...
...
Next Story

বাসে বমি হয়? কীভাবে এটি কাটাতে পারবেন জানুন

আপনারও কি এমনটা হয়? লজ্জা পাবেন না। এই সমস্যা সত্যিই কষ্টের। তবে কিছু জিনিস ট্রাই করলে সমাধানও পাবেন।

Published on: Feb 01, 2026 04:23 PM IST
By
Prefer HTon Google
Advertisement

বাসে চড়লেই বমি হয়? ভয়ে বাসে উঠতেই চান না? এই সমস্যা আপনার একার নয়। আমাদের অনেকেই এতে ভোগেন। কিন্তু কীভাবে যে মুক্তি মিলবে, তা বুঝতে পারেন না। এদিকে এর জন্য লজ্জায় পড়ে যান।

বাসে বমি হয়? কীভাবে এটি কাটাতে পারবেন জানুন
বাসে বমি হয়? কীভাবে এটি কাটাতে পারবেন জানুন

শুধু তো বমি নয়। তার সঙ্গে গা গোলানো, মাথাব্যাথা, মাথা ঘোরানো ভাব এসে যায়। বাসে-গাড়িতে চড়লেই মোশান সিকনেস জাঁকিয়ে বসে কারও কারও। আপনারও কি এমনটা হয়? লজ্জা পাবেন না। এই সমস্যা সত্যিই কষ্টের। তবে কিছু জিনিস ট্রাই করলে সমাধানও পাবেন।

তার আগে জানুন, মোশান সিকনেস কেন হয়?

শরীরের গতি-সংবেদনকারী অংশগুলি মস্তিষ্কে তথ্য প্রেরণের কারণে এমনটা হয়। মস্তিষ্ক এতে বিভ্রান্ত হয়ে যায়। ফলে স্থির বা গতিশীল পরিস্থিতি ব্রেন প্রসেস করতে পারে না। তার প্রতিক্রিয়া হিসাবে বমি হয়ে যায়।

উপায় কী?

পুষ্টিবিদ পূজা মাখিজা তাঁর ইনস্টাগ্রাম প্রোফাইলে কিছু টিপস শেয়ার করেছেন। কী সেই টিপস?

মোশান সিকনেস থেকে মুক্তির উপায়:

  • পেট ভরে খাওয়া এড়িয়ে চলুন: অতিরিক্ত ভর্তি পেট এবং মশলাদার খাবার হজম প্রক্রিয়াকে ধীর করে দেয়। এটি এমনিতেই আরও বেশি বমি বমি ভাব সৃষ্টি করে। তাই গাড়িতে যাত্রার আগে হালকা খাবার খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।
  • মুখশুদ্ধি, পেপারমিন্ট ব্যবহার করুন: মুখশুদ্ধি, পেপারমিন্ট বা আদা বমি বমি ভাব এবং বমি করার প্রবণতা কমাতে এবং নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে।
  • চুইয়িং গাম: অনেকের ক্ষেত্রে গাম চেবালে বমি ভাব কম আসে।
  • লিকোরিস রুট: যাত্রার আগে এক গ্লাস জলে ৭৫ মিলিগ্রামের ট্যাবলেট হিসাবে লিকোরিস রুট বা মুলেথি নিন।
  • যদি দীর্ঘ সময়ের জন্য ভ্রমণের প্রয়োজন হয়, তাহলে নিরাময়ের জন্য ১০০ মিলিগ্রাম লিকারিস রুট খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।

সব শেষে

এর একটা মানসিক দিকও রয়েছে। তাই গাড়ি, বাসে উঠেই বমি হবে, এমন আশঙ্কা শুরু করে দেবেন না। মন হালকা রাখুন। চেষ্টা করুন এ বিষয়ে না ভাবার।

 
ABOUT THE AUTHOR
Suman Roy

সুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।

SHARE THIS ARTICLE ON