...
...
Next Story

অল্প বয়সে চুল পাকে কাদের? এটি ঠেকানোর উপায় কী? জেনে রাখুন

বর্তমান সময়ে ২০ বা ৩০ এর কোঠায় পা দেওয়ার আগেই অনেকের চুল পেকে সাদা হয়ে যাচ্ছে। চিকিৎসার ভাষায় একে বলা হয় ‘প্রি-ম্যাচিওর গ্রেয়িং’ (Premature Greying)। কেন এমন হচ্ছে আর ঘরোয়া উপায়েই বা কীভাবে এটি আটকানো সম্ভব, জেনে রাখুন।

Published on: Jan 15, 2026 12:43 PM IST
By
Prefer HTon Google
Advertisement

অল্প বয়সে মাথার চুলে রুপোলি রেখা দেখা দিলে তা চিন্তার ভাঁজ ফেলে কপালে। বর্তমান সময়ে ২০ বা ৩০ এর কোঠায় পা দেওয়ার আগেই অনেকের চুল পেকে সাদা হয়ে যাচ্ছে। চিকিৎসার ভাষায় একে বলা হয় ‘প্রি-ম্যাচিওর গ্রেয়িং’ (Premature Greying)। কেন এমন হচ্ছে আর ঘরোয়া উপায়েই বা কীভাবে এটি আটকানো সম্ভব, জেনে রাখুন।

অকালে চুল পাকার কারণ: কেন অল্প বয়সেই সাদা হচ্ছে চুল?

অল্প বয়সে চুল পাকে কাদের? এটি ঠেকানোর উপায় কী? জেনে রাখুন
অল্প বয়সে চুল পাকে কাদের? এটি ঠেকানোর উপায় কী? জেনে রাখুন

চুলের রঙ নির্ধারণ করে ‘মেলানিন’ নামক একটি রঞ্জক পদার্থ। যখন চুলের গোড়ায় মেলানিন উৎপাদন কমে যায়, তখনই চুল সাদা হতে শুরু করে। এর প্রধান কারণগুলি হলো:

১. বংশগতি বা জেনেটিক্স

অল্প বয়সে চুল পাকার সবচেয়ে বড় কারণ হলো বংশগতি। আপনার বাবা বা মায়ের যদি কম বয়সে চুল পেকে থাকে, তবে আপনার ক্ষেত্রেও তার সম্ভাবনা অনেক বেশি।

২. মানসিক চাপ (Stress)

অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা বা স্ট্রেস শরীরের ‘স্টেম সেল’কে ক্ষতিগ্রস্ত করে, যা চুলের রঞ্জক তৈরিতে বাধা দেয়। ফলে সময়ের আগেই চুল রঙ হারায়।

৩. পুষ্টির অভাব

শরীরে ভিটামিন বি-১২ (B-12), আয়রন, কপার এবং ভিটামিন ডি-৩ এর ঘাটতি থাকলে অকালে চুল পাকতে পারে। বিশেষ করে যারা সুষম আহার করেন না, তাদের এই সমস্যা বেশি হয়।

৪. দূষণ ও রাসায়নিকের ব্যবহার

বায়ুদূষণ এবং চুলে অতিরিক্ত কড়া কেমিক্যাল, হিট বা সস্তা রঙ ব্যবহার করলে চুলের ফলিকল স্থায়ীভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

অকালে চুল পাকা ঠেকানোর ৫টি কার্যকরী উপায়

চুল পেকে যাওয়া মানেই আত্মবিশ্বাস হারিয়ে ফেলা নয়। আধুনিক বিজ্ঞানের মতে, শুরুতে সচেতন হলে এবং ডায়েটে পরিবর্তন আনলে চুলের অকালপক্বতা অনেকাংশেই নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়। তবে সমস্যা খুব বেশি হলে দ্রুত চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

 
ABOUT THE AUTHOR
Suman Roy

সুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।

SHARE THIS ARTICLE ON