...
...
Next Story

Parenting Tips: শুয়ে শুয়ে বই পড়ছে খুদে? এতে কী কী ক্ষতি হচ্ছে জানেন

Parenting Tips: শিশুরা অনেক সময়েই শুয়ে বই পড়ে। এতে চোখের ব্যাপক ক্ষতি হতে পারে।

Published on: May 12, 2026 12:20 PM IST
Advertisement

Parenting Tips: রাতে বা দিনে বিছানায় শুয়ে বই পড়েন অনেকে। তবে বিছানায় শুয়ে বই পড়া ক্ষতিকর। বিশেষ করে চিৎ হয়ে শুয়ে বই পড়া। এ ধরনের অভ্যাস থাকলে আজই পরিবর্তন করতে হবে। রাতে বিছানায় শুয়ে বই পড়তে পড়তে ঘুমিয়ে পড়েন অনেকে। আবার সকালে ঘুম থেকে উঠে সোফায় গা এলিয়ে দিয়ে খবরের কাগজ পড়েন। বহু বইপ্রেমীর অভ্যাস ট্রেনে-বাসে শুয়ে-বসে বই পড়া। আর এই শুয়ে বসে বই পড়ার সময় বইয়ের থেকে চোখের দূরত্ব সব সময় সমান থাকে না। আবার সঠিক অ্যাঙ্গেল বজায় রেখেও বই পড়ার হয়— এমন নয়। তবে যা কিছুই হোক না কেন, বই পড়ার অভ্যাস বাদ দেয়া যাবে না। আ ছোটদের ক্ষেত্রে তো তার প্রশ্নই উঠছে না। কিন্তু দেখা গিয়েছে, বহু শিশুই শুয়ে শুয়ে বই পড়ে।

শুয়ে শুয়ে বই পড়ছে খুদে? এতে কী কী ক্ষতি হচ্ছে জানেন
শুয়ে শুয়ে বই পড়ছে খুদে? এতে কী কী ক্ষতি হচ্ছে জানেন

আমরা যখন বই পড়ি, তখন চোখ থেকে ১৫ ইঞ্চি দূরে রেখেই তা পড়ি। সেটাই স্বাভাবিক অভ্যাস। কিন্তু চিৎ হয়ে শুয়ে বই পড়ার সময়ে চোখের সোজাসুজি এতটা দূরে বই রাখা সম্ভব নয়। কারণ তাতে হাতে ব্যথা হতে পারে। তাই আমরা বই নামিয়ে আনি বুকের উপর। এই অবস্থায় চোখ থেকে ১৫ ইঞ্চি দূরে বই ধরার চেষ্টা করি। তাতে হাতে ব্যথা হয় না। কিন্তু এর ফলে অন্য সমস্যা হতে থাকে। এতে চোখ নীচের দিকে ঘুরিয়ে বুকের দিকে তাকিয়ে থাকতে হয়। এটিও চোখের স্বাভাবিক দৃষ্টিপথ না। এর ফলেই চোখের পেশির একটি বিশেষ দিকে চাপ পড়ে। ক্রমে তা দৃষ্টিশক্তির উপর প্রভাব ফেলে। চিকিৎসার পরিভাষায় একে বলা হয় এসথেনোপিয়া।

  • বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নিয়ম না মেনে বই পড়লে হতে পারে চোখের সমস্যা। নিয়ম মেনে বই না পড়লে চোখের যেসব ক্ষতি হতে পারে:
  • বই সঠিক দূরত্বে রেখে না পড়লে চোখের ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়ে। দৃষ্টিশক্তি ঝাপসা হয়ে আসার সম্ভাবনা থাকে।
  • চোখের অংশে কমে যেতে পারে রক্ত চলাচল।
  • শিশুদের ক্ষেত্রে অল্প বয়সে চোখের পাওয়ার বাড়তে পারে বা দ্রুত বদলে যেতে পারে।
  • চোখের অশ্রুগ্রন্থির তরল শুকিয়ে যেতে পারে, যা চোখের পেশির কাজে বাধা তৈরি হয়। ফলে প্রভাব ফেলে মাথার পেশিতেও। কমে যেতে পারে ঘুমের পরিমাণ।
  • অ্যাংজাইটি, অস্থিরতা বাড়তে থাকে দিনের পর দিন।

 
ABOUT THE AUTHOR
Suman Roy

সুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।

SHARE THIS ARTICLE ON