...
...
Next Story

Kachki or Corica Fish: কম দাম, গুণে কেমন? কাচকি মাছ শরীরে কেমন প্রভাব ফেলে? জেনে নিন

Kachki or Corica Fish Health Benefits: কাচকি মাছ খুবই পরিচিত। এই মাছ খেলে শরীরে কেমন প্রভাব পড়ে?

Published on: Feb 9, 2026, 10:19:37 IST
By
Prefer HTon Google
Advertisement

কাচকি মাছ সম্পর্কে অনেকেই জানেন। ছোট মাছের মধ্যে খুব পরিচিত এই মাছ। এটি দামের দিক থেকেও খুব একটা বেশি নয়। ছোট মাছ অনেকেই খেতে পছন্দ করেন না। কিন্তু তাঁদের অনেকেই হয়তো এই সব মাছের গুণ সম্পর্কে অবগত নন। সেগুলি জানা থাকলে, এই সব মাছ খাওয়ার আগ্রহও বেড়ে যেতে পারে। আর এই সব মাছের তালিকার একেবারে গোড়ার দিকেই আসবে কাচকি।

কম দাম, গুণে কেমন? কাচকি মাছ শরীরে কেমন প্রভাব ফেলে? জেনে নিন
কম দাম, গুণে কেমন? কাচকি মাছ শরীরে কেমন প্রভাব ফেলে? জেনে নিন

কাচকি মাছ কম খাওয়ার অন্যতম কারণ হল, এই মাছ পরিষ্কার করতে একটু সময় লাগে। কাচকি মাছ কাটার কোনও রকম ঝামেলা নেই, আকারে খুব ছোট হয় এই মাছ। কিন্তু প্রাথমিক ভাবে কেটে বেছে নিতে সময় লাগে বলেই অনেকে এটি এড়িয়ে যান। যদিও এটি রান্না করার পদ্ধতি খুবই সহজ।

১০০ গ্রাম কাচকি মাছে ১২.৭ গ্রাম প্রোটিন থাকে। ৩.৬ গ্রাম থাকে চর্বি থাকে। আর ৪৭৬ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম, ২.৮ মিলিগ্রাম আয়রন থাকে। এই মাছ খেলে শরীরে প্রোটিন এবং এনার্জি দুটোই পাওয়া যায়। তাই এই মাছ অত্যন্ত ভালো বলে মনে করা হয়।

তবে একটা কথা মনে রাখা দরকার। এই মাছ খাওয়ার সময়ে কাঁটা-সহ এবং চিবিয়ে, তাতেই এই মাছের সবটুকু গুণ শরীরে যায়। কাঁটা বেছে ফেলে দিলে কোনও লাভ হবে না। এবার দেখা যাক, এই মাছে কী কী গুণ রয়েছে এবং কাদের এই মাছ বেশি করে খাওয়া উচিত।

তবে এই মাছ বেশি করে খাওয়ানো উচিত শিশুদের। বিশেষজ্ঞরা বলেন, শিশুদের জন্য প্রোটিন, আয়রন, ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, ভিটামিন সি, ভিটামিন বি-৩ এবং ভিটামিন ডি যুক্ত এই মাছ খুবই উপকারী। কাচকি মাছে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন এ থাকে যা রাতকানার মতো সমস্যা, দৃষ্টি শক্তি কমে যাওয়ার মতো সমস্যার সঙ্গে মোকাবিলা করতে সাহায্য করে।

তবে মনে রাখা উচিত, সব মাছ সকলের ক্ষেত্রে সমান ভাবে কাজ করে না। তাই কার ক্ষেত্রে কোন মাছ বেশি ভালো, তা একমাত্র বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকই বলতে পারবেন। এসব ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়েই মাছ নির্বাচন করা উচিত।

 
ABOUT THE AUTHOR
Suman Roy

সুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।

SHARE THIS ARTICLE ON