আজকের দিনে স্বাস্থ্যের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা হল অতিরিক্ত স্ট্রেসের কারণে বার্নআউট হয়ে যাওয়া। প্রতি বছর ৩-৭ নভেম্বর পালন করা হয় আন্তর্জাতিক স্ট্রেস অ্যাওয়ারনেস উইক। সম্প্রতি স্ট্রেসের নানাদিক নিয়ে কথা বললেন মনোবিদ দেবশীলা বসু (ফর্টিস হাসপাতাল, আনন্দপুর)।

বিশ্বের লক্ষ লক্ষ কর্মীকে প্রভাবিত করে এই সমস্যা। মানসিক ক্লান্তি, কাজে মন না বসা, এমনকি কাজ বেশি করতে না পারা এর ফলাফল। অতিরিক্ত কাজের চাপ, ডিজিটাল মাধ্যমে কাজের আধিক্য, কর্মজীবন ও ব্যক্তিগত জীবনের মধ্যে সীমানা না থাকাই বার্নআউটের প্রধান কারণ। পাশাপাশি সারাদিন ফোনে অ্যাভেলেবল থাকাও আরেক সমস্যা। এটিকে নিয়ন্ত্রণ না করলে, বার্নআউট থেকে উদ্বেগ, বিষণ্ণতা, ঘুমের সমস্যা এবং দীর্ঘস্থায়ী শারীরিক অসুস্থতা দেখা দিতে পারে।
সতর্কীকরণ চিহ্নগুলি চিহ্নিত করা
প্রাথমিক পর্যায়ে এটিকে চিহ্নিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এর কিছু লক্ষণ রয়েছে। ক্রমাগত ক্লান্তি, বিরক্তি, অনুপ্রেরণার অভাব, দুর্বল হয়ে যাওয়া এবং কাজের প্রতি এক ধরনের উদাসীনতা বোধ। এই লক্ষণগুলো গুরুতর স্বাস্থ্য সমস্যায় পরিণত না হওয়া পর্যন্ত অনেকে এটিকে গুরুত্ব দেন না। এর থেকে বাঁচার প্রথম ধাপ হল, এটি উপলব্ধি করা যে বার্নআউট কোনও ব্যক্তিগত দুর্বলতা নয়, বরং এটি দীর্ঘমেয়াদী চাপের প্রতি শরীরের একটি প্রতিক্রিয়া।
নিজে থেকে কিছু পদক্ষেপ নিলে এই সমস্যার অনেকটাই সুরাহা সম্ভব। ঘুম, শারীরিক কার্যকলাপ এবং পুষ্টিকর খাদ্যাভ্যাসকে অগ্রাধিকার দিন। শরীরের স্ট্রেস প্রতিক্রিয়া পুনরায় ঠিক করতে এটি সাহায্য করে। কাজের দিনে মাঝে মাঝে বিরতি নেওয়া, গভীর শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম করাতে মানসিক ক্লান্তি কমে। মানসিক ভারসাম্য বজায় রাখার জন্য কাজের সীমা নির্ধারণ করা প্রয়োজন। যেমন রাতে যোগাযোগের সময় সীমাবদ্ধ করা। নিয়মিত ডিজিটাল ডিটক্সের জন্য সময়সূচি তৈরি করা। সহকর্মী, পরামর্শদাতা বা মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের কাছ থেকে সাহায্য চাওয়াকে সব সময় আত্ম-যত্ন হিসাবে দেখা উচিত, ব্যর্থতার চিহ্ন হিসাবে নয়।
{{/usCountry}}নিজে থেকে কিছু পদক্ষেপ নিলে এই সমস্যার অনেকটাই সুরাহা সম্ভব। ঘুম, শারীরিক কার্যকলাপ এবং পুষ্টিকর খাদ্যাভ্যাসকে অগ্রাধিকার দিন। শরীরের স্ট্রেস প্রতিক্রিয়া পুনরায় ঠিক করতে এটি সাহায্য করে। কাজের দিনে মাঝে মাঝে বিরতি নেওয়া, গভীর শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম করাতে মানসিক ক্লান্তি কমে। মানসিক ভারসাম্য বজায় রাখার জন্য কাজের সীমা নির্ধারণ করা প্রয়োজন। যেমন রাতে যোগাযোগের সময় সীমাবদ্ধ করা। নিয়মিত ডিজিটাল ডিটক্সের জন্য সময়সূচি তৈরি করা। সহকর্মী, পরামর্শদাতা বা মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের কাছ থেকে সাহায্য চাওয়াকে সব সময় আত্ম-যত্ন হিসাবে দেখা উচিত, ব্যর্থতার চিহ্ন হিসাবে নয়।
{{/usCountry}}