...
...
Next Story

Heart Attack Causes: আচমকা হার্ট অ্যাটাকের আশঙ্কা বাড়ছে অনেকেরই! কোন খাবারগুলি দায়ী জানেন কি

কিছু খাবার বাড়িয়ে দিতে পারে হার্ট অ্যাটাকের আশঙ্কা। এই বিপদ থেকে বাঁচতে কোন কোন খাবার এড়িয়ে চলবেন?

Published on: Jan 27, 2026 03:42 PM IST
By
Prefer HTon Google
Advertisement

হালে চল্লিশ বছরের আশপাশের অনেকের হার্ট অ্যাটাকের ঘটনা হতবাক করে দিয়েছে সবাইকে। এর আগে অনেকেই ধরে নিতেন, বছর ৬০ না পেরোলে এই সমস্যার আশঙ্কা নেই। কিন্তু এখন সেই নিয়মের ব্যতিক্রম হচ্ছে বহু ক্ষেত্রেই। সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে বহু নামজাদা ব্যক্তিত্বই এর মাঝে মারা গিয়েছেন হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে। তাঁদের অনেকের বয়সই চল্লিশের ঘরে।

আচমকা হার্ট অ্যাটাকের আশঙ্কা বাড়ছে অনেকেরই! কোন খাবারগুলি দায়ী জানেন কি
আচমকা হার্ট অ্যাটাকের আশঙ্কা বাড়ছে অনেকেরই! কোন খাবারগুলি দায়ী জানেন কি

চিকিৎসকরা বলছেন, কোনও কোনও খাবার এই আচমকা হৃদরোগের আশঙ্কা বাড়িয়ে দিতে পারে। হিন্দুস্তান টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে চিকিৎসক রুচিত শাহ এমনই কয়েকটি খাবারের কথা বলেছেন। জেনে নিন, এই বিপদ থেকে বাঁচতে কোন কোন খাবার এড়িয়ে চলবেন:

  • অতিরিক্ত মিষ্টি পানীয় বা খাবার: বহু ধরনের খাবারে অনেকটা করে চিনি মেশানো থাকে। বিশেষ করে কোল্ড ড্রিংকস বা প্যাকেটবন্দি ফলের রস। এগুলি আচমকা হৃদরোগের আশঙ্কা বাড়িয়ে দেয়।
  • মদ ও অন্যান্য মাদক: মদের বেশ কিছু উপাদান এই ধরনের সমস্যা বাড়িয়ে দিতে পারে। অল্প পরিমাণে মদ্যপান করলে তার প্রভাব সহজে টের পাওয়া যায় না। কিন্তু হৃদযন্ত্রের উপর সেই প্রভাব পড়তে পারে। তাই এড়িয়ে চলুন এই অভ্যাস। তার সঙ্গে ধূমপান, অন্য ধরনের মাদকও এড়িয়ে চলুন।
  • অতিরিক্ত ভাজাভুজি: বেশি তেলে ভাজাভুজি, জাংক ফুড, এবং রেড মিট জাতীয় খাবারও হার্ট অ্যাটাকের আশঙ্কা বাড়িয়ে দেয়। এগুলি রক্তচাপ বাড়ায়, কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়ায়। এর সব ক’টাই প্রভাব ফেলে হৃদযন্ত্রের উপর। তাতে বাড়ে আচমকা হৃদরোগের আশঙ্কা।
  • নিকোটিন জাতীয় পানীয়: নিকোটিন মেশানো পানীয় অনেকেরই খুব প্রিয়। এই জাতীয় পানীয় খেলে হৃদযন্ত্রের উপরে চাপ পড়ে। তাতেও বাড়ে হৃদরোগের আশঙ্কা।

 
ABOUT THE AUTHOR
Suman Roy

সুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।

SHARE THIS ARTICLE ON