...
...
Next Story

Healthy Tips: কত দিন অন্তর বদলাতে হয় গামছা, কত দিন পরে ঘরে পরার চটি? জানুন এগুলির মেয়াদকাল

Healthy Tips: নিত্য ব্যবহারের জিনিসগুলি নির্দিষ্ট সময় অন্তর বদলাতেই হয়। জেনে নিন কত দিন অন্তর বদলাতে হয় টুথব্রাশ, ঘরে পরার চটি, মাথার বালিশের কভার থেকে স্নানের সময়ে গা পরিষ্কারের স্পঞ্জ।

Published on: Feb 4, 2026, 17:29:22 IST
By
Prefer HTon Google
Advertisement

প্রতি দিন ব্যবহার করার মতো বহু জিনিস থাকে আমাদের জীবনে। এর কয়েকটা দীর্ঘ দিন চলে, কয়েকটা আবার নির্দিষ্ট সময় অন্তর অন্তর বদলাতে হয়। যেমন টুথব্রাশ, মাথার বালিশের ঢাকা বা গা পরিষ্কারের স্পঞ্জ। কোনটি কত দিনের বেশি ব্যবহার করা উচিত নয়? জেনে নিন এখানে।

কত দিন অন্তর বদলাতে হয় গামছা, কত দিন পরে ঘরে পরার চটি? জানুন এগুলির মেয়াদকাল
কত দিন অন্তর বদলাতে হয় গামছা, কত দিন পরে ঘরে পরার চটি? জানুন এগুলির মেয়াদকাল

ঘরে পরার স্লিপার বা চটি প্রতি ৬ মাস অন্তর বদলে ফেলা উচিত। মনে রাখবেন, খুব পাতলা বা শক্ত চটি পায়ের জন্য ক্ষতিকর। পাতলা হয়ে যাওয়া চটি দীর্ধ দিন ব্যবহার করলে স্নায়ুর মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে।

বছরের পর বছর একই বালিশ ব্যবহার করবেন না। প্রতি ২-৩ বছর পর পর বালিশ বদলে ফেলুন বা বালিশের তুলো বদলে ফেলুন। তাতে ভালো ঘুম হবে। এছাড়াও বালিশের কভার নিয়মিত কাচা উচিত।

স্নানের সময় গায়ে সাবান মাখার কাজে ব্যবহৃত স্পঞ্জ প্রতি ৩-৪ মাস অন্তর বদলে ফেলা জরুরি। স্নানের সময় ব্যবহারের পর এগুলো ভালো করে ধুয়ে রাখুন। এতে সাবান রয়ে গেলে তা পরে ত্বকের মারাত্মক সমস্যা ডেকে আনতে পারে।

৩-৪ মাস অন্তর টুথব্রাশ বদলে ফেলুন। এতে মুখের স্বাস্থ্য ভালো থাকে। না হলে মুখের নানা ধরনের সমস্যা তো বটেই পেটের নানা ঝামেলাও বাড়তে পারে।

গামছা বা তোয়ালে রোজকার প্রয়োজনীয় একটি জিনিস। গামছা বা তোয়ালে প্রতি দিন ব্যবহারের পরে ভালো করে ধুয়ে নেওয়া উচিত। আর ৬ মাস অন্তর গামছা বদলে ফেলা উচিত। আর তোয়ালের ক্ষেত্রে ১ বছরের বেশি ব্যবহার করা উচিত নয়।

বেশি দিন থাকলে রান্নার মশলাপাতির স্বাদ বা গন্ধ নষ্ট হয়ে যায়। অনেক সময় তাতে ছত্রাকও জন্মায়। তাই গুঁড়ো মশলা ৬ মাসের বেশি না রাখাই ভালো। এমন ভাবে কিনুন, যাতে মশলা তার মধ্যেই ব্যবহার করে ফেলতে পারেন।

 
ABOUT THE AUTHOR
Suman Roy

সুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।

SHARE THIS ARTICLE ON