...
...
Next Story

Gurjali or Fourfinger Threadfin Fish: বাজারে প্রচুর পাওয়া যায় গুরজালি মাছ, কিন্তু এটি খেলে শরীরের কী হয়, তা জানেন কি

Gurjali or Fourfinger Threadfin Fish: অনেকেই স্বাদের কারণে গুরজালি মাছ খেতে খুবই পছন্দ করেন। কিন্তু এই মাছ খেলে শরীরে কেমন প্রভাব পড়ে?

Published on: Mar 9, 2026, 10:46:01 IST
By
Prefer HTon Google
Advertisement

বেশির ভাগ বাঙালি মাছ খেতে পছন্দ করেন। নানা ধরনের মাছ আসে বাঙালি বাড়িতে। স্বাদেও যেমন আলাদা, এই প্রতিটি মাছের শরীরে থাকা উপাদানও একেবারে আলাদা আলাদা রকমের হয়। ফলে স্বাভাবিক ভাবেই এগুলি খেলে শরীরেও আলাদা আলাদা রকমের প্রভাব পড়ে। এর আগে এই ধরনের বেশ কিছু মাছ নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। এবারে দেখা যাক, গুরজালি মাছের বিষয়টি।

বাজারে প্রচুর পাওয়া যায় গুরজালি মাছ, কিন্তু এটি খেলে শরীরের কী হয়, তা জানেন কি
বাজারে প্রচুর পাওয়া যায় গুরজালি মাছ, কিন্তু এটি খেলে শরীরের কী হয়, তা জানেন কি

একেবারে প্রথম সারির জনপ্রিয় না হলেও, বাজারে এই মাছের চাহিদাও নেহাত কম নয়। অনেকেই সুস্বাদু মাছটি নিয়মিত খান। কিন্তু তারা হয়তো অনেকেই জানেন না, এই মাছ খেলে শরীরে কেমন প্রভাব পড়ে। আজ সেই বিষয়ে আলোচনা করা যাক।

গুরজালি মাছে রয়েছে উন্নত মানের প্রোটিন। তার সঙ্গে রয়েছে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড এবং বেশ কিছু ভিটামিন। এই ধরনের উপাদান শরীরে কেমন প্রভাব ফেলে, তা দেখে নেওয়া যাক। তালিকা রইল এখানে।

এই মাছে যে উন্নত মানের প্রোটিন রয়েছে, সেটি পেশির গঠনের জন্য খুবই ভালো। ফলে যাঁরা রোগা হয়ে গিয়েছেন বা ওজন বাড়াতে চান, বা যাঁদের প্রচুর পরিশ্রম হয়, তাঁদের জন্য এই মাছ অত্যন্ত পুষ্টিকর এবং কার্যকর।

এর পরে আসা যাক, অন্য একটি কথায়। এই মাছের বেশ কিছু উপাদান হার্টের জন্য ভালো। ফলে এটি নিয়মিত খেলে হার্ট অ্যাটাকের মতো সমস্যার আশঙ্কা কিছুটা হলেও কমে। ফলে বয়স্কদের এই মাছটি খুবই উপকার করতে পারে। এমনকী কম বয়সেও যাঁরা হার্টের সমস্যায় ভুগছেন, তাঁরা খেতে পারেন এই মাছ।

মনে রাখবেন, হাড়ের গঠন এবং ক্ষয় প্রতিরোধ করতে পারে গুরজালি মাছের বেশ কিছু উপাদান। তাই পঞ্চাশোর্ধ্ব মহিলারা এই মাছ খেলে বিশেষ সুফল পেতে পারেন। যাঁরা অন্তঃসত্ত্বা, তাঁরাও এই মাছ খেলে উপকার পাবেন।

 
ABOUT THE AUTHOR
Suman Roy

সুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।

SHARE THIS ARTICLE ON