কালীপুজো আসতে আর বেশি দেরি নেই। দেবী দুর্গার গমনের পরেই মা উমার এই রূপ পূজিত হয়, যা আবারও আনন্দের জোয়ারে ভাসিয়ে দেয় মর্ত্যবাসীকে। তবে দেবী দুর্গার থেকে মা কালীর রূপ কিঞ্চিৎ ভয়ঙ্কর হয়। কিন্তু যতই ভয়ঙ্কর হোক না কেন, মাকে যদি মন থেকে ডাকা যায় তাহলে তিনি সাড়া না দিয়ে থাকতে পারেন না!
মশালের আলোয় নৃত্যরতা মা

প্রভু জগন্নাথদেব যেমন ভক্তদের ডাকে সাড়া দিয়ে বছরের একটি বিশেষ দিন নিজের মন্দির ছেড়ে বেরিয়ে আসেন ভক্তদের মধ্যে, ঠিক তেমনই শান্তিপুরের বামাকালীকে নিয়ে রীতিমতো নাচ গান হয় পথ জুড়ে। তবে শুধু ভক্তরা নন, ভক্তদের সঙ্গে মা নিজেও নাচ করেন। এই অসাধারণ দৃশ্য দেখার জন্য বহুদূর থেকে মানুষ আসেন শান্তিপুরে। শান্তিপুরের অন্যান্য পুজো বেশ কিছুদিন চললেও বহু বছরের ঐতিহ্য মেনে পুজোর পরের দিনেই বিসর্জনের আয়োজন করা হয় বামাকালীর। রাতের অন্ধকারে মায়ের এই নাচ দেখলে যেন গায়ে কাঁটা দেয়। ভক্তদের হাতে জ্বলতে থাকা মশালের আলোয় মাকে যেন দেখতে লাগে অপরূপা।
কবে, কখন যাবেন?
পুজোর পর বিসর্জনের সময় মাকে যখন মন্ডপ থেকে বের করে নিয়ে আসা হয়, ঠিক তখন একটি বিশেষ স্থানে এনে শুরু হয় নাচ। ভক্তদের ঘাড়ে বাঁশের মাচায় দাঁড়িয়ে মা-ও করেন নাচ! আসলে ভক্তরা নাচ করলে কাঁধে বাঁশ বাঁধা অবস্থায় মা নিজেও নেচে ওঠেন, এক ঝলক দেখলে মনে হবে যেন মা নিজেই নাচ করছেন। এই বছরও বিসর্জনের দিন উপস্থিত হতে হবে শান্তিপুরের এই পুজোয়। প্রসঙ্গত, শান্তিপুরে নেমে যে কোন মানুষকে জিজ্ঞাসা করলেই আপনি পৌঁছে যেতে পারেন বা মা বামাকালীর মন্ডপে। তবে এই বিশেষ দিনের জন্য প্রশাসনের তরফ থেকেই বাড়তি তৎপরতা লক্ষ্য করা যায়।
{{/usCountry}}পুজোর পর বিসর্জনের সময় মাকে যখন মন্ডপ থেকে বের করে নিয়ে আসা হয়, ঠিক তখন একটি বিশেষ স্থানে এনে শুরু হয় নাচ। ভক্তদের ঘাড়ে বাঁশের মাচায় দাঁড়িয়ে মা-ও করেন নাচ! আসলে ভক্তরা নাচ করলে কাঁধে বাঁশ বাঁধা অবস্থায় মা নিজেও নেচে ওঠেন, এক ঝলক দেখলে মনে হবে যেন মা নিজেই নাচ করছেন। এই বছরও বিসর্জনের দিন উপস্থিত হতে হবে শান্তিপুরের এই পুজোয়। প্রসঙ্গত, শান্তিপুরে নেমে যে কোন মানুষকে জিজ্ঞাসা করলেই আপনি পৌঁছে যেতে পারেন বা মা বামাকালীর মন্ডপে। তবে এই বিশেষ দিনের জন্য প্রশাসনের তরফ থেকেই বাড়তি তৎপরতা লক্ষ্য করা যায়।
{{/usCountry}}