...
...
Next Story

Relationship Tips: এই কথাগুলি কখনও শাশুড়িকে বলবেন না, কিছু কথা গোপন রাখাই ভালো

Relationship Tips: সব কথা সবাইকে বলতে নেই। তার পিছনে কোনও খারাপ উদ্দেশ্য নেই, কিন্তু সব কথা সবাইকে বললে সম্পর্ক জটিল হয়ে যায়। তেমনই শাশুড়িকে কোন কোন কথা বলবেন না?

Published on: Apr 22, 2026 09:07 PM IST
Advertisement

Relationship Tips: শাশুড়ি-বউমার সম্পর্ক যে সব সময়ে সরলরেখায় চলবে, তার কোনও মানে নেই। বরং এই দুই মহিলার মধ্যে সম্পর্ক জটিল হতেই পারে। বর্তমান শহুরে জীবনে বহু শাশুড়িই আর ছেলের সংসারে মাথা গলান না। কিন্তু তার পরেও প্রত্যেক বউমার উচিত শাশুড়িকে কয়েকটি কথা না বলা। কী কী কথার বিষয়ে সচেতন থাকবেন? জেনে নিন।

এই কথাগুলি কখনও শাশুড়িকে বলবেন না, কিছু কথা গোপন রাখাই ভালো
এই কথাগুলি কখনও শাশুড়িকে বলবেন না, কিছু কথা গোপন রাখাই ভালো

বাড়িতে পুত্রবধূ এলে বেশির ভাগ মা খুশি হন। কিন্তু পরে নানা ধরনের জটিলতা দেখা দিতে থাকে। আর এই সময়ে ছেলের প্রায় কিছুই করার থাকে না। কারণ দুই মহিলার দ্বন্দ্বের মধ্যে পড়ে তাঁর জীবন জেরবার হতে থাকে। এই পরিস্থিতি যাতে না তৈরি হয়, তার জন্য কী করবেন?

কখনও আপনার শাশুড়িকে বলবেন না, তাঁর ছেলেকে আপনির তাঁর চেয়ে বেশি বোঝেন। এটি কোনও কোনও মায়ের ক্ষেত্রে সমস্যার হতে পারে। তিনি মানসিক চাপে ভুগতে পারেন। ফলে এই ধরনের কথা এড়িয়ে চলুন।

ওঁর দেওয়া কোনও উপহারের সমালোচনা করবেন না। বিশেষ করে ওঁর সামনে তো কখনও নয়। হতে পারে, সেই উপহারটি আদ্যিকালের, ফলে আপনার সেটি ভালো লাগেনি। কিন্তু তবু সেটির সমালোচনা করবেন না। আর ওঁর সামনে সেই উপহারটি যত্ন নিয়ে ব্যবহার করবেন। বিশেষ করে সেটি যদি কোনও গয়না হয়, তবে তো বটেই।

যে কোনও সন্তানের কাছেই তাঁর বাবা-মা বেশি আপন। সেখানে শ্বশুর-শাশুড়ির তুলনা হয় না। কিন্তু শাশুড়ির সামনে বার বার নিজের বাবা-মায়ের সঙ্গে তাঁদের তুলনা টানবেন না। বলবেন না, আপনার বাপের বাড়ির ওইটা ভালো, শ্বশুর বাড়ির এইটা খারাপ। হতে পারে ঘটনাটা সত্যি। তবু না বলাই শ্রেয়।

আপনার বরের সঙ্গে আপনার যৌনসম্পর্ক কেমন, তার খুঁটিনাটি কখনও শাশুড়ির সঙ্গে আলোচনা করবেন না। এতে তাঁর খারাপ লাগতে পারে।

 
ABOUT THE AUTHOR
Suman Roy

সুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।

SHARE THIS ARTICLE ON