...
...
Next Story

Most Expensive Tea: চায়ের দাম প্রায় ১ লক্ষ টাকা! কেন এত দাম এই চায়ের, জানেন কি

Most Expensive Tea: লাখ টাকার চেয়ে ১ টাকা কমে বিক্রি হল ‘গোল্ডেন পার্ল’! কেন জানেন?

Published on: Apr 17, 2026, 17:26:06 IST
Advertisement

Most Expensive Tea: এক কিলোগ্রাম চায়ের দাম প্রায় ১ লক্ষ টাকা। প্রকৃতপক্ষে ১ লক্ষ টাকার চেয়ে ১ টাকা কম। মানে, ৯৯,৯৯৯ টাকা। এই দামে বিক্রি হল অসমের ‘গোল্ডেন পার্ল’ চা। সোমবার নিলামে এই দাম উঠল চা’টির।

চায়ের দাম প্রায় ১ লক্ষ টাকা! কেন এত দাম এই চায়ের, জানেন কি
চায়ের দাম প্রায় ১ লক্ষ টাকা! কেন এত দাম এই চায়ের, জানেন কি

সম্প্রতি অসমের ডিব্রুগড় জেলায় এই নিলামটি হয়েছে। সেখানেই ‘গোল্ডেন পার্ল’-এর দাম পৌঁছে গিয়েছে এই উচ্চতায়। তবে এর আগে অসমের আরও একটি চা এি দামে পৌঁছেছিল। সেটির নাম মনোহারি গোল্ড। তার পরে অসমের আরও একটি চা এই দামে পৌঁছেছে।

কেন এত দাম এই চায়ের?

জানা গিয়েছে, এটি অতি বিরল একটি চা। কোনও যন্ত্রের মাধ্যমে এটির প্রসেসিং হয় না। পুরোটাই হাতে করতে হয়। সেই কারণে এটির এত দাম। টি অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্ডিয়ার অসম শাখার সেক্রেটারি দীপাঞ্জল ডেকা সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ‘গোল্ডেন পার্ল’ নামের এই চাটি পুরোপুরি হাতে উৎপাদিত ৷ এর উৎপাদন হয় ডিব্রুগড় এয়ারপোর্টের কাছে লাহোবালের নাহোরচুকবাড়িতে ৷

সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, অসম টি ট্রেডার্স ৯৯,৯৯৯ টাকায় এই বিশেষ চা কিনে নিয়েছে ৷ খুব অল্প দিনের মধ্যেই এই চায়ের বাজারে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। এটিই এই মুহূর্তে দেসের সবচেয়ে দামি চা হতে চলেছে।

 
ABOUT THE AUTHOR
Suman Roy

সুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।

SHARE THIS ARTICLE ON