Relationship Tips: শাশুড়ি-বউমার সম্পর্ক যে সব সময়ে সরলরেখায় চলবে, তার কোনও মানে নেই। বরং এই দুই মহিলার মধ্যে সম্পর্ক জটিল হতেই পারে। বর্তমান শহুরে জীবনে বহু শাশুড়িই আর ছেলের সংসারে মাথা গলান না। কিন্তু তার পরেও প্রত্যেক বউমার উচিত শাশুড়িকে কয়েকটি কথা না বলা। কী কী কথার বিষয়ে সচেতন থাকবেন? জেনে নিন।

বাড়িতে পুত্রবধূ এলে বেশির ভাগ মা খুশি হন। কিন্তু পরে নানা ধরনের জটিলতা দেখা দিতে থাকে। আর এই সময়ে ছেলের প্রায় কিছুই করার থাকে না। কারণ দুই মহিলার দ্বন্দ্বের মধ্যে পড়ে তাঁর জীবন জেরবার হতে থাকে। এই পরিস্থিতি যাতে না তৈরি হয়, তার জন্য কী করবেন?
কখনও আপনার শাশুড়িকে বলবেন না, তাঁর ছেলেকে আপনির তাঁর চেয়ে বেশি বোঝেন। এটি কোনও কোনও মায়ের ক্ষেত্রে সমস্যার হতে পারে। তিনি মানসিক চাপে ভুগতে পারেন। ফলে এই ধরনের কথা এড়িয়ে চলুন।
ওঁর দেওয়া কোনও উপহারের সমালোচনা করবেন না। বিশেষ করে ওঁর সামনে তো কখনও নয়। হতে পারে, সেই উপহারটি আদ্যিকালের, ফলে আপনার সেটি ভালো লাগেনি। কিন্তু তবু সেটির সমালোচনা করবেন না। আর ওঁর সামনে সেই উপহারটি যত্ন নিয়ে ব্যবহার করবেন। বিশেষ করে সেটি যদি কোনও গয়না হয়, তবে তো বটেই।
ওঁর রান্না আপনার ভালো নাই লাগতে পারে, কিন্তু সেটির সমানোচনা করা ঠিক হবে না। আর কখনও বলবেন না, ওঁর তৈরি খাবারের চেয়ে ওঁর ছেলে আপনার হাতের রান্না খেতে বেশি পছন্দ করেন।
{{/usCountry}}ওঁর রান্না আপনার ভালো নাই লাগতে পারে, কিন্তু সেটির সমানোচনা করা ঠিক হবে না। আর কখনও বলবেন না, ওঁর তৈরি খাবারের চেয়ে ওঁর ছেলে আপনার হাতের রান্না খেতে বেশি পছন্দ করেন।
{{/usCountry}}যে কোনও সন্তানের কাছেই তাঁর বাবা-মা বেশি আপন। সেখানে শ্বশুর-শাশুড়ির তুলনা হয় না। কিন্তু শাশুড়ির সামনে বার বার নিজের বাবা-মায়ের সঙ্গে তাঁদের তুলনা টানবেন না। বলবেন না, আপনার বাপের বাড়ির ওইটা ভালো, শ্বশুর বাড়ির এইটা খারাপ। হতে পারে ঘটনাটা সত্যি। তবু না বলাই শ্রেয়।
আপনার বরের সঙ্গে আপনার যৌনসম্পর্ক কেমন, তার খুঁটিনাটি কখনও শাশুড়ির সঙ্গে আলোচনা করবেন না। এতে তাঁর খারাপ লাগতে পারে।