...
...
Next Story

Cause of Fatty Liver: ফ্যাটি লিভার শুধুমাত্র মদ্যপানের কারণে হয় না, কোন কোন খাবার থেকেও হতে পারে

ফ্যাটি লিভার অনেকেরই সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু বেশির ভাগেরই ধারণা মদ্যপান করলেই এই সমস্যা হয়। আসলে তা নাও হতে পারে।

Published on: Jan 23, 2026, 15:21:19 IST
By
Prefer HTon Google
Advertisement

ফ্যাটি লিভারের সমস্যায় অনেকেই ভোগেন। এবং অনেকেরই ধারণা, এর সবচেয়ে বড় কারণ মদ্যপান। কিন্তু বিষয়টা তা নাও হতে পারে। ফ্যাটি লিভারের সমস্যার জন্য দায়ী হতে পারে আরও অনেক কিছু। বিশেষ করে কয়েকটা খাবার। তেমনই বলছে হালের গবেষণা।

ফ্যাটি লিভার শুধুমাত্র মদ্যপানের কারণে হয় না, কোন কোন খাবার থেকেও হতে পারে
ফ্যাটি লিভার শুধুমাত্র মদ্যপানের কারণে হয় না, কোন কোন খাবার থেকেও হতে পারে

সম্প্রতি Harvard Medical School-এর পুষ্টিবিদ্যা বিভাগের গবেষকরা একটা গবেষণা চালিয়েছেন ফ্যাটি লিভার নিয়ে। প্রায় ৭৮ হাজার মানুষকে নিয়ে ২০ বছর ধরে গবেষণার প্রয়োজনে সমীক্ষা চালানো হয়েছে। কী দেখা গিয়েছে সেখানে? দেখা গিয়েছে, ফ্যাটি লিভারের জন্য মদ্যপান যতটা দায়ী, তার চেয়েও বেশি করে দায়ী হতে পারে কয়েকটা খাবার। কোন কোন খাবার রয়েছে এই তালিকায়?

  • এই তালিকায় একেবারে গোড়াতেই রয়েছে অতিরিক্ত ফ্যাট-যুক্ত মাংস বা রেড মিট। এই ধরনের মাংস প্রোটিনের দারুণ জোগান দেয়। কিন্তু একই সঙ্গে এর চর্বি শরীরের জন্য নানা অসুবিধার সৃষ্টি করে। তার মধ্যে অন্যতম হল ফ্যাটি লিভার।
  • তালিকায় দ্বিতীয় নামটা হল প্যাকেটের প্রসেসড ফুড। এতে নানা ধরনের তেল ব্যবহার করা হয়। যার প্রতিটাই শরীরের জন্য খারাপ। এর সঙ্গে রয়েছে বিপুল পরিমাণে নুন। এগুলো রক্তচাপের মাত্রা বাড়ায়, কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়ায়— এগুলো এত দিন সবাই জানতে। কিন্তু এই ধরনের খাবার যে ফ্যাটি লিভারের কারণও হয়ে দাঁড়াতে পারে, তা এবার উঠে এসেছে গবেষণায়।
  • তৃতীয় নামটা একটু অবাক করা। এটা হল বিস্কুট। বহু ধরনের বিস্কুটেই ক্ষতিকারক ফ্যাট রয়েছে। তার সঙ্গে প্রচুর ময়দা। এই সব ক’টাই ফ্যাটি লিভারের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

 
ABOUT THE AUTHOR
Suman Roy

সুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।

SHARE THIS ARTICLE ON