আজকাল প্রত্যেক দ্বিতীয় ব্যক্তির সমস্যা হল অতিরিক্ত ওজন। স্থূলতা কিশোর-কিশোরী থেকে শুরু করে প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যেও ছড়িয়ে পড়ছে। এর সরাসরি কারণ হল ভুল খাদ্যাভ্যাস এবং জীবনযাত্রা। ওজন কমানোর জন্য মানুষ অনেক কিছুই অনুসরণ করে। আপনিও যদি স্বাস্থ্যকর ডায়েটের বিকল্প খোঁজেন, তাহলে কুমড়োর বীজ এবং চিয়া সিডস খেতে পারেন। দুটিই পুষ্টিগুণে ভরপুর। কিন্তু আপনি কি জানেন যে ওজন কমাতে দুটির মধ্যে কোনটি বেশি সহায়ক? কুমড়োর বীজ কুমড়োর বীজকে পুষ্টির পাওয়ার হাউস হিসাবে বিবেচনা করা হয়। এতে প্রোটিন, ফাইবার, ভিটামিন, জিঙ্ক, আয়রনের মতো প্রয়োজনীয় উপাদান রয়েছে, যা শরীরকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।

চিয়া সিডস চিয়া সিডসে ফাইবার, ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড, প্রোটিন, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম এবং ফসফরাসের মতো প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান থাকে।
ওজন কমবে কিসে? চিয়া হোক বা কুমড়োর বীজ, দুটিই প্রোটিন এবং ফাইবার সমৃদ্ধ। এমন পরিস্থিতিতে, দুটি বীজই ওজন কমাতে সহায়ক বলে মনে করা হয়। আপনি আপনার ডায়েটে দুটির যে কোনও একটি অন্তর্ভুক্ত করতে পারেন। ফাইবার দীর্ঘ সময় ধরে পেট ভরা রাখে এবং প্রোটিন শরীরে শক্তি জোগায়। কীভাবে খাবেন কুমড়োর বীজ আপনি চিবিয়ে খেতে পারেন। এটা আপনার উপর নির্ভর করে। চিয়া সিডস সারারাত জলে ভিজিয়ে রেখে সকালে লেবুর রস মিশিয়ে পান করা যেতে পারে। এছাড়া স্মুদিতেও এই বীজ মিশিয়ে পান করতে পারেন। অন্যান্য উপকারিতা হজমতন্ত্র- কোষ্ঠকাঠিন্য, বদহজম, গ্যাস, পেটে ব্যথার মতো পেটের সমস্যায় উভয় বীজই আরাম দেয়। হার্ট ও মস্তিষ্ক সুস্থ রাখে- চিয়া এবং কুমড়োর বীজে এমন উপাদান রয়েছে যা মস্তিষ্ক এবং হার্টকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। ত্বকের জন্য- উভয় বীজই ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে এবং বলিরেখা, ব্রণ, কালো দাগছোপ দূর করতে সাহায্য করে।