Summer Health Tips: এসে গেল ল্যাংড়া,হিমসাগরের স্বাদে মন ডুবিয়ে দেওয়ার মরশুম। শুধু কি তাই? রৌদ্রউজ্জ্বল দিনে স্বাদের আলফানসো, বা বেগমপল্লীও ধীরে ধীরে পাতে পড়ার জন্য দিন গুনছে বাঙালি। ফলের রাজা আমের মধ্যে রয়েছে ভিটামিন এ থেকে ভিটামিন সি। এমন এক ফল বহু গুণের আধার। হজমে যেমন সাহায্য করে আম, তেমনই কোষ্ঠকাঠিন্য কাটাতেও সাহায্য করে এই ফল। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আম খাওয়ার জন্য রয়েছে বিশেষ একটি সময়। এই আদর্শ সময় আম খেলে, তবেই মেনে এর পুরো পুষ্টিগুণ।
আম খাওয়ার আদর্শ সময়

কথায় বলে, 'ভরা পেটে ফল', অর্থাৎ খাবার খাওয়ার পর পাতে পড়তে হবে ফল। শেষপাতে ফালাহারে বাঙালির খাবার থালা সম্পূর্ণতা পায়। তবে নিউট্রিশিয়ানিস্টরা বলছেন, স্বাস্থ্য ভাল রাখতে, কতটা আম কখন খাচ্ছেন তা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তাঁরা বলছেন, আমকে মিষ্টি হিসাবেই দেখা উচিত। আর তাই দুপুরে বা রাতের খাবারের পর এই ফল খাওয়া উচিত। তবে অবন্তী দেশপাণ্ডের মতে, আম খাওয়ার আদর্শ সময় হল বেলা ১১ টা থেকে বিকেল ৪ টে।
কখন আম খাবেন না?
নিউট্রিশিয়ানিস্টরা বলছেন, যাঁদের ডায়াবেটিস রয়েছে, তাঁদের একেবারই রাতের দিকে আম খাওয়া উচিত নয়। এতে স্বাস্থ্যে কুপ্রভাব পড়ে। 'বেশি রাতের দিকে আম খেলে ইনসুলিন বেড়ে যাওয়ার প্রবণতা থাকে।' ফলে রক্তে শর্করার মাত্রা ঠিক রাখতে আম বুঝে শুনে খেতে হবে।
আমপানা কখন খাবেন?
আম সেদ্ধ করে, তাতে চিনি, স্বাদমতো নুন যোগ করে ( ইচ্ছে থাকলে এলাচ গুঁড়ো দিলেও দিতে পারেন) যে শরবত তৈরি হয় তা অনেকেরই প্রিয়। এছাড়াও গরমের দিনে বাঙালির প্রিয় খাবার আমপোড়ার শরবত তো রয়েইছে। অনেকেই মন মজাতে ভালোবাসেন আমপানাতে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আমের এই শরবত সকালের দিকে পান করা ভাল। রাতের জন্য এটি সঠিক নয়। অবন্তী বলছেন, যাঁদের ডায়াবেটিস রয়েছে তাঁরা আমেররসে একটু ঘি ফেলে খেতে পারেন। তাতে ইনসুলিন স্পাইক হবে না।
গোটা দিনে আম খাওয়ার সঠিক সময়
- গোটা আম দিনের যেকোনও বড় খাবারের পরই খাওয়া যেতে পারে।
{{/usCountry}}- গোটা আম দিনের যেকোনও বড় খাবারের পরই খাওয়া যেতে পারে।
{{/usCountry}}-ব্রেকফাস্টে গোটা আম খাওয়া যেতে পারে। বা আমের শরবত, দই আম খাওয়া যেতে পারে।
-গ্লাইকেমিক ইনডেক্স কমাতে আধ চামত ঘি দিয়ে আমরস খান।
-আম দিয়ে স্যালাড ড্রেসিং করতে পারেন।