চন্দননগর এবং কৃষ্ণনগর, এই দুই শহর বাংলার জগদ্ধাত্রী পুজোর জন্য বিখ্যাত। তবে, এদের পুজোর ঐতিহ্যে বেশ কিছু পার্থক্য দেখা যায়।
চন্দননগরের সেরা জগদ্ধাত্রী পুজো

চন্দননগরের পুজো প্রধানত তার সুবিশাল প্রতিমা ও চোখ ধাঁধানো আলোকসজ্জার জন্য বিখ্যাত। থিমের বৈচিত্র্যও এখানে লক্ষণীয়।
১. সুভাষপল্লি সর্বজনীন জগদ্ধাত্রী কমিটি: এটি চন্দননগর স্টেশন থেকে মাত্র দুই মিনিটের পথ হওয়ায় দর্শনার্থীদের কাছে খুব জনপ্রিয়।
২. সার্কাস মাঠ সর্বজনীন: চন্দননগরের নজরকাড়া পুজোর তালিকায় এটির নাম থাকে।
৩. পালপাড়া সর্বজনীন: এই ঐতিহ্যবাহী পুজোটির আলোকসজ্জা এবং প্রতিমার রূপ দর্শনার্থীদের দীর্ঘকাল ধরে মুগ্ধ করে আসছে।
৪. বাগবাজার সর্বজনীন: প্রায় ২০০ বছরের কাছাকাছি পুরোনো এই পুজো কমিটির প্রতিমাগুলির উচ্চতা প্রায়শই গগনচুম্বী হয়।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে কানাইলাল পল্লী মতো পুজো কমিটি ৭৫ ফুট পর্যন্ত সুউচ্চ জগদ্ধাত্রী প্রতিমা তৈরি করে রেকর্ড সৃষ্টির পথে হেঁটেছে।
আরও পড়ুন - Vastu Tips For Peace: সন্তানকে নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে অহরহ অশান্তি? বাস্তু টিপসেই পরিবারে ফিরবে সুখ
কৃষ্ণনগরের সেরা জগদ্ধাত্রী পুজো:
নদিয়া জেলার কৃষ্ণনগর হল জগদ্ধাত্রী পুজোর প্রবর্তন ক্ষেত্র। ১৭শ শতকে মহারাজা কৃষ্ণচন্দ্র রায় এই পুজোর সূচনা করেন। কৃষ্ণনগরের পুজোয় সাবেকি প্রতিমা ও ঐতিহ্য প্রধান আকর্ষণ।
{{/usCountry}}নদিয়া জেলার কৃষ্ণনগর হল জগদ্ধাত্রী পুজোর প্রবর্তন ক্ষেত্র। ১৭শ শতকে মহারাজা কৃষ্ণচন্দ্র রায় এই পুজোর সূচনা করেন। কৃষ্ণনগরের পুজোয় সাবেকি প্রতিমা ও ঐতিহ্য প্রধান আকর্ষণ।
{{/usCountry}}১. চাষাপাড়ার বুড়িমা: কৃষ্ণনগরের জগদ্ধাত্রী পুজোর নাম নিতে গেলে প্রথমেই আসে চাষাপাড়া বারোয়ারির 'বুড়িমা'-র নাম। ১৭৭২ সাল থেকে অনুষ্ঠিত এই পুজো কৃষ্ণনগরের সবচেয়ে প্রাচীন ও বিখ্যাত বারোয়ারি পুজো। বিশাল আকার এবং সাবেকি প্রতিমার জৌলুসের জন্য 'বুড়িমা'-র খ্যাতি বিশ্বজোড়া।
২. কাঁঠাল বারোয়ারির ছোটমা: ইনি 'বুড়িমার বোন' হিসেবে পরিচিত এবং কৃষ্ণনগরের জনপ্রিয় পুজোগুলির মধ্যে অন্যতম।
৩. মালোপাড়া বারোয়ারি: এটি আরেকটি প্রাচীন পুজো। এখানকার ধুনো পোড়ানোর বিশেষ রীতির জন্য এটি সুপরিচিত। এখানে এখনও পুরুষেরা নারীর বেশে জল সাজতে যান, যা এক ব্যতিক্রমী ঐতিহ্য। এছাড়াও রাজবাড়ির পুজো প্রাচীনত্বের নিরিখে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।