রান্নাঘরের মশলার মধ্যে আপনি নিশ্চয়ই ত্রিফলা দেখেছেন। এটি খাবারে দিলে স্বাদ এবং গন্ধ দুটোই বাড়ে। এটি আমলকী, বহেড়া এবং হরিতকী - এই তিনটি ফল দিয়ে তৈরি। ত্রিফলা সেবন করলে স্বাস্থ্যের জন্য অনেক উপকার পাওয়া যায়। অনেকেই এর চূর্ণও খান। ত্রিফলা স্বাস্থ্যের জন্য বেশ উপকারী বলে মনে করা হয়, এটি খেলে অনেক স্বাস্থ্য উপকারিতা মেলে। চলুন, এর থেকে প্রাপ্ত উপকারিতাগুলো সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক।

১. ত্রিফলা খেলে হজমশক্তি শক্তিশালী হয়। এর ফলে পেটের ব্যথা, কোষ্ঠকাঠিন্য, বদহজম, অ্যাসিডিটির মতো সমস্যা হয় না। এটি অন্ত্র পরিষ্কার করতে সাহায্য করে এবং পেটে অ্যাসিডের উৎপাদন নিয়ন্ত্রণে রাখে।
২. ত্বকে কালো ছোপ পড়লে বা পোরস বন্ধ হয়ে গেলে ত্রিফলার গুঁড়োর জল পান করুন। এটি সেবন করলে মুখে উজ্জ্বলতা আসে এবং ত্বক সংক্রান্ত সমস্যা দূর হয়।
৩. যাদের ঘন ঘন ইউরিন ইনফেকশন হয়, তাদেরও ত্রিফলা খাওয়া উচিত। এর জলও পান করতে পারেন। এতে পেট পরিষ্কার থাকে এবং ইউরিন ইনফেকশন হয় না।
৪. ত্রিফলাকে শরীরের ডিটক্সিফায়ার হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এর জল পান করলে শরীরে জমে থাকা ময়লা বেরিয়ে যায় এবং শরীর ভেতর থেকে সম্পূর্ণ পরিষ্কার থাকে।
৫. আপনি যদি স্থূলতা নিয়ে চিন্তিত হন, তাহলে ত্রিফলার চূর্ণ বা এর গুঁড়োর জল পান করুন। এতে থাকা ফাইবার ওজন নিয়ন্ত্রণ করে এবং মেটাবলিজম বাড়াতে সাহায্য করে।
৬. ত্রিফলাকে ইমিউনিটি বুস্টারও বলা হয়। এতে ভিটামিন সি এবং অন্যান্য অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট রয়েছে, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
{{/usCountry}}৬. ত্রিফলাকে ইমিউনিটি বুস্টারও বলা হয়। এতে ভিটামিন সি এবং অন্যান্য অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট রয়েছে, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
{{/usCountry}}৭. চোখের স্বাস্থ্যের জন্যও ত্রিফলার গুঁড়ো উপকারী। এটি চোখের দৃষ্টিশক্তি বাড়ায় এবং ভেতর থেকে চোখ পরিষ্কার করে।
৮. হাড়ের মজবুতির জন্যও আপনি ত্রিফলা খেতে পারেন। এতে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম থাকে, যা হাড়কে শক্তিশালী করে। এটি গাঁটের ব্যথা থেকেও মুক্তি দেয়।
৯. শরীরে কোনো ধরনের ফোলাভাব বা প্রদাহ থাকলে ত্রিফলার গুঁড়োর জল পান করুন। এতে শরীরের ফোলাভাব কমে যায়।