...
...
Next Story

অম্বল-বদহজম লেগেই থাকে, অ্যাসিডিটির এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন কী করে

সারা বছরই অনেকেই অ্যাসিডিটির সমস্যায় ভোগেন। কয়েকটি অভ্যাস বদলেই এটি থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

Published on: Apr 10, 2026 05:11 AM IST
Advertisement

নানা কারণে অ্যাসিডিটির সমস্যা বাড়তে পারে। কিন্তু এই সমস্যা সহজে কমানো যেতে পারে। কয়েকটি অভ্যাস বদলেই এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। তেমনই বলছেন বিশেষজ্ঞরা। আয়ুর্বেদ বিশেষজ্ঞরা দিচ্ছেন কিছু পরামর্শ। দেখে নিন সেগুলি কী কী।

  • এই সময়ে অতিরিক্ত তেল-মশলা, ভাজাভুজি জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলুন। এগুলো শীতে খেতে দারু লাগে ঠিকই। কিন্তু এগুলি অ্যাসিডিটির আশঙ্কা অনেকটাই বাড়িয়ে দেয়।
  • একবারে বেশি খাবেন না। অল্প অল্প করে বারবার খান। আর খালি পেটে লেবু বা বেরি জাতীয় ফল খাবেন না এ সময়ে। তাতে অ্যাসিডের পরিমাণ বাড়বে। বাড়বে বুকজ্বালা।
  • দীর্ঘ ক্ষণ খালি পেটে থাকবেন না। তাতে পেট থেকে বেশি মাত্রায় অ্যাসিড তৈরি হতে শুরু করবে। এই অ্যাসিড পাকস্থলীর ভিতরের দেওয়ার ক্ষতি করবে। তাতে আলসার হওয়ার আশঙ্কা বেড়ে যাবে।
  • খাবার খেয়েই শুয়ে পড়বেন না। এটি অ্যাসিডিটির সমস্যা বাড়ার অন্যতম কারণ এটি। খাবার খেয়ে শুয়ে পড়া এবং পেটে গরম চাপা দেওয়ার কারণে অ্যাসিডের সমস্যা বাড়ে।
  • ধূমপান আর মদ্যপান কমান। সম্ভব হলে বন্ধ করুন। অনেকেই বেশি মাত্রায় মদ্যপান করেন। কিন্তু এটি অ্যাসিডিটির সমস্যা বাড়িয়ে দেয়।
  • অ্যাসপিরিন জাতীয় ওষুধ খেলেও অনেকের অম্বলের সমস্যা বাড়ে। তেমন হলে চিকিৎসকের পরামর্শে ওষুধ বদলান।

কী কী উপায়ে এই সমস্যা কমাতে পারেন:

  • ধনে গুঁড়ো ভিজানো জল খেতে পারেন। তাতে কমবে সমস্যা।
  • সকালে খালি পেটে ডাবের জল খেতে পারেন।
  • মৌরি ভিজিয়ে রেখে সেই জল খান।
  • রাতে কিছুটা কিসমিস জলে ভিজিয়ে রেখে দিন। সকালে খালি পেটে সেই জল খেয়ে নিন।
  • রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে হাল্কা গরম দুধে ঘি মিশিয়ে নিন। সেটি খেলে অম্বল, কোষ্টকাঠিন্যের সমস্যা কমবে।
  • কলা, বেদানা, খেজুর, নারকেলের মতো ফল খান। তাতেও কমবে অম্বল।
  • সকালে এবং বিকেলে খালি পেটে কিছুটা অ্যালো ভেরার রস খেতে পারেন। তাতেও কমবে এই সমস্যা।

অম্বল-বদহজম লেগেই থাকে, অ্যাসিডিটির এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন কী করে
অম্বল-বদহজম লেগেই থাকে, অ্যাসিডিটির এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন কী করে
 
ABOUT THE AUTHOR
Suman Roy

সুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।

SHARE THIS ARTICLE ON