Foods to avoid to cure Uric Acid: সাম্প্রতিককালে যে জীবনযাত্রা দেখা যাচ্ছে, তাতে ডায়াবেটিসের সমস্যার পরই বহু কম বয়সীদের মধ্যে দেখা যেতে শুরু করেছে ইউরিক অ্যাসিডের সমস্যা। ইউরিক অ্যাসিডের সমস্যায় যদি প্রথম থেকেই নজর না দেওয়া যায়, তাহলে সমস্যা কমবে না। যে বিষয়টি সবচেয়ে বেশি জরুরি, তা হল খাওয়া দাওয়ার দিকে এই সময় সবচেয়ে বেশি সতর্ক থাকা প্রয়োজন।
ইউরিক অ্যাসিড কী?

ইউরিক অ্যাসিড কিডনি বা মলের দ্বারা বেরিয়ে যাওয়ার শারীরবৃত্তীয় ক্রিয়া রয়েছে। শরীরের প্রক্রিয়া অনুযায়ী এটি ফিল্টার হয়ে যায়। যদি কিডনি সঠিকভাবে এটিকে ফিল্টার না করতে পারে,তাহলে রক্তে মিশে যেতে পারে এই ইউরিক অ্যাসিড। ফলে গাঁটের ব্যথার মতো রোগ দেখা যায়।
ইউরিক অ্যাসিডের উপসর্গ
- শোবার সময় পায়ে একটা প্রবল ব্যথা অনুভব করা।
-পায়ের কিনারায় ফোলাভাব।
-পায়ের জয়েন্টে ব্যথা।
-বসা আর ওঠার সময় পায়ের পাতায় ব্যথা।
ভুলেও খাবেন না এই খাবারগুলি-
দই
যদি ইউরিক অ্যাসিড থেকে থাকে, তাহলে ভুলেও খাবেন না দই। এতে উপস্থিত ট্রান্স ফ্যাট আর প্রোটিন শরীরে ইউরিক অ্যাসিড বাড়িয়ে দেয়।
জাঙ্কফুড
উল্লেখ্য, তেলযুক্ত খাবার ও জাঙ্কফুড কোনও মতেই খাবেন না। এতে শরীরে ইউরিক অ্যাসিডের পরিমাণ বেড়ে যায়। এছাড়াও রেডমিট থেকে দূরে থাকতে পরামর্শ দিচ্ছেন বহু বিশেষজ্ঞ।
কপি
ফুলকপি হোক বা বাঁধা কপি খাওয়া নিয়েও সাবধানতার কথা বলছেন চিকিৎসকরা। কপিতে ইউরিক অ্যাসিড বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। ফুলকপি, বাঁধাকপি এবং মাশরুমের মতো জিনিস খাওয়া উচিত নয় যদি শরীরে ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা ভয়ানক বেশি । এই সব সবজিতে প্রচুর পরিমাণে পিউরিন থাকে। এর সেবনে শরীরে ইউরিক অ্যাসিডের পরিমাণ বেড়ে যেতে পারে।
বাদাম ও মদ
বাদাম খাওয়ার থেকে ইউরিক অ্যাসিডের রোগীদের বিরত থাকার পরামর্শ দিয়েছেন অনেকে। বাদাম খেলে ইউরিক অ্যাসিড বেড়ে যাওয়ার প্রভূত সম্ভাবনা থাকে। এছাড়াও মদ্যপান ইউরিক অ্যাসিডের পক্ষে খুবই খারাপ বিষয়।
{{/usCountry}}বাদাম খাওয়ার থেকে ইউরিক অ্যাসিডের রোগীদের বিরত থাকার পরামর্শ দিয়েছেন অনেকে। বাদাম খেলে ইউরিক অ্যাসিড বেড়ে যাওয়ার প্রভূত সম্ভাবনা থাকে। এছাড়াও মদ্যপান ইউরিক অ্যাসিডের পক্ষে খুবই খারাপ বিষয়।
{{/usCountry}}ইউরিক অ্যাসিডকে যদি নিয়ন্ত্রণে রাখতে চান,তাহলে আদা খাওয়া খুবই কার্যকরী। এর জন্য, আদার পেস্ট বানিয়ে বা চায়ে যোগ করে পান করুন।এ ছাড়া আদার তেল দিয়ে মালিশ করলেও ফোলা ও ব্যথা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। এছাড়াও রসুন ইউরিক অ্যাসিডের পক্ষে ভাল। লেবু ইউরিক অ্যাসিডের পক্ষে ভাল। এছাড়াও জোয়ানের জল ইউরিক অ্যাসিড কমানোর পক্ষে ভাল।