...
...
Next Story

ঘি খেলে পাবেন অনেক উপকার, বাড়বে না ওজন! জেনে নিন

নির্দিষ্ট পরিমাণে ঘি খেলে, তা ওজন বৃদ্ধি করে না। আয়ুর্বেদে ঘিকে সুপারফুডের তকমা দেওয়া হয়। এতে নিরাময়কারী উপাদান বর্তমান।

Published on: Jan 23, 2026 09:10 AM IST
By
Prefer HTon Google
Advertisement

ভাত, ডাল বা খিচুড়িতে এক চামচ ঘি দিলেই এর স্বাদ বেড়ে যায় বহুগুণ। আবার মুরগির মাংস বা খাসির মাংসের ঘি রোস্টও খেতে সুস্বাদু। কিন্তু অনেকেই আছেন যাঁরা ঘি পছন্দ করেন না বা ওজন বেড়ে যাওয়ার ভয় ঘি খেতে চান না। কিন্তু এই ধারণা ভুল। নির্দিষ্ট পরিমাণে ঘি খেলে, তা ওজন বৃদ্ধি করে না। আয়ুর্বেদে ঘিকে সুপারফুডের তকমা দেওয়া হয়। এতে নিরাময়কারী উপাদান বর্তমান। ঘিয়ের পরিবর্তে রিফাইন তেলে তৈরি খাবার খেয়ে থাকি আমরা। আয়ুর্বেদ মতে, এর ফলে আমাদের শরীরের নানান ক্ষতি হতে পারে। সেলিব্রিটি ফিটনেস এক্সপার্ট রুজুতা দিওয়েকার একাধিক বার ঘি খাওয়ার উপকারিতা সম্পর্কে জানিয়েছেন। এবার ঘি দেওয়া ডাল বা রুটিকে না বলবেন না। কেন খাবেন? জেনে নিন—

ঘি খেলে পাবেন অনেক উপকার, বাড়বে না ওজন! জেনে নিন
ঘি খেলে পাবেন অনেক উপকার, বাড়বে না ওজন! জেনে নিন

১. কমেডিয়ান ভারতী সিং কয়েক বছর আগে নিজের ওয়েটলস ও ট্রান্সফর্মের জন্য শিরোনামে ছিলেন। নিজের ওয়েটলস জার্নি সম্পর্কে জানাতে গিয়ে ভারতী বলেন যে, এ সময় তিনি বেশি করে ঘি খেয়েছেন। সাম্প্রতিক ট্রেন্ড অনুযায়ী, যাঁরা ওজন নিয়ন্ত্রণ করতে চান, তাঁরাও এখন নিজের খাদ্য তালিকায় ঘি অন্তর্ভূক্ত করছেন। উল্লেখ্য ঘি-তে কম পরিমাণে ফ্যাট থাকে এবং এটি সহজে হজম করা যায়। ঘি পাচন প্রক্রিয়ার গতি বৃদ্ধি করে, এর ফলে ওজন কম করা সহজ হয় এবং প্রচুর শক্তি লাভ করা যায়। মস্তিষ্কের জন্যও ঘি খুব ভালো।

২. ঘি-তে উপস্থিত ফ্যাট শরীরের পক্ষে উপকারী। আবার শরীরে ভিটামিনের অভাব থাকলে, খাবার-দাবারে ঘি মেশানো উচিত। ঘি-তে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ থাকে।

৩. ঘিয়ে এইচডিএল বা ভালো কোলেস্টেরল থাকে, যা শরীরকে ভিতর থেকে হিল করে।

৪. আয়ুর্বেদ অনুযায়ী ঘিয়ে এমন কিছু উপাদান উপস্থিত, যা মুখ উজ্জ্বল করে। এতে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট ও অ্যান্টি ভাইরাল উপাদান থাকে। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল হলে ঘি খাওয়া উচিত। শীতকালে ঘি শরীরকে গরম রাখে।

কত পরিমাণে ঘি খাওয়া উচিত

 
ABOUT THE AUTHOR
Suman Roy

সুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।

SHARE THIS ARTICLE ON