...
...
Next Story

Healthy Food: ঘি নাকি মাখন? কোনটি খাবেন আর কোনটি খাবেন না

Healthy Food: গরম ভাতের সঙ্গে ঘি বা মাখন— দুটোই পছন্দ অনেকের। কিন্তু কোনটি আপনার খাওয়া উচিত?

Published on: Apr 21, 2026 08:53 PM IST
Advertisement

Healthy Food: শীতের হোক কিংবা গরমের দুপুর— গরম ভাতের সঙ্গে অল্প পরিমাণে ঘি বা মাখন মিশিয়ে নিলে খিদে যেন আরও বেশি করে বেড়ে যায়। ঘি আর মাখনের সুবাস খাওয়ার আগ্রহ আরও বাড়িয়ে দেয়। কিন্তু এই দুটোই কি সমান স্বাস্থ্যকর? নাকি কোনওটি এড়িয়ে যাওয়া উচিত।

ঘি নাকি মাখন? কোনটি খাবেন আর কোনটি খাবেন না
ঘি নাকি মাখন? কোনটি খাবেন আর কোনটি খাবেন না

ঘি আর মাখন— দুটোই স্নেহপদার্থ। মানে, Fat। এই ফ্যাট শরীরে মেজ জমিয়ে দিতে পারে। তাই ঘি কিংবা মাখন— দুটোই নিয়ন্ত্রণের মধ্যে পেখেই খাওয়া উচিত। কিন্তু এর বাইরে ঘি এবং মাখন— দুটোরই আলাদা আলাদা পুষ্টিগুণ আছে। দেখে নেওয়া যাক, সেগুলি কী কী।

ঘিয়ে কী কী রয়েছে:

  • ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিড
  • ভিটামিন A
  • ১২৩ ক্যালোরি (এক চামচ ঘিয়ে)
  • ৯ গ্রাম স্যাচুরেটেড ফ্যাট (এক চামচ ঘিয়ে)
  • ৪ গ্রাম মোনোস্যাচুরেটেড ফ্যাট (এক চামচ ঘিয়ে)

মাখনে কী কী রয়েছে:

  • অল্প ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিড
  • ১০০ ক্যালোরি (এক চামচ মাখনে)
  • ৭ গ্রাম স্যাচুরেটেড ফ্যাট (এক চামচ ঘিয়ে)
  • ৩ গ্রাম মোনোস্যাচুরেটেড ফ্যাট (এক চামচ ঘিয়ে)

এবার দেখা যাক, কোনটি বেশি স্বাস্থ্যকর

তুল্যমূল্যের বিচার মাখনে ক্যালোরির পরিমাণ বেশি। ফলে যাঁরা ওজন কমাতে চান, তাঁদের জন্য মাখন কিছুটা হলেও বেশি ভালো। কিন্তু মনে রাখা দরকার, দেশি ঘিয়ে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন A, আর এটির কারণেই ঘি তার প্রতিদ্বন্দ্বী মাখনের চেয়ে অনেকটা এগিয়ে থাকবে। কারণ মাখনে এই ভিটামিন থাকে না। তাছাড়া অন্য পুষ্টিগুণও কম।

 
ABOUT THE AUTHOR
Suman Roy

সুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।

SHARE THIS ARTICLE ON