...
...
Next Story

Republic day speech in Bengali: স্কুলে প্রজাতন্ত্র দিবস নিয়ে কিছু বলতে হবে? এই লেখা একবার পড়ে নিলেই চলবে

Republic day speech and essay: প্রজাতন্ত্র দিবসে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখার ডাক আসে। তার জন্য বক্তব্য আগে থেকে তৈরি করে রাখতে হয়। এটি পড়ে নিলে আর সমস্যায় পড়তে হবে না‌ আপনাকে।

Published on: Jan 25, 2026, 10:56:08 IST
By
Prefer HTon Google
Advertisement

আমাদের সকলের জীবনেই বছরের বেশ কিছু তারিখ যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ। তেমনই একটি তারিখ হল ২৬ জানুয়ারি প্রজাতন্ত্র দিবস। নেতাজি জন্মজয়ন্তীর পরপরই এই দিনটিকে ঘিরে আমাদের সকলের দেশাত্মবোধ উদ্দীপ্ত হয়ে ওঠে। প্রত্যেক ভারতীয়দের মনেই তাই এই দিনটির অসীম তাৎপর্য। দেশের নানা প্রান্তে বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠান আর কুচকাওয়াজের মাধ্যমে পালিত হয় দিনটি। দেশের মিশ্র সংস্কৃতি ও তার বিশাল ঐতিহ্যের ছবি ফুটে ওঠে প্রতি রাজ্যে, জেলায়, শহরে, গ্ৰামে। শুধু রাজধানীর প্রাণকেন্দ্রেই দিনটি পালন করা হয় তা নয়। কলকাতা, মুম্বই, চেন্নাই সহ দেশের সব শহর ও গ্ৰামের মানুষরা এই দিনটিতে এক জায়গায় মিলিত হন। তেরঙা পতাকার নিচে জড়ো হয়ে দেশের গণতন্ত্রকে শ্রদ্ধা জানান।

স্কুলে প্রজাতন্ত্র দিবস নিয়ে কিছু বলতে হবে? এই লেখা একবার পড়ে নিলেই চলবে
স্কুলে প্রজাতন্ত্র দিবস নিয়ে কিছু বলতে হবে? এই লেখা একবার পড়ে নিলেই চলবে

জাতির জনক মহাত্মা গান্ধী ২৬ জানুয়ারিকে নাম দিয়েছিলে 'স্বতন্ত্রতা সংকল্প দিবস'। পণ্ডিত জওহরলাল নেহরুর নেতৃত্বে ১৯২৯ সালের শেষদিকে পূর্ণ স্বরাজ আনার শপথ নেওয়া হয়েছিল। এরপরই ১৯৩০ সালের ২৬ জানুয়ারি ওই দিনটিকে স্বাধীনতা দিবস বলে ঘোষণা করা হয়। তবে শেষ পর্যন্ত এটি কার্যকর হয়নি। ১৯৪৭ সালে দুশো বছরের পরাধীনতা ঘুচিয়ে ভারত যখন ১৫ অগাস্ট স্বাধীনতা অর্জন করে। ১৫ অগস্টই স্বাধীনতা দিবসের মর্যাদা পায়।

এর ফলে ২৬ জানুয়ারি তারিখের তাৎপর্যে বদল আসে। স্বাধীনতা অর্জন ১৯৪৭ সালে হলেও তখনও সংবিধান তৈরি হয়নি। প্রায় আড়াই বছর পর তৈরি হল পৃথিবীর মধ্যে সবচেয়ে বৃহত্তম সংবিধান, ভারতের সংবিধান। ১৯৫০ সালের ২৬ জানুয়ারি কার্যকর করা হল দেশের সংবিধান। সেই থেকেই ২৬ জানুয়ারিকে প্রজাতন্ত্র দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

২৬ জানুয়ারি মানেই ভারতের রাজধানী দিল্লির রাজপথে কুচকাওয়াজ ও বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা। এর পাশাপাশি কলকাতার রেড রোডেও সেই আয়োজন ও আড়ম্বর চোখে পড়ে। প্রজাতন্ত্র দিবসের আগের দিন সন্ধ্যায় অর্থাৎ ২৫ জানুয়ারি জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেন ভারতের রাষ্ট্রপতি।

দেশের জন্য প্রাণপণ লড়াইয়ে থাকা স্বাধীনতা সংগ্ৰামীদের এই দিনটিতে শ্রদ্ধা জানানো হয়। একের পর এক বীর সংগ্ৰামীদের আত্মাবলিদানকে স্মরণ করা হয়। ২৬ জানুয়ারি প্রচুর সংগ্ৰামীর রক্তের বিনিময়ে অর্জিত গণতন্ত্রকে উদযাপন করা হয়। আট থেকে আশি সবাই এক উৎসবে সামিল হন এই দিনটিতে।

 
ABOUT THE AUTHOR
Suman Roy

সুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।

SHARE THIS ARTICLE ON