...
...
Next Story

Saraswati Puja 2026: মা সরস্বতীর প্রিয় ভোগ এই তিন পদ, বাগদেবীর আরাধনায় নিবেদন করলে হয় অসীম পূণ্য

Saraswati Puja 2026 Bhog: মা সরস্বতীর পুজোর জন্য এই তিনধরনের পদ ভোগ হিসেবে রেঁধে নিবেদন করা উচিত। বাগদেবীর আরাধনায় এই বিশেষ ভোগ নিবেদন করলে পূণ্য হয় অপার।

Published on: Jan 22, 2026 09:10 PM IST
By
Prefer HTon Google
Advertisement

Saraswati Puja 2026 Bhog: সরস্বতী পুজো হিন্দু ধর্মের একটি গুরুত্বপূর্ণ পুজো, যা সাধারণত প্রতি বছরের পঞ্চমী তিথিতে, মাঘ মাসের শুক্লপক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। প্রধানত শিক্ষার, সঙ্গীতের এবং কলার দেবী মা সরস্বতীকে সম্মান জানানো হয়। বিশেষ করে শিক্ষার্থীরা এই দিনটি নিজেদের বই, খাতা এবং অন্যান্য শিক্ষাসামগ্রী মা সরস্বতীর পায়ে রাখে এবং প্রার্থনা করে ভালো ফলের জন্য। এটি সাধারণত বাঙালি সমাজে একটি আনন্দের উৎসব হিসেবে পালিত হয়। পুজোর প্রস্তুতি, উপাসনা এবং ভোগ নিবেদন ছাড়াও, বাচ্চারা, শিক্ষার্থীরা এবং সঙ্গীতপ্রেমীরা নানা রকম অনুষ্ঠানে অংশ নেয়।

মা সরস্বতীর প্রিয় ভোগ এই তিন পদ, বাগদেবীর আরাধনায় নিবেদন করলে হয় অসীম পূণ্য (Samir Kar)
মা সরস্বতীর প্রিয় ভোগ এই তিন পদ, বাগদেবীর আরাধনায় নিবেদন করলে হয় অসীম পূণ্য (Samir Kar)

মা সরস্বতীর প্রিয় ভোগ

মা সরস্বতীর প্রিয় ভোগ সাধারণত ‘পুলিঁড়ি’ এবং ‘খিচুড়ি’ হিসেবে পরিচিত। তবে, বাংলা সংস্কৃতিতে মা সরস্বতীর জন্য বিশেষ কিছু ভোগ প্রস্তুত করা হয়, যেমন —

১. পুলিঁড়ি: পুলিঁড়ি হল চাল, ডাল এবং নারকেল দিয়ে তৈরি একটি সুস্বাদু খাবার। এটি সরস্বতী পূজার দিন মা সরস্বতীকে নিবেদন করা হয়। এটি তৈরি করার সময় কেউ কেউ মিষ্টি যোগ করে থাকেন। তবে পুলিঁড়ি বাঙালির মধ্যে ততটা জনপ্রিয় নয়।

২. খিচুড়ি: খিচুড়ি সাধারণত চাল, ডাল, মশলা ও তেল সহযোগে তৈরি ভোগ। যা মা সরস্বতীর খুবই পছন্দসই একটি ভোগ। বাঙালি খাবার হিসেবে খিচুড়ি বেশ জনপ্রিয় একটি পদ। সরস্বতী পুজোর সঙ্গে খাবারটি বেশ চলনসই।

৩. মিষ্টান্ন: এছাড়াও, মিষ্টি মা সরস্বতীর বিশেষ ভোগ। তাই সাধারণ মিষ্টির পাশাপাশি কদমা, বাতাসাও নিবেদন করা হয়ে থাকে। বিশেষ করে পায়েস এবং সন্দেশও মা সরস্বতীকে নিবেদন করা হয়।

 
ABOUT THE AUTHOR
Suman Roy

সুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।

SHARE THIS ARTICLE ON