...
...
Next Story

Side Effects of Raisin: কিশমিশ খেতে ভালো লাগে? জানেন, এর ফলে কী হতে পারে

কিশমিশে অনেক গুণ। কিন্তু অতিরিক্ত কিশমিশ নানা বিপদ ডেকে আনতে পারে? রোজ কতটা কিশমিশ খেতে পারেন?

Published on: Jan 28, 2026, 19:09:31 IST
By
Prefer HTon Google
Advertisement

বহু রান্নায় কিশমিশ দেওয়া হয়। তার বাইরে এমনিও কিশমিশ খান অনেকে। এই শুকনো ফলটির অনেক গুণ। এতে নানা ধরনের ভিটামিন তো বটেই, তার সঙ্গে বহু রকমের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে। রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়ানো থেকে শুরু করে, ওজন কমানো— বহু ধরনের সাহায্য করে এই ফলটি।

  • কিন্তু অতিরিক্ত কিশমিশ নানা রকম বিপদ ডেকে আনতে পারে। জেনে নিন সেগুলি কী কী?
  • অতিরিক্ত কিশমিশ খেলে হজমের সমস্যা হতে পারে। শরীরে জলের পরিমাণ কমে যেতে পারে। এমনকী অন্য খাবার থেকে শরীর পর্যাপ্ত পরিমাণে পুষ্টিগুণ সংগ্রহ করার ক্ষেত্রেও বাধা তৈরি হতে পারে।
  • অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে বলে কিশমিশ ওজন কমাতে সাহায্য করে। কিন্তু অতিরিক্ত কিশমিশ ওজন বাড়িয়ে দেয়। কারণ এতে ক্যালোরির মাত্রা অনেকটাই বেশি। ফলে এটি বেশি খেলে বেড়ে যেতে পারে ওজন।
  • কিশমিশে ক্যালোরির পাশাপাশি চিনির মাত্রাও অন্য শুকনো ফলের তুলনায় বেশি। তাই এটি বেশি মাত্রায় খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে যেতে পারে। যাঁদের ডায়াবিটিসের সমস্যা আছে, তাঁদের এই ফলটি বুঝেশুনে খাওয়া উচিত।
  • কিশমিশে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে। ফলে এটি শরীরে জমা হওয়া দূষিত পদার্থ সাফ করে দিতে পারে। কিন্তু শরীরে টক্সিনের মাত্রা যদি তেমন বেশি মাত্রায় না থাকে, তাহলে এই অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের ক্ষতিও করতে পারে। দেখা গিয়েছে, বেশি মাত্রায় কিশমিশ খেলে কোষের ক্ষতিও হতে পারে।

কিশমিশ খেতে ভালো লাগে? জানেন, এর ফলে কী হতে পারে
কিশমিশ খেতে ভালো লাগে? জানেন, এর ফলে কী হতে পারে

তাহলে প্রশ্ন হল রোজ কী পরিমাণে কিশমিশ খেতে পারেন? চিকিৎসকরা বলছেন, মোটামুটি ৮-১০টি কিশমিশ খাওয়াই যায়। তবে যাঁদের ডায়াবিটিস বা রক্তচাপের সমস্যা রয়েছে, তাঁরা কিশমিশ খাওয়ার আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেবেন।

 
ABOUT THE AUTHOR
Suman Roy

সুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।

SHARE THIS ARTICLE ON