...
...
Next Story

Saraswati Puja 2026: মা সরস্বতীর পুষ্পাঞ্জলী মন্ত্রে কেন থাকেন ভদ্রকালী? কালী কি বিদ্যার আরেক রূপ

Why Goddess Kali In Saraswati Mantra: দেবী সরস্বতীর পুষ্পাঞ্জলী মন্ত্রের শুরুতেই উচ্চারণ করা হয় ‘ঔঁ ভদ্রকালৈ নমো নিত্যং সরস্বতৈ নমো নমঃ।’ কেন মা কালীর উপস্থাপনার বিদ্যার দেবীর মন্ত্রে?

Published on: Jan 23, 2026, 05:04:25 IST
By
Prefer HTon Google
Advertisement

দেবী সরস্বতীর পুষ্পাঞ্জলি মন্ত্রে উচ্চারণ করা হয় —

মা সরস্বতীর পুষ্পাঞ্জলী মন্ত্রে কেন থাকেন ভদ্রকালী? কালী কি বিদ্যার আরেক রূপ (PTI)
মা সরস্বতীর পুষ্পাঞ্জলী মন্ত্রে কেন থাকেন ভদ্রকালী? কালী কি বিদ্যার আরেক রূপ (PTI)

ঔঁ ভদ্রকালৈ নমো নিত্যং সরস্বতৈ নমো নমঃ।

বেদ-বেদান্ত বেদাঙ্গ-বিদ্যাস্থানেভ্যঃ এব চ।

এষ স-চন্দন বিল্বপত্র পুষ্পাঞ্জলি ঔঁ ঐং শ্রী শ্রী সরস্বতৈ নমঃ।

দেবী সরস্বতী কি কালীরই আরেক রূপ? কী বলছে শাস্ত্র?

মা সরস্বতী ও মা কালী, দুই দেবীই হিন্দু ধর্মে গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু তাঁদের ভূমিকা ভিন্ন। সরস্বতী দেবী বিদ্যার, সঙ্গীতের, কলার এবং জ্ঞানের দেবী। অন্যদিকে কালী দেবী সাধারণত শক্তি, ধ্বংস এবং পুনর্নির্মাণের প্রতীক হিসেবে পূজিত হন।

তবে, সরস্বতী পুজোর পুষ্পাঞ্জলী মন্ত্রে ভদ্রকালীর উল্লেখের পিছনে কিছু বিশেষ সাংস্কৃতিক বা আধ্যাত্মিক দৃষ্টিকোণ রয়েছে। শাস্ত্রের মা কালীকে জ্ঞানস্বরূপা বলে উল্লেখ করা হয়েছে। অনেক শাস্ত্রের মতে, কালী ও সরস্বতী আদতে একে অপরের বিশেষ রূপ। অর্থাৎ মা কালীই সরস্বতী, আবার মা সরস্বতীই কালী। ভদ্রকালীকে শাস্ত্রে বলা হয়েছে ‘অনিরুদ্ধা সরস্বতী’। অর্থাৎ তিনি ও দেবী সরস্বতী একইসঙ্গে অবস্থান করেন। বলা হয় মা কালী জ্ঞানস্বরূপা, অন্যদিকে মা সরস্বতী জ্ঞানপ্রদায়িনী।

নানাভাবে মা কালীর ও মা সরস্বতীর মধ্যে সাদৃশ্য পাওয়া যায়। যেমন ধরা যাক, অক্ষমালার কথা। মা কালীর গলায় ৫১ মুণ্ডের মালা থাকে। অন্যদিকে দেবীর হাতে থাকা অক্ষমালাতেও রয়েছে ৫১ বর্ণ। ক থেকে ক্ষ সেই বর্ণগুলি। দেবী কালিকার খড়্গকে জ্ঞানখড়্গ বলেও উল্লেখ করা হয়ে থাকে। তার কারণ, এই খড়্গের আঘাতে মায়া, মোহ, সংসার, অবিদ্যার ছেদন হয়। মা সরস্বতীর হাতে সেই খড়্গের অনুরূপে থাকে বেদ। তিনি সাধককে দান করেন জ্ঞান।

 
ABOUT THE AUTHOR
Suman Roy

সুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।

SHARE THIS ARTICLE ON