ভারতের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক, স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া (SBI)-র কলকাতা সার্কেলের শীর্ষপদে এলেন শ্রী আর. নটরাজন। জুন ২০২৬ থেকে তিনি চিফ জেনারেল ম্যানেজার (CGM) পদের দায়িত্বভার সামলাবেন। পশ্চিমবঙ্গ, আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ এবং সিকিম নিয়ে গঠিত এই কলকাতা সার্কেলের সামগ্রিক ব্যাঙ্কিং কর্মকাণ্ড পরিচালনা করার মস্ত বড় দায়িত্ব এখন তাঁর কাঁধে।
তিন দশকের গৌরবময় ব্যাঙ্কিং কেরিয়ার

শ্রী আর. নটরাজনের ব্যাঙ্কিং কেরিয়ার অত্যন্ত উজ্জ্বল ও দীর্ঘ। তিনি ১৯৯০ সালে স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ায় যোগদান করেন। দীর্ঘ ৩৪ বছরেরও বেশি সময়ের কর্মজীবনে তিনি ব্যাঙ্কিংয়ের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিভাগে অত্যন্ত দক্ষতার সাথে কাজ করেছেন। রিটেল ব্যাঙ্কিং (Retail Banking), ব্যাঙ্কিং অপারেশনস (Operations) এবং ক্রেডিট ম্যানেজমেন্টের (Credit Management) মতো জটিল ও গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে তাঁর অগাধ পাণ্ডিত্য ও অভিজ্ঞতা রয়েছে। এছাড়া, দেশের গণ্ডি ছাড়িয়ে স্টেট ব্যাঙ্কের বিদেশি শাখার কাজকর্ম (Foreign Office Operations) পরিচালনার ক্ষেত্রেও তিনি সফলভাবে নিজের দায়িত্ব পালন করেছেন।
পাটনা সার্কেল থেকে কলকাতা সার্কেলে আগমন
কলকাতা সার্কেলের চিফ জেনারেল ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করার ঠিক আগেই শ্রী আর. নটরাজন স্টেট ব্যাঙ্কের পাটনা সার্কেলের জেনারেল ম্যানেজার (GM) হিসেবে কর্মরত ছিলেন। সেখানে তিনি উত্তর বিহার (North Bihar) অঞ্চলের ব্যাঙ্কিং অপারেশনসের সম্পূর্ণ দায়িত্ব অত্যন্ত সুনামের সাথে সামলেছেন। উত্তর বিহারের গ্রামীণ ও শহরতলির ব্যাঙ্কিং ব্যবস্থাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার পর, এবার কলকাতার মতো বড় মেট্রো সার্কেলের রাশ এল তাঁর হাতে।
শিক্ষাগত এবং পেশাগত যোগ্যতার দিক থেকেও তিনি অত্যন্ত অগ্রগণ্য। তিনি ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ ব্যাঙ্কার্স-এর একজন সার্টিফাইড অ্যাসোসিয়েট (CAIIB)।
আগামীর লক্ষ্য ও চ্যালেঞ্জ
{{/usCountry}}শিক্ষাগত এবং পেশাগত যোগ্যতার দিক থেকেও তিনি অত্যন্ত অগ্রগণ্য। তিনি ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ ব্যাঙ্কার্স-এর একজন সার্টিফাইড অ্যাসোসিয়েট (CAIIB)।
আগামীর লক্ষ্য ও চ্যালেঞ্জ
{{/usCountry}}অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, শ্রী আর. নটরাজনের মতো একজন অভিজ্ঞ ও দক্ষ আধিকারিক শীর্ষপদে আসায় কলকাতা সার্কেলে গ্রাহক পরিষেবা, ঋণ বণ্টন ব্যবস্থা এবং ডিজিটাল ব্যাঙ্কিংয়ের পরিধি আরও বৃদ্ধি পাবে। বর্তমানের প্রতিযোগিতামূলক বাজারে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের আধিপত্য বজায় রাখা এবং গ্রাহকদের আস্থা আরও মজবুত করাই হবে তাঁর প্রধান লক্ষ্য।