আপনি কি একা ঘুমোন? নাকি কারও সঙ্গে এক বিছানায় ঘুমোন? এগুলির উপর নির্ভর করে আপনার শরীর কেমন থাকবে। এমনই বলছে হালের গবেষণা।

সম্প্রতি আমেরিকার ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েক জন গবেষক তাঁদের গবেষণায় জানিয়েছেন, কার পাশে ঘুমোচ্ছেন, তার উপর নির্ভর করে শরীর কেমন কাজ করবে।
গবেষকরা জোর দিয়েছেন এমন মানুষের পাশে ঘুমোনে উপর, যাঁর সঙ্গে ভালোবাসার বা খুব গভীর সম্পর্ক। হতে পারেন তিনি প্রেমিক, প্রেমিকা, স্বামী, স্ত্রী, মা বা সন্তান। যাঁর সঙ্গে ভালোবাসার সম্পর্ক রয়েছে, তার পাশে ঘুমোলেই শরীরে কয়েকটি বিশেষ হরমোনের ক্ষরণ বাড়ে।
কী কী হয় ভালোবাসার মানুষটির পাশে ঘুমোলে?
- এতে এক ধরনের নিরাপত্ত বোধ হয়। তাতে তাড়াতাড়ি ঘুম আসে। এর ফলে হৃদরোগের আশঙ্কা কমে।
- অক্সিটোসিন হরমোনের মাত্রা বাড়ে এর ফলে। এটি চেহারায় জৌলুস আনে। মন ভালো রাখে।
- সেরোটোনিন হরমোনের ক্ষরণ বাড়ে এতে। এটি মন ভালো রাখে। শরীর সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।
- নোরেপিনেফ্রাইন হরমোন বাড়ে। এটি উদ্বেগ এবং মানসিক চাপ কমায়।
- ভাসোপ্রেসিন হরমোনের ক্ষরণও অনেকখানি বেড়ে যায়। এটি কোর্টিসোল হরমোনের ক্ষরণ কমিয়ে দেয়। কোর্টিসোল মানসিক চাপ বাড়ায়। ভাসোপ্রেসিনের মাত্রা বাড়লে তাই মানসিক চাপ কমে।
- প্রোল্যাকটিন হরমোনের মাত্রা বাড়ে। এঠি রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে।
- গবেষকরা বলছেন, ভালোবাসার মানুষের পাশে ঘুমোলে হৃদরোগের আশঙ্কা অনেক খানি কমে যেতে পারে।
- এর ফলে রক্তচাপের মাত্রাও খানিকটা নিয়ন্ত্রণে থাকে।
এই সমস্ত কারণে গবেষকদের মত, একা ঘুমোনোর থেকে কাছের এবং ভালোবাসার মানুষের পাশে ঘুমোনোর অনেক বেশি স্বাস্থ্যকর। তাতে ঘুম ভালো হয়, বহু ধরনের সমস্যার আশঙ্কা কমে।
{{/usCountry}}এই সমস্ত কারণে গবেষকদের মত, একা ঘুমোনোর থেকে কাছের এবং ভালোবাসার মানুষের পাশে ঘুমোনোর অনেক বেশি স্বাস্থ্যকর। তাতে ঘুম ভালো হয়, বহু ধরনের সমস্যার আশঙ্কা কমে।
{{/usCountry}}