...
...
Next Story

বাড়িতে ঘি তৈরির সময়ে পান পাতা দিলে কী হয়? জেনে নিন

এই পদ্ধতিটি নিছক কোনো রন্ধনপ্রণালী নয়, এর পিছনে রয়েছে বৈজ্ঞানিক ও লৌকিক কারণ।

Published on: Oct 17, 2025 12:18 PM IST
By
Prefer HTon Google
Advertisement

বাঙালির হেঁশেলে ঘি একটি অপরিহার্য উপাদান। বাড়িতে ঘি তৈরি করার সময় একটি বিশেষ প্রথা বা টোটকা দীর্ঘদিন ধরে প্রচলিত আছে – তা হল গরম ঘিয়ের মধ্যে কয়েকটি পান পাতা (বা কখনও কখনও পানীয় পাতার ডাল) দিয়ে দেওয়া। এই পদ্ধতিটি নিছক কোনো রন্ধনপ্রণালী নয়, এর পিছনে রয়েছে বৈজ্ঞানিক ও লৌকিক কারণ।

বাড়িতে ঘি তৈরির সময়ে পান পাতা দিলে কী হয়? জেনে নিন রহস্যটি সম্পর্কে
বাড়িতে ঘি তৈরির সময়ে পান পাতা দিলে কী হয়? জেনে নিন রহস্যটি সম্পর্কে

পান পাতার ব্যবহারের কারণ

ঘি তৈরির সময় পান পাতা ব্যবহার করার প্রধান কারণগুলি হলো:

১. বিশুদ্ধতা ও দুর্গন্ধ দূর করা: মাখন থেকে ঘি তৈরি করার সময় অনেক সময় একটি কড়া, পোড়া বা ঝাঁঝালো গন্ধ তৈরি হতে পারে। পান পাতার নিজস্ব একটি কড়া কিন্তু মিষ্টি সুবাস আছে। এটি ঘিয়ের মধ্যে দেওয়া হলে তা ঘিয়ের মধ্যেকার অপ্রীতিকর গন্ধ শুষে নেয় এবং ঘি-কে একটি সুন্দর সুগন্ধ দেয়।

২. দীর্ঘস্থায়িত্ব: পান পাতার মধ্যে কিছু প্রাকৃতিক অ্যান্টি-মাইক্রোবিয়াল উপাদান থাকে। ঘি তৈরির একেবারে শেষ পর্যায়ে এই পাতা যোগ করলে তা ঘিয়ের শেল্ফ লাইফ বাড়াতে সাহায্য করে। পান পাতার এই উপাদানগুলি ঘি-কে দীর্ঘদিন ধরে টাটকা এবং ভালো রাখতে সাহায্য করে।

৩. ফেনা কমানো: মাখন গরম করার সময় যে ফেনা বা 'froth' তৈরি হয়, তা কমাতেও পান পাতা সাহায্য করে। যখন মাখন সম্পূর্ণভাবে গলে ঘি-তে পরিণত হয়, তখন এই পাতাগুলো মিশে ফেনার পরিমাণ কমিয়ে দেয়, যা ঘি-কে পাত্রে ঢালা এবং সংরক্ষণ করার প্রক্রিয়াকে সহজ করে তোলে।

সব মিলিয়ে, ঘি তৈরির সময় পান পাতার ব্যবহার শুধুমাত্র স্বাদের জন্য নয়, বরং ঘিয়ের গুণগত মান, সুগন্ধ এবং দীর্ঘস্থায়িত্ব বজায় রাখার জন্য একটি অত্যন্ত কার্যকর প্রাচীন পদ্ধতি।

 
ABOUT THE AUTHOR
Suman Roy

সুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।

SHARE THIS ARTICLE ON