র মধ্যে। রোজ নিয়ম করে এক কাপ গ্রিন টি পান করুন। কোলেস্টেরলের মাত্রা অনেকটাই কমবে।

 
ABOUT THE AUTHOR
Suman Roy

সুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।

SHARE THIS ARTICLE ON