...
...
Next Story

Tips to Control Obesity: অতিরিক্ত মেদ শিশুদের মধ্যে মানসিক সমস্যা বাড়িয়ে দিচ্ছে, সামলাবেন কী করে

শিশুদের মনখারাপ, মানসিক চাপ থেকে অটিজম— বহু সমস্যার জন্য দায়ী বাড়তি ওজন। তেমন বলছেন বিশেষজ্ঞরা।

Published on: Jan 22, 2026, 11:28:43 IST
By
Prefer HTon Google
Advertisement

ওবেসিটি বা বাড়তি ওজনের সমস্যা প্রচণ্ড পরিমাণে বাড়ছে। তেমনই বলছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা WHO-র পরিসংখ্যান। এই সমস্যা আগামী দিনে সব মানুষের জন্যই বড় বিপদ ডেকে আনতে চলেছে বলে মনে করা হচ্ছে।

অতিরিক্ত মেদ শিশুদের মধ্যে মানসিক সমস্যা বাড়িয়ে দিচ্ছে, সামলাবেন কী করে
অতিরিক্ত মেদ শিশুদের মধ্যে মানসিক সমস্যা বাড়িয়ে দিচ্ছে, সামলাবেন কী করে

হালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা WHO-র তরফে একটি পরিসংখ্যান দেওয়া হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, সারা বিশ্বে ৫ বছর থেকে ১৯ বছরের মধ্যে যাদের বয়স, তাদের মধ্যে মাত্র ৪ শতাংশেরই ওবেসিটির সমস্যা হত। এটি ১৯৭৫ সালের পরিসংখ্যান। সেটিই ২০১৬ সালে এসে পৌঁছে গিয়েছে ১৮ শতাংশে। চলতি সময়ে ৫ বছর থেকে ১৯ বছরের মধ্যে যাদের বয়স, তাদের মধ্যে ওবেসিটির সমস্যায় ভুগছে ২০ শতাংশেরও বেশি ছেলেমেয়ে।

এটি ভবিষ্যতে তাদের উপর মারাত্মক প্রভাব ফেলতে চলেছে বলে আশঙ্কা করছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা WHO।

তবে শুধু শারীরিক সমস্য়াই নয়, এই ওবেসিটি বা বাড়তি ওজন মানসিক সমস্যাও ডেকে আনছে। হালে শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক সঞ্জয় বোরুদে হিন্দুস্তান টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, এই বাড়তি ওজন শিশুদের মধ্যে সামাজিক উদ্বেগ, আত্মবিশ্বাসের অভাব, মনখারাপের কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে। কিছু কিছু শিশুর সময় মতো মানসিক বৃদ্ধি হচ্ছে না।

চিকিৎসকরা বলছেন, প্রথমেই শিশুদের সঙ্গে বাড়তি ওজনের সমস্যা নিয়ে আলোচনা করতে হবে। ওদের বোঝাতে হবে, এই বাড়তি ওজন শরীরের জন্য কেন খারাপ। অনেক শিশুকেই বাড়তি ওজনের কারণে সামাজিক ভাবে হেনস্থার মুখোমুখি হতে হয়। সেটিও যাতে না হয়, তার জন্য প্রস্তুত করতে হবে ওকে। সামাজিক হেনস্থাটি যে কোনও কারণ নয়, আসলে স্বাস্থ্যের প্রয়োজনেই ওজন কম রাখা জরুরি সেটি ভালো করে বোঝাতে হবে ওকে।

যে খাবারগুলি ওকে দেওয়া হচ্ছে, সেগুলি যথাযথ স্বাস্থ্যকর কি না, সে দিকেও খেয়াল রাখতে হবে। অতিরিক্ত তেলে ভাজাভুজি খাওয়া থেকে নিরস্ত রাখতে হবে। চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে ডায়েট তালিকা বানিয়ে দিতে হবে।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল, ওর সামনে রোল মডেল হয়ে উঠতে হবে। শিশু যদি দেখে, তার বাবা-মা ওজন নিয়ন্ত্রণ সম্পর্কে সচেতন, তাহলে সেও নিজের ওঝন নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করবে।

 
ABOUT THE AUTHOR
Suman Roy

সুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।

SHARE THIS ARTICLE ON