...
...
Next Story

Vitamin D Side-Effects: দেদার ভিটামিন ডি খেলে লাভের চেয়ে ক্ষতিই বেশি, মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে

রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়ানো থেকে মস্তিষ্কের কাজ করার ক্ষমতা— অনেকগুলোই নির্ভর করে ভিটামিন ডি-এর ওপর। কিন্তু অতিরিক্ত ভিটামিন ডি বিপদও ডেকে আনতে পারে।

Published on: Apr 4, 2026, 09:53:13 IST
Advertisement

ভারতীয়দের মধ্যে ভিটামিন ডি-এর অভাব রয়েছে অনেকেরই। করোনার সময়ে বাড়ি থেকে বেরোনোর পরিমাণ কমেছিল। এখনও সেই অভ্যাস আছে অনেকেরই। তাতে অনেকেরই এই ভিটামিনের অভাব আরও বেড়েছে। এমনই বলছেন চিকিৎসকরা। এর ফলে মস্তিষ্কের পুষ্টির অভাব থেকে হাড়ের ক্ষয়— সব কিছুর মাত্রাই বেড়েছে। এই পরিস্থিতিতে ভিটামিন ডি খাওয়ার প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে অনেকেই সচেতন হচ্ছেন।

দেদার ভিটামিন ডি খেলে লাভের চেয়ে ক্ষতিই বেশি, মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে!
দেদার ভিটামিন ডি খেলে লাভের চেয়ে ক্ষতিই বেশি, মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে!

কিন্তু ভিটামিন ডি-র অভাব হচ্ছে বলেই কি যথেচ্ছ ভিটামিন ডি খাওয়া যায়? তা মোটেই নয়। তাতে লাভের চেয়ে ক্ষতির পরিমাণই বেশি। হিসাব করলে দেখা যাবে, শরীরে ভিটামিন ডি-এর অভাব হলে যতটা ক্ষতি হয়, এই ভিটামিনের মাত্রা প্রয়োজনের তুলনায় বেড়ে গেলে ক্ষতির পরিমাণ তার চেয়ে কম কিছু নয়।

কেন এমন হয়? চিকিৎসকেরা এই বিষয়ে জানিয়েছেন, দু’ধরনের ভিটামিন রয়েছে। একদল জলে গুলে যায়। অন্যগুলো ফ্যাটে দ্রবীভূত হয়। যে ভিটামিনগুলো জলে দ্রবীভূত হয়, সেগুোৃলোর মাত্রা শরীরে বেড়ে গেলে তুলনামূলক ভাবে কম ক্ষতি হয়। কিন্তু যে ভিটামিনগুলো ফ্যাটে দ্রবীভূত হয়, সেগুলোর মাত্রা বেড়ে গেলে তা শরীরের চরম ক্ষতি করতে পারে। কারণ এগুলো শরীর থেকে সহজে বেরোতে চায় না। নানা রকম সমস্যার সৃষ্টি করে। ভিটামিন ডি’ও এ রকমই একটি ভিটামিন।

এই ভিটামিনের মাত্রা শরীরে মাত্রাতিরিক্ত বেড়ে গেলে কী কী সমস্যা হতে পারে? চিকিৎসক বলছেন, ‘এর ফলে শরীরে ভিটামিন ডি টক্সিসিটি হতে পারে। তার ফলে বহু ধরনের সমস্যা দেখা দেয়।’ সেগুলো কী কী:

  • কিডনিতে পাথর
  • বমি বমি ভাব
  • কোষ্ঠকাঠিন্য
  • অতিরিক্ত জলতেষ্টা পাওয়া
  • মানসিক সমস্যা দেখা দেওয়া
  • ওজন কমে যাওয়া

হালে ভারতে অনেকেই ভিটামিন ডি-র অভাব নিয়ে চিন্তিত। তার ফলে তাঁরা আলাদা করে ট্যাবলেট আকারে এই ভিটামিনটা খান। কিন্তু সেই সচেতনতা যেন বিপদের কারণ না হয়ে দাঁড়ায়। তেমনই বলছেন চিকিৎসক।

 
ABOUT THE AUTHOR
Suman Roy

সুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।

SHARE THIS ARTICLE ON