...
...
Next Story

সন্তানের হাতে স্মার্টফোন তুলে দিচ্ছেন? ওর বড় ক্ষতি করছেন আপনি নিজেই

বিশেষজ্ঞরা শিশুদের জন্য স্ক্রিন টাইম কঠোরভাবে সীমিত রাখার পরামর্শ দেন। শিশুকে স্মার্টফোন ব্যবহার করতে দিলে তার কী কী ক্ষতি হতে পারে, জেনে নিন।

Published on: Dec 16, 2025 10:31 AM IST
By
Prefer HTon Google
Advertisement

বর্তমান ডিজিটাল যুগে স্মার্টফোন আমাদের জীবনের এক অপরিহার্য অঙ্গ। কিন্তু শিশুরা যখন অতিরিক্ত সময় স্মার্টফোন ব্যবহার করে, তখন এর বহুবিধ ক্ষতিকর প্রভাব তাদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের ওপর পড়তে পারে। বিশেষজ্ঞরা শিশুদের জন্য স্ক্রিন টাইম (Screen Time) কঠোরভাবে সীমিত রাখার পরামর্শ দেন।

সন্তানের হাতে স্মার্টফোন তুলে দিচ্ছেন? ওর বড় ক্ষতি করছেন না তো আপনি নিজেই
সন্তানের হাতে স্মার্টফোন তুলে দিচ্ছেন? ওর বড় ক্ষতি করছেন না তো আপনি নিজেই

শিশুকে স্মার্টফোন ব্যবহার করতে দিলে তার কী কী ক্ষতি হতে পারে, জেনে নিন।

১. শারীরিক স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব

স্মার্টফোনের অতিরিক্ত ব্যবহার শিশুদের শারীরিক বিকাশে বাধা সৃষ্টি করে এবং দীর্ঘমেয়াদি স্বাস্থ্য ঝুঁকি তৈরি করে।

  • দৃষ্টিশক্তির সমস্যা: স্মার্টফোন বা ট্যাবলেটের নীল আলো (Blue Light) চোখের রেটিনার ওপর চাপ সৃষ্টি করে। দীর্ঘ সময় ধরে স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকলে চোখ শুকিয়ে যাওয়া, চোখ ব্যথা বা মাথাব্যথার মতো সমস্যা হয়। এর থেকে মায়োপিয়া বা নিকট-দৃষ্টির (Myopia) ঝুঁকি বাড়তে পারে।
  • ঘুমের ব্যাঘাত: রাতে ঘুমানোর আগে স্মার্টফোন ব্যবহার করলে নীল আলো মেলাটোনিন (Melatonin) হরমোনের উৎপাদন কমিয়ে দেয়, যা ঘুম নিয়ন্ত্রণের জন্য অপরিহার্য। ফলে শিশুর ঘুমের চক্র (Sleep Cycle) ব্যাহত হয় এবং তারা অনিদ্রা বা ঘুমের সমস্যায় ভোগে।
  • স্থূলতা ও অলসতা: স্মার্টফোন ব্যবহারের সময় শিশু স্থির বসে থাকে। খেলাধুলা বা শারীরিক কার্যকলাপ কমে যাওয়ায় স্থূলতা (Obesity) বা অতিরিক্ত ওজন বৃদ্ধির ঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে যায়।

২. মানসিক ও স্নায়বিক ক্ষতি

আমেরিকান একাডেমি অফ পেডিয়াট্রিক্সের (AAP) মতে:

  • ১৮ মাসের কম বয়সী: ভিডিও চ্যাট ছাড়া স্ক্রিন টাইম সম্পূর্ণ এড়িয়ে চলতে হবে।
  • ২ থেকে ৫ বছর: দিনে ১ ঘণ্টার বেশি স্ক্রিন টাইম দেওয়া উচিত নয় এবং সেটা অবশ্যই অভিভাবকের তত্ত্বাবধানে।

স্মার্টফোন একটি শক্তিশালী টুল হলেও, শিশুদের হাতে তা ক্ষতিকারক হতে পারে। অভিভাবকের দায়িত্ব হলো স্ক্রিন টাইমের একটি স্বাস্থ্যকর ভারসাম্য বজায় রাখা, যা শিশুদের শারীরিক, মানসিক এবং সামাজিক বিকাশের জন্য অত্যন্ত জরুরি।

 
ABOUT THE AUTHOR
Suman Roy

সুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।

SHARE THIS ARTICLE ON