...
...
Next Story

Male fertility: বাবা হতে পারবেন না! বিপদ থেকে বাঁচতে এই ৫টি অভ্যাস এখনই বদলাতে বলছেন চিকিৎসকরা

পুরুষের সন্তান উৎপাদনের ক্ষমতা কমছে। তার কারণ অনেক। কিন্তু চিকিৎসকরা বলছেন, অবিলম্বে কয়েকটি অভ্যাস বদলাতে। তাহলে এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যেতে পারে।

Published on: Feb 01, 2026 09:48 AM IST
By
Prefer HTon Google
Advertisement

পরিসংখ্যান বলছে, নানা কারণে পুরুষের সন্তান উৎপাদনের ক্ষমতা কমছে। অনেকেই হয়তো বিষয়টি কম বয়সে টের পান না। কিন্তু তাঁদের শুক্রাণু উৎপাদনের হার এবং সুস্থ শুক্রাণু তৈরির ক্ষমতা ক্রমশ কমতে থাকে। এই সমস্যার পিছনে বেশ কয়েকটি কারণের কথা বলছেন চিকিৎসকরা। তাঁদের বক্তব্য, জীবনযাত্রায় কয়েকটি বদল এই সমস্যা কমিয়ে দিতে পারে।

বাবা হতে পারবেন না! বিপদ থেকে বাঁচতে এই ৫টি অভ্যাস এখনই বদলাতে বলছেন চিকিৎসকরা
বাবা হতে পারবেন না! বিপদ থেকে বাঁচতে এই ৫টি অভ্যাস এখনই বদলাতে বলছেন চিকিৎসকরা

কোন কোন নিয়ম মেনে চলার কথা বলছেন তাঁরা?

মদ্যপান এবং ধূমপানের অভ্যাস (Drinking and Smoking Problem): অতিরিক্ত মদ্যপানের ফলে রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়তে থাকে। তার ফলে কমে সহবাসের ইচ্ছা। আর ধূমপানের ক্ষতি তার চেয়ে অনেক বেশি। এতে সুস্থ এবং সবল শুক্রাণু উৎপাদনের ক্ষমতা একেবারে কমে যায়। এই দু’টি অভ্যাস পুরুষের বন্ধ্যত্ব ডেকে আনার সবচেয়ে বড় কারণ।

নিজে নিজে ওষুধ খাওয়া (Self Medicate): ভারতে অনেকের মধ্যেই এই অভ্যাস রয়েছে। কোনও একটি সমস্যা হলেই, নিজের ইচ্ছায় ওষুধ খাওয়া। বহু ওষুধের নানা ধরনের পার্শ্বাপ্রতিক্রিয়া হতে পারে। তার ফলে বেড়ে যেতে পারে বন্ধ্যত্বের হার। যে কোনও ওষুধ খাওয়ার আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পারমর্শ নিন। তিনিই বলে দিতে পারবেন, সেই ওষুধ অন্য কোনও সমস্যা বাড়িয়ে দিতে পারে কি না।

মানসিক চাপ (Too Much Stress): মানসিক চাপ পুরুষের যৌনক্ষমতা মারাত্মক হারে কমিয়ে দিতে পারে। মানসিক চাপের কারণে যৌনসম্পর্কের ইচ্ছা তো চলে যেতেই পারে, তার পাশাপাশি কমে যেতে পারে সন্তান উৎপাদনের ক্ষমতাও। এই সমস্যা কমাতে মানসিক চাপ থেকে বেরোতেই হবে। দরকারে মেডিটেশন বা ধ্যান করতে পারেন। তা না হলে যোগাসনেও এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে পারেন।

 
ABOUT THE AUTHOR
Suman Roy

সুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।

SHARE THIS ARTICLE ON