দেশের বৃহত্তম আর্থিক প্রতিষ্ঠান ভারতীয় স্টেট ব্যাঙ্ক (SBI)-এর কলকাতা স্থানীয় প্রধান কার্যালয়ে গত ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ অত্যন্ত মর্যাদার সঙ্গে উদযাপিত হলো ‘হিন্দি দিবস ২০২৬’। উক্ত অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক সূচনা ঘটে হিন্দি পক্ষকালের। এসবিআই কলকাতা মণ্ডলের মুখ্য মহাপ্রবন্ধক (CGM) শ্রী আর. নটরাজন প্রদীপ প্রজ্জ্বলন ও সংক্ষিপ্ত বক্তব্যের মাধ্যমে এই হিন্দি পক্ষকালের শুভ সূচনা করেন। অনুষ্ঠানে ব্যাঙ্কের চেয়ারম্যান শ্রী চল্লা শ্রীনিবাসুলু শেট্টির হিন্দি দিবসের বিশেষ বার্তাটি পাঠ করা হয় এবং কর্মসংস্কৃতিতে ভারতীয় ভাষাসমূহের প্রয়োগ নিয়ে বিস্তৃত আলোচনা করা হয়।

অনুষ্ঠানে এসবিআই চেয়ারম্যান তাঁর বার্তায় রাজভাষা ও মাতৃভাষার মধ্যেকার গভীর ও পরিপূরক সম্পর্কের কথা বিশেষভাবে স্মরণ করিয়ে দেন। তিনি জানান যে, মাতৃভাষাই হলো একজন মানুষের নিজস্ব পরিচয়, সুপ্রাচীন সংস্কৃতি ও অনুভূতির মূল ভিত্তি। আত্মনির্ভর ভারত গড়ে তোলার ক্ষেত্রে ভাষার ভূমিকা অনস্বীকার্য। নিজের মাতৃভাষা বা স্থানীয় ভাষায় চিন্তা, শিক্ষা গ্রহণ ও দৈনন্দিন কাজ সম্পন্ন করলে ভাবনার স্বচ্ছতা বাড়ে, জটিল প্রযুক্তিগত জ্ঞান সহজবোধ্য হয়ে ওঠে এবং সাধারণ মানুষ ব্যবসা ও উদ্ভাবনের সঙ্গে যুক্ত হয়ে স্বনির্ভর হওয়ার অনুপ্রেরণা পান।
১. গ্রাহক পরিষেবায় সহমর্মিতা ও ভাষার গুরুত্ব: এসবিআই চেয়ারম্যানের আহ্বান
দেশের প্রতিটি কোণায় গ্রাহক পরিষেবা পৌঁছে দেওয়ার জন্য কর্মীদের প্রতি বিশেষ আহ্বান জানানো হয় এই বারোতার মাধ্যমে:
- গ্রাহকের স্বচ্ছন্দ ভাষায় পরিষেবা: গ্রাহক যে ভাষায় কথা বলতে বা তথ্য গ্রহণ করতে সবচেয়ে স্বচ্ছন্দ বোধ করেন, সেই ভাষাতেই ব্যাঙ্কিং সেবা পৌঁছে দেওয়া কর্মীদের নৈতিক দায়িত্ব।
- কর্মদক্ষতা ও দেশের ঐক্য: হিন্দি এবং অন্যান্য ভারতীয় ভাষার ব্যাপক ব্যবহার কেবল ব্যাঙ্কের কর্মদক্ষতাই বাড়ায় না, বরং দেশের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষের মধ্যে ঐক্য ও সম্প্রীতির বন্ধন দৃঢ় করে।
- প্রযুক্তির যুগে মানবিক স্পর্শ: আধুনিক ব্যাঙ্কিং ব্যবস্থায় প্রযুক্তি পরিষেবা ও গতি বাড়ায়, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) কর্মদক্ষতা উন্নত করে এবং ডেটা বিশ্লেষণ গ্রাহকের চাহিদা বুঝতে সাহায্য করে। তবে গ্রাহকের সাথে ব্যাঙ্কের সুদৃঢ় আস্থার সম্পর্ক গড়ে ওঠে কেবল স্পষ্ট, সহজ এবং নিজস্ব ভাষায় সহমর্মী যোগাযোগের মাধ্যমেই।
২. সামাজিক দায়িত্ব ও বহুভাষিক সংস্কৃতি: সিজিএম শ্রী আর. নটরাজনের বার্তা
এসবিআই কলকাতা মণ্ডলের মুখ্য মহাপ্রবন্ধক শ্রী আর. নটরাজন তাঁর বক্তব্যে ভারতীয় স্টেট ব্যাঙ্কের দু’শতাধিক বছরের ঐতিহ্যবাহী পথচলা এবং ভারতের সামাজিক-অর্থনৈতিক বিকাশে ব্যাঙ্কের অনন্য অবদানের কথা শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন।
