...
...
Next Story

গানের শহর প্রস্তুত হরিহরণের পঞ্চাশ বছর উদযাপন করতে, উস্তাদ -এ-গজল আসছে

দীর্ঘ পঞ্চাশ বছর আগে গজলেই হাতেখড়ি হরিহরণের। পরবর্তী কালে ভারতীয় নানা ভাষায় ছায়াছবির গানে জনপ্রিয় হন তিনি। পেয়েছেন গানে জাতীয় পুরস্কার, পদ্মশ্রী।

Published on: Jun 15, 2026, 18:50:37 IST
Advertisement

হরিহরণ এর একক গজল সন্ধ্যা উস্তাদ-এ-গজল, আগামী ২০ জুন, ২০২৬, নজরুল মঞ্চে, সন্ধ্যা ৬টা থেকে। আয়োজনে বেঙ্গল ওয়েব সলিউশন। নিবেদনে বোরোলিন, সহযোগিতায় খুকুমণি।

গানের শহর প্রস্তুত হরিহরণের পঞ্চাশ বছর উদযাপন করতে, উস্তাদ -এ-গজল আসছে
গানের শহর প্রস্তুত হরিহরণের পঞ্চাশ বছর উদযাপন করতে, উস্তাদ -এ-গজল আসছে

গজল ভারতীয় সঙ্গীতের এক স্বতন্ত্র ঘরানা যা সঙ্গীতের রসিকদের কাছে বেশ পছন্দের। হিন্দি ছবির গানের পাশাপাশি এক বহমান নদীর মতো বয়ে চলেছে নিজের আপন ছন্দে। ঘন্টার পর ঘন্টা গজলের মেহফিল চলে, শ্রোতারা বুঁদ হয়ে থাকেন তার সুরের সুবাস, কথার জাদুতে। গজল মূলত কথা প্রধান গান। প্রেম, বিরহ মানুষের নানা অনুভূতি কাব্যময় ভঙ্গিতে পরিবেশন করা হয়, যা সুরের স্নিগ্ধতায় পরিণত হয়ে ওঠে।

দীর্ঘ পঞ্চাশ বছর আগে গজলেই হাতেখড়ি হরিহরণের। পরবর্তী কালে ভারতীয় নানা ভাষায় ছায়াছবির গানে জনপ্রিয় হন তিনি। পেয়েছেন গানে জাতীয় পুরস্কার, পদ্মশ্রী। বিশিষ্ট সঙ্গীত শিল্পী আশা ভোঁসলে নিবেদন করেছিলেন রবি অনন্থ আর্থাৎ হরিহরণ জির গজল অ্যালবাম সুকুন। গানের সুরকারও ছিলেন হরিহরণ। এর পর ছায়াছবির গান, নন ফিল্ম পপ অ্যালবাম, গজল নানা ধারার গান নিয়ে কাজ করে আসছেন পঞ্চাশ বছর ধরে। তিরিশের বেশি গজল অ্যালবাম আছে শিল্পীর। গুলফাম, আবসর-এ-গজল-তে গান করেছিলেন আশা ভোঁসলের সঙ্গে, কাশ, হালকা নশা, জশন ওঁনার অন্যতম সফল গজল অ্যালবাম।

এবার কলকাতাবাসীর কাছে অনন্য সুযোগ এই বিশেষ গজল সন্ধ্যা উপভোগ করার। হরিহরণ বললেন, "কলকাতা সঙ্গীতের শহর, গান সমজদারদের শহর। এখানে বারে, বারে ফিরে এসে গান পরিবেশন করতে ভালো লাগে।"

 
ABOUT THE AUTHOR
Suman Roy

সুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।

SHARE THIS ARTICLE ON