বাঙালি বাড়িতে নানা ধরনের মাছ খাওয়ার চল থাকে। কিন্তু বহু মাছই আমরা খেতে ভালো লাগে বলে খাই। অনেকেরই জানা থাকে না, সেই সব মাছে কী জাতীয় উপাদান থাকে। এই যেমন ট্যাংরা মাছ। এই মাছ এতি পরিচিত। কিন্তু অনেকেই হয়তো জানেন না এতে কোন কোন উপাদান রয়েছে।

ট্যাংরা মাছ নানা ধরনের উপাদানে ঠাসা। এতে বিরল ধরনের ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিড রয়েছে। এছাড়াও এতে আছে ভালো ফ্যাট। এবার জেনে নেওয়া যাক, এই মাছ খেলে শরীরে কী কী প্রভাব পড়তে পারে, কেন এই মাছ অনেককেই খেতে বলা হয়।
ট্যাংরা মাছ খেলে হার্ট ভালো থাকে। কারণ এটি কোলেস্টরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ রাখে। মুরগি বা খাসির মাংসে যে ধরনের প্রোটিন থাকে, তার চেয়ে অনেক আলাদা প্রোটিন মাছে থাকে। যে কোলেস্টরলের ভয়ে আপনি ভীত থাকেন, মাছ খেলে সেটা কিন্তু অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আসবে। এতে যে ফ্যাট থাকে সেটা সহজে শরীরে দ্রবীভূত হয়ে যায়।
ট্যাংরা মাছে এমন অনেক উপাদান আছে যা শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে। প্রতিদিন মাছ খেলে আরথারাইটিস ও ডায়াবিটিসের মতো রোগ শরীরে বাসা বাঁধতে পারবে না। ফলে বয়স্করা এই মাছ খেলে বিশেষ সুবিধা পাবেন।
ট্যাংরা মাছ-এর মধ্যে যে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড আছে তা মস্তিষ্কের বিকাশে অত্যন্ত কার্যকরী। এই উপাদান ব্রেনের কোষ সতেজ রাখে এবং বুদ্ধির বিকাশ ঘটায়। তাই শিশুদের এই মাছ খাওয়ালে উপকার পাওয়া যায়।
{{/usCountry}}ট্যাংরা মাছ-এর মধ্যে যে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড আছে তা মস্তিষ্কের বিকাশে অত্যন্ত কার্যকরী। এই উপাদান ব্রেনের কোষ সতেজ রাখে এবং বুদ্ধির বিকাশ ঘটায়। তাই শিশুদের এই মাছ খাওয়ালে উপকার পাওয়া যায়।
{{/usCountry}}মাছ খেলে শরীরে কোলাজেন বৃদ্ধি পায়। যেহেতু কোলাজেন ত্বক এবং চুল, দুটোর জন্যই ভালো, সেহেতু মাছ খেলে এই দুটোই ভালো থাকে। মাছের এই গুণ আছে যে সে সেল মেম্ব্রেনের মধ্যে তরল ভাব বজায় রাখে। এজন্য শুষ্ক ত্বকে আর্দ্রতা আবার ফিরে আসে এবং চুলও নরম আর উজ্জ্বল হয়।
যাদের চোখের সমস্যা হয়, তাঁদের চিকিৎসকরা এই মাছ খেতে বলেন। বিশেষ করে মাছের চামড়া বা তেল তাঁদের পক্ষে খুবই ভালো। এই মাছের পুষ্টি উপাদান চোখ ভালো রাখে, রেটিনা সুস্থ্য রাখে এবং ড্রাই আইজ বা চোখের শুষ্কতা প্রতিরোধ করে।
এতে আছে ভিটামিন ডি। ভিটামিন ডি হাড় মজবুত রাখে। তাই এই মাছ খেলে হাড়ের সমস্যা অনেকটাই দূর হয়। বিশেষ করে যাঁদের আরথারাইটিস আছে তাঁদের পক্ষে এটা খুব ভালো মাছ।