...
...
Next Story

শীতকাল আসতেই হাঁটুতে ব্যথা? নতুন বছরের গোড়াতেই জানুন কিছুটা উপশমের ঘরোয়া উপায়

এই শীত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গেই ঘরে ঘরে বাড়ছে হাঁটু ও জয়েন্টের ব্যথার সমস্যা। মূলত ঠান্ডায় রক্তনালী সংকুচিত হওয়া এবং জয়েন্টের তরল (Synovial Fluid) ঘন হয়ে যাওয়ার কারণে হাড়ের সংযোগস্থলে ঘর্ষণ ও প্রদাহ বাড়ে। ফলে বয়স্কদের পাশাপাশি এখন মাঝবয়সীরাও এই ব্যথায় কষ্ট পাচ্ছেন।

Published on: Jan 3, 2026, 10:22:38 IST
By
Prefer HTon Google
Advertisement

২০২৬ সালের শুরুতেই হাড়কাঁপানো ঠান্ডায় জনজীবন বিপর্যস্ত। আর এই শীত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গেই ঘরে ঘরে বাড়ছে হাঁটু ও জয়েন্টের ব্যথার সমস্যা। মূলত ঠান্ডায় রক্তনালী সংকুচিত হওয়া এবং জয়েন্টের তরল (Synovial Fluid) ঘন হয়ে যাওয়ার কারণে হাড়ের সংযোগস্থলে ঘর্ষণ ও প্রদাহ বাড়ে। ফলে বয়স্কদের পাশাপাশি এখন মাঝবয়সীরাও এই ব্যথায় কষ্ট পাচ্ছেন।

শীতকাল আসতেই হাঁটুতে ব্যথা? নতুন বছরের গোড়াতেই জানুন কিছুটা উপশমের ঘরোয়া উপায়
শীতকাল আসতেই হাঁটুতে ব্যথা? নতুন বছরের গোড়াতেই জানুন কিছুটা উপশমের ঘরোয়া উপায়

নতুন বছরের শুরুটা হোক যন্ত্রণামুক্ত। শীতকালীন হাঁটুর ব্যথা সাময়িকভাবে কমাতে ৫টি কার্যকরী ঘরোয়া টোটকা জেনে নিন।

শীতে হাঁটুর ব্যথা উপশমের ৫টি ঘরোয়া টোটকা

১. উষ্ণ সেঁক বা হট কম্প্রেস

ব্যথা কমাতে গরম সেঁক সবচেয়ে প্রাচীন ও কার্যকর পদ্ধতি। গরম জলের ব্যাগ (Hot water bag) বা কাপড়ে গরম নুন পুঁটলি করে হাঁটুর চারপাশ সেঁক দিন। এটি রক্ত সঞ্চালন বাড়ায় এবং জয়েন্টের শক্ত ভাব (Stiffness) কাটিয়ে মাংসপেশিকে শিথিল করে।

২. সরিষার তেল ও রসুনের মালিশ

সরষের তেল প্রাকৃতিক উষ্ণতা প্রদান করে। দুই কোয়া রসুন থেঁতো করে সরষের তেলে ফুটিয়ে নিন। তেলটি কুসুম কুসুম গরম থাকা অবস্থায় আলতো হাতে হাঁটুতে মালিশ করুন। রসুনের অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি গুণ হাঁটুর ফোলা ভাব ও ব্যথা দ্রুত কমিয়ে দেয়।

৩. আদা ও হলুদের ব্যবহার

আদা এবং হলুদ উভয়ই প্রাকৃতিক ব্যথানাশক। আদাতে থাকা 'জিনজারোল' এবং হলুদে থাকা 'কারকিউমিন' জয়েন্টের প্রদাহ কমায়। নিয়মিত আদা চা পান করুন অথবা এক গ্লাস গরম দুধে এক চিমটি হলুদ মিশিয়ে খান। এটি ভেতর থেকে হাড়ের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটায়।

৪. মেথি ভেজানো জল

তীব্র ব্যথায় হাঁটাচলা বন্ধ করে দেওয়া ঠিক নয়। চেয়ারে বসে পা সোজা করা এবং ভাঁজ করার মতো হালকা ব্যায়াম করুন। এতে জয়েন্টের নমনীয়তা বজায় থাকে। তবে মনে রাখবেন, ব্যথার জায়গায় সরাসরি বরফ বা অতিরিক্ত চাপ দেবেন না।

সাবধানতা

এই ঘরোয়া পদ্ধতিগুলো সাময়িক আরাম দিলেও যদি ব্যথা দীর্ঘস্থায়ী হয় বা হাঁটু ফুলে লাল হয়ে যায়, তবে দেরি না করে হাড় বিশেষজ্ঞ বা অর্থোপেডিক চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

শীতের এই দিনগুলোতে নিজেকে গরম রাখা এবং পর্যাপ্ত জল পান করাও ব্যথামুক্ত থাকার অন্যতম উপায়। ২০২৬-এর শুরুতে এই সাধারণ নিয়মগুলো মেনে চলে সুস্থ ও সচল থাকুন।

 
ABOUT THE AUTHOR
Suman Roy

সুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।

SHARE THIS ARTICLE ON