...
...
Next Story

রক্ত আবার সোনালি হয় নাকি! সারা পৃথিবীতে মাত্র ৪৩ জনের আছে এই ‘গোল্ডেন ব্লাড’

অত্যন্ত বিরল এই রক্ত। কাদের থাকে এই রক্ত, এর গ্রুপই বা কী হয়, জেনে নিন।

Published on: Apr 10, 2026 08:15 AM IST
Advertisement

রক্তের চারটি গ্রুপের কথা তো সকলেই জানেন। A, B, O এবং AB। এর পরে রয়েছে Rh ফ্যাক্টরের প্রশ্ন। অর্থাৎ নির্দিষ্টি গ্রুপের রক্তের মধ্যে পিজিটিভ এবং নেগেটিভ। কিন্তু এ সবের বাইরেও আছে একটি বিশেষ রক্তের গ্রুপ। যাকে বলা হয় ‘Golden Blood’ বা ‘সোনালি রক্ত’।

রক্ত আবার সোনালি হয় নাকি! সারা পৃথিবীতে মাত্র ৪৩ জনের আছে এই ‘গোল্ডেন ব্লাড’
রক্ত আবার সোনালি হয় নাকি! সারা পৃথিবীতে মাত্র ৪৩ জনের আছে এই ‘গোল্ডেন ব্লাড’

এই রক্তের গ্রুপের মানুষের সংখ্যা রীতিমতো কম। প্রতি ৬০ লক্ষ মানুষের মধ্যে ১ জনের এই রক্ত থাকতে পারে। এই মুহূর্তে পৃথিবীতে মাত্র ৪৩ জন মানুষ রয়েছেন, যাঁদের এই রক্ত রয়েছে বলে জানা যায়। কারও কারও মতে সংখ্যাটি ৪৯। মোদ্দা কথায়, ৫০ জনের কম মানুষের এই রক্ত রয়েছে বলে মনে করা হয়।

কী এই ‘Golden Blood’ বা ‘সোনালি রক্ত’?

সাধারণত রক্ত পজিটিভ নাকি নেগেটিভ হবে, তা নির্ভর করে তার Rh Protein-এর উপর। এই প্রোটিনটি থাকলে রক্ত পজিটিভ। না থাকলে নেগেটিভ। ১৯৬০ সালে এক অন্তঃসত্ত্বা মহিলার শরীরে এমন রক্তের খোঁজ পাওয়া যায়, যেটির Rh Protein এমন, যে সেটিকে পজিটিভ বা নেগেটিভ, কোনও দলেই ফেলা যাবে না। চিকিৎসকরা এই রক্তের নাম দেন ‘Golden Blood’ বা ‘সোনালি রক্ত’। একে Rh-null রক্তও বলা হয়।

কাদের হয় এটি?

যাঁদের এই রক্ত রয়েছে, তাঁরা শুধুমাত্র এই একই ধরনের রক্তের মানুষের থেকেই রক্ত পেতে পারেন। অন্য কারও রক্ত তাঁদের শরীরে এলে রক্তে বিষক্রিয়া ঘটতে পারে।

কেন সবচেয়ে দামি রক্ত?

এই ধরনের রক্তকে সবচেয়ে দামি রক্ত বলা হয়। কারণ যাঁদের ‘Golden Blood’ বা ‘সোনালি রক্ত’ রয়েছে, তাঁরা পৃথিবীর যে কোনও মানুষকে রক্ত দিতে পারেন। খুব বিরল কিছু অসুখের চিকিৎসায় এই রক্ত কাজে লাগতে পারে। তাই এটি প্রকৃতই ‘Golden Blood’ বা ‘সোনালি রক্ত’।

 
ABOUT THE AUTHOR
Suman Roy

সুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।

SHARE THIS ARTICLE ON