- সামাজিক ব্যাঙ্কিং ও অন্তর্ভুক্তি: দেশের বৃহত্তম আর্থিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে এসবিআই-এর দায়িত্ব কেবল বাণিজ্যিক ব্যাঙ্কিং পরিষেবাতেই সীমাবদ্ধ নয়; দেশের সর্বস্তরের মানুষকে প্রাতিষ্ঠানিক আর্থিক ব্যবস্থার অন্তর্ভুক্ত করাই আসল লক্ষ্য। এই কাজে ভাষাই একমাত্র শক্তিশালী মাধ্যম।
- কলকাতা মণ্ডলের বিশেষ শক্তি: প্রশাসনিক কাজের উদ্দেশ্যে হিন্দিকে শুধু লক্ষ্যমাত্রা পূরণের বস্তু হিসেবে না দেখে দৈনন্দিন কাজের স্বাভাবিক ভাষা করে তোলার আহ্বান জানান তিনি। একই সাথে পশ্চিমবঙ্গের সমৃদ্ধ সংস্কৃতি ও বহুভাষিক পরিবেশকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে শ্রী নটরাজন উল্লেখ করেন যে, হিন্দির পাশাপাশি বাংলা, নেপালি এবং অন্যান্য আঞ্চলিক ভাষাগুলির মর্যাদা রক্ষা ও ব্যবহারিক প্রসার ঘটানো কলকাতা মণ্ডলের একটি প্রধান ইতিবাচক দিক।
৩. হিন্দি পক্ষকালের বিভিন্ন কর্মসূচি ও সমাপনী পর্ব
{{/usCountry}}এসবিআই কলকাতা মণ্ডলের মুখ্য মহাপ্রবন্ধক শ্রী আর. নটরাজন তাঁর বক্তব্যে ভারতীয় স্টেট ব্যাঙ্কের দু’শতাধিক বছরের ঐতিহ্যবাহী পথচলা এবং ভারতের সামাজিক-অর্থনৈতিক বিকাশে ব্যাঙ্কের অনন্য অবদানের কথা শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন।
- সামাজিক ব্যাঙ্কিং ও অন্তর্ভুক্তি: দেশের বৃহত্তম আর্থিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে এসবিআই-এর দায়িত্ব কেবল বাণিজ্যিক ব্যাঙ্কিং পরিষেবাতেই সীমাবদ্ধ নয়; দেশের সর্বস্তরের মানুষকে প্রাতিষ্ঠানিক আর্থিক ব্যবস্থার অন্তর্ভুক্ত করাই আসল লক্ষ্য। এই কাজে ভাষাই একমাত্র শক্তিশালী মাধ্যম।
- কলকাতা মণ্ডলের বিশেষ শক্তি: প্রশাসনিক কাজের উদ্দেশ্যে হিন্দিকে শুধু লক্ষ্যমাত্রা পূরণের বস্তু হিসেবে না দেখে দৈনন্দিন কাজের স্বাভাবিক ভাষা করে তোলার আহ্বান জানান তিনি। একই সাথে পশ্চিমবঙ্গের সমৃদ্ধ সংস্কৃতি ও বহুভাষিক পরিবেশকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে শ্রী নটরাজন উল্লেখ করেন যে, হিন্দির পাশাপাশি বাংলা, নেপালি এবং অন্যান্য আঞ্চলিক ভাষাগুলির মর্যাদা রক্ষা ও ব্যবহারিক প্রসার ঘটানো কলকাতা মণ্ডলের একটি প্রধান ইতিবাচক দিক।
৩. হিন্দি পক্ষকালের বিভিন্ন কর্মসূচি ও সমাপনী পর্ব
{{/usCountry}}অনুষ্ঠানে নেটওয়ার্ক-I-এর মহাপ্রবন্ধক শ্রী রাজেশ কুমার, নেটওয়ার্ক-II-এর মহাপ্রবন্ধক শ্রী নবীন কুমার গুপ্ত এবং নেটওয়ার্ক-III-এর মহাপ্রবন্ধক শ্রী টিকম সিং গেহলটও তাঁদের তাৎপর্যপূর্ণ মতামত ব্যক্ত করেন। দৈনন্দিন প্রশাসনিক কাজে সহজ ও সচল হিন্দির প্রয়োগ বাড়ানোর পাশাপাশি হিন্দি পক্ষকাল উপলক্ষে আয়োজিত সমস্ত প্রতিযোগিতামূলক কর্মসূচিতে কর্মীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের আহ্বান জানান তাঁরা।
অনুষ্ঠানটির নিখুঁত সঞ্চালনা করেন সহকারী মহাপ্রবন্ধক (রাজভাষা) শ্রী অলোক কুমার এবং সমাপনী পর্বে উপমহাপ্রবন্ধক ও মণ্ডল উন্নয়ন আধিকারিক শ্রীমতী প্রণতি শতপথী উপস্থিত সকলকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